ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁয় রাতের আঁধারে ১২০ বস্তা সার পাচারের সময় হাতেনাতে ধরল এলাকাবাসী


নওগাঁয় রাতের আঁধারে ১২০ বস্তা সার পাচারের সময় হাতেনাতে ধরল এলাকাবাসী

নওগাঁর এলাকাবাসী রাতে পাচারের সময় ১২০ বস্তা সার হাতেনাতে আটক করেছে। বিক্ষুব্ধ জনগণের প্রতিবাদে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে এসে সারভর্তি দুটি গাড়ি জব্দ করে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সেগুলো হেফাজতে রাখা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্থানীয় কৃষকদের মাঝে সরকারের নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রির আশ্বাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটি-হাপানিয়া সড়কে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ডিলার পয়েন্ট থেকে এসব সার অন্য জেলায় পাচার করা হচ্ছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটিতে অবস্থিত সারের অনুমোদিত ডিলার পয়েন্ট 'মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্স'। মঙ্গলবার রাতে ওই ডিলার পয়েন্টের মালিক ওয়াসেফ আলী মোল্লার গোডাউন থেকে দুটি নসিমন-ভটভটিতে ১২০ বস্তা ডিএপি সার বোঝাই করে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকরা দুবলহাটি-হাপানিয়া সড়কে গাড়ি দুটি থামিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নসিমনের চালকরা প্রথমে ইণ্টিতলা মোড়ে যাওয়ার কথা বললেও, পরে তারা স্বীকার করে যে সারগুলো রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে সার সংকটে ভুগছেন, এবং স্থানীয় ডিলারের মাধ্যমে অন্য জেলায় সার পাচারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে গাড়িদুটি আটকে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে খবর দেয়।

তথ্য পেয়ে মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্সের ম্যানেজার মামুন ঘটনাস্থলে আসলে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন। তিনি দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক ওয়াসেফ আলী মোল্লার নির্দেশে তিনি নসিমনদুটি ছেড়ে দেন। তবে সেগুলো কোথায় বিক্রি করা হয়েছে বা পাঠানো হচ্ছিল, সে বিষয়ে মালিক তাকে স্পষ্ট কিছু জানাননি। প্রশাসন আসার আগেই তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ভোগান্তির কথা জানিয়ে স্থানীয় কৃষক শরিফুল ইসলাম ও জাহিদুল ইসলাম বলেন, জমিতে সার দেওয়ার উপযুক্ত সময় চললেও তারা সময়মতো সার পাচ্ছেন না। ডিলারের দ্বারে দ্বারে ঘুরে তিন দিন ধরে কোনো সার মেলেনি। অথচ তাদের ইউনিয়নের সার গোপনে অন্য জেলায় চালান করে দেওয়া হচ্ছে। এলাকাবাসী ও কৃষকদের সজাগ দৃষ্টির কারণেই আজ পাচার রোধ সম্ভব হয়েছে। তারা এসব সার দ্রুত স্থানীয় প্রকৃত কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জোর দাবি জানান।

খবর পেয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নূরুল আমিন এবং সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনিরুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর ইউএনও মো. নূরুল আমিন জানান, সারের ডিলার পয়েন্ট থেকে শতাধিক বস্তা সার অন্য জেলায় পাচার হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও কৃষি কর্মকর্তাসহ তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে পৌঁছে দেখা যায় ৬০ বস্তা করে দুটি গাড়িতে মোট ১২০ বস্তা ডিএপি সার স্থানীয় জনতা আটকে রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় ডিলার বা তার কোনো দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে পাওয়া যায়নি। 'সার আইন ২০০৬' অনুযায়ী সার ভর্তি নসিমনদুটি জব্দ করে দুবলহাটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে নিরাপদ সংরক্ষণে রাখা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে জব্দকৃত ১২০ বস্তা সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে দুবলহাটি ইউনিয়নের সাধারণ কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে।

সার বিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত সব অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

কৃষকদের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অসাধু ডিলারের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ডিলার সার নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির সাহস না পায়।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ঐতিহাসিক আবাইপুর দিবস, পাক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে শহীদ ১৪ মুক্তিযোদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ এম


আজ ঐতিহাসিক আবাইপুর দিবস, পাক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে শহীদ ১৪ মুক্তিযোদ্ধা

আজ ১৪ অক্টোবর। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই দিনটি জেলাবাসির জন্য এক বেদনাবিধূর দিন হিসেবে চিহ্নিত, যা ঐতিহাসিক ‘আবাইপুর দিবস’ নামে পরিচিত। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিকামী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। দেশের স্বাধীনতার জন্য সেদিন পাকি হায়েনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ১৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৪ জন সাধারণ গ্রামবাসী জীবন উৎসর্গ করে শহীদ হন। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে দিনটি গৌরবোজ্জ্বল ও ত্যাগগাথার স্মারক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

৭১-এর এই দিনে শৈলকুপার আবাইপুর এলাকায় অবস্থান নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অতর্কিত আক্রমণ চালায়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অসম ও তুমুল সম্মুখযুদ্ধে হানাদার বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধাসহ ১৮ জন।

তাদের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শৈলকুপার শেখপাড়ার নজরুল ইসলাম, বন্দেখালী গ্রামের আবুল হোসেন, সিদ্ধি গ্রামের আবু জাফর, দহকোলা গ্রামের ইসমাইল হোসেন, জালশুকা গ্রামের চেতন জোয়ারদার, সুবিদাহ গোবিন্দপুর গ্রামের ইউসুফ আলী, দোহারো গ্রামের আলিমুদ্দিন, বরিয়া গ্রামের সিমার, বগুড়া গ্রামের আবু সুফিয়ান, মিনগ্রামের সিরাজুল, বরিয়া গ্রামের কাসেম আলী, খাসবগদিয়া গ্রামের আজিবর হোসেন, বরিয়া গ্রামের শাহাদত হোসেন এবং কাজীপাড়ার বাবর আলী।

এছাড়া পাক বাহিনী গ্রাম ছাড়ার সময় তাদের সামনে পড়ে গেলে বরিয়া গ্রামের মকছেদ আলী, মিনগ্রামের শরীফুল ইসলাম, মাধবপুর গ্রামের রুস্তম আলী ও আবাইপুর গ্রামের সৈয়দ আলীকে হত্যা করে। যুদ্ধ শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা পরম শ্রদ্ধায় শহীদদের মরদেহ আবাইপুর প্রাঙ্গণে সমাহিত করেন, যা আজ মুক্তিকামী মানুষের কাছে লড়াই সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও দিবসটি পালনে ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের উদ্যোগে আবাইপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাজার প্রাঙ্গণে আজ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণমূলক স্মরণসভা।

ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা কামালুজ্জামান বলেন, "নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শৈলকুপার আবাইপুর যুদ্ধ ঝিনাইদহবাসীর জন্য এক পরম আত্মত্যাগের প্রতীক। নজরুল, আবুল, আবু জাফরদের মতো অকুতোভয় বীরদের রক্তেই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। আমরা তাঁদের রক্তের ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। তবে শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও সুশাসিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার। নতুন প্রজন্মকে আবাইপুরের মতো ঐতিহাসিক যুদ্ধগাথা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চকবাজারের আগুন ৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


চকবাজারের আগুন ৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা হলো

পুরান ঢাকার চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস প্রায় সাড়ে ৩৭ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণরূপে নির্বাপণ করতে সক্ষম হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চকবাজারের আগুন নির্বাপণ সম্পন্ন হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এসি মসজিদসংলগ্ন মার্কেটটিতে আগুন লাগার খবর পায় সংস্থাটি। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে ধাপে ধাপে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

ঐ সময় ফায়ার সার্ভিস জানায়, মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় বিভিন্ন পণ্যের গুদাম ছিল। গুদামের দরজা ও শাটার তালাবদ্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়। তালা ও শাটার ভেঙে প্রবেশের পর, কর্মীদের আগুনের উৎস এবং বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়া আগুন মোকাবিলা করতে হয়।

একই সঙ্গে ভবনের ভেতরে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত পথ না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ঘন ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

আগুন নেভাতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। পানির সীমিত উৎস এবং সরু রাস্তার কারণে পানিবাহী গাড়ি নিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নেভানোর পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালথায় ছাত্রী উত্ত্যক্তের জেরে সংঘর্ষে ১৪ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


সালথায় ছাত্রী উত্ত্যক্তের জেরে সংঘর্ষে ১৪ জন আহত

ফরিদপুরের সালথায় মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে দুটি দোকান ভাঙচুর এবং একটি খড়ের গাদায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সালথা থানার ওসি বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ইনকিলাবকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) শেষ বিকেলে উপজেলার রামকান্তুপুর ও আটঘর ইউনিয়নের সীমান্তে অবস্থিত বিভাগদী ব্রিজের ওপর সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসী আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন।

‎

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে মাদরাসা থেকে ফেরার সময় আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের তিন মাদরাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন রামকান্তপুর এলাকার কয়েক যুবক। এই খবর পেয়ে উত্ত্যক্তকারীদের ওপর হামলা চালান বিভাগদী গ্রামের কিছু যুবক। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় ইউনিয়নের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

‎

‎

প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষ। এ সময় হামলা চালিয়ে দুটি দোকান ভাঙচুর করা হয় এবং একটি খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

‎

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণায় লোহাগড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমানের গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণায়  লোহাগড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমানের গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমান মোল্যার গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিঠাপুর বাজার থেকে গণসংযোগ শুরু করে নালীয়া ও ঝড়োবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত অবধি সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন তিনি।

এ সময় নালীয়া ও ঝড়োবাজার এলাকায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন-নলদী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মশিয়ার রহমান মোল্যা, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত হোসেন মোল্যা, নলদী ইউপি’র ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মিজানুর রহমান, বিজন কুমারসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ভোট হবে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি। আর শেষ বা পঞ্চম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ওই বছরের ২৭ মে। এই ঘোষণার পর মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিতকায় নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১ নম্বর নলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমান মোল্যা নির্বাচন করতে আগ্রহী। তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অনেক আগে থেকে সম্পৃক্ত আছেন। জনপ্রতিনিধি হয়ে সরকারি-বেসরকারি ভাবে নলদী ইউনিয়নের আরও উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে তার (মশিয়ার) মতো লোকের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন পথসভার বক্তারা। #
 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%