আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
০৯:২৩ পি.এম
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী সন্দ্বীপের শহীদ সাইমুন ও সৈকতসহ সকল শহীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলার উদ্যোগে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে সন্দ্বীপের হানিফ শিকদার জামে মসজিদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিলের আগে বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে জামায়াত নেতৃবৃন্দ শহীদ সাইমুনের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতও অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকাল ৫টায় হানিফ শিকদার জামে মসজিদে আনুষ্ঠানিক দোয়া মাহফিল শুরু হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সন্দ্বীপ উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মাওলানা হেলাল উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর মুহাম্মদ আলা উদ্দীন সিকদার। তিনি বলেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তারা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। শহীদ সাইমুন, শহীদ সৈকতসহ সকল শহীদের আত্মত্যাগ ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা মহান আল্লাহর দরবারে সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা যেন তাঁদের জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন, আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রদান করেন এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। পাশাপাশি দেশকে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করুন।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবুTaher, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা এ.এস.এম. হালিম উল্লাহ, উপজেলা তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ খান, ইসলামী ছাত্রশিবির সন্দ্বীপ শহরের সভাপতি মুহাম্মদ নজরুল মাহমুদ, মুছাপুর ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা নাজিম উদ্দীন সিরাজী, পৌরসভার সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, কালাপানিয়া ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা সোলাইমান চৌধুরী এবং গাছুয়া ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ মাকছুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল, কর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন। শেষ পর্বে শহীদদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা, শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য উত্তম প্রতিদান এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের ১৪ নম্বর দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবমাননা ও অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মচারী মিনহাজের বিরুদ্ধে শহীদ মিনারের বেদি ও আশপাশের এলাকায় মুরগি জবাই করে রক্ত, পালক ও বর্জ্য ফেলে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে অবস্থিত শহীদ মিনারের মূল বেদি ও সিঁড়িতে রক্তের দাগ ছড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া শহীদ মিনারের চারপাশে মুরগির পালক ও অন্যান্য বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় পুরো এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিওতে বক্তব্য দেওয়া এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, শহীদ মিনারের পাশেই ময়লা ফেলার নির্ধারিত ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বশীলরা সেখানে বর্জ্য না ফেলে শহীদ মিনার এলাকাকেই ব্যবহার করেছেন। তিনি এটিকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মৃতির প্রতি চরম অসম্মান বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যেও অসন্তোষ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান নিয়মিত ও নির্ধারিত সময়ে পরিষদে উপস্থিত থাকেন না। ফলে, বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা শহীদ মিনার অবমাননার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শহীদ মিনার এলাকা দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে এর মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মচারী মিনহাজ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিভিন্ন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সিল, সই এবং অফিশিয়াল লেটারহেড জাল করে প্রভাব খাটানোর মাধ্যমে এক সংঘবদ্ধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসী, মীর তৌহিদুল ইসলাম ও বকুল মণ্ডল। এই পাঁচজনের মধ্যে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে চারজন এবং কুষ্টিয়া থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রটির কাছে ৪১টি জাল সরকারি সিল, বিপুল পরিমাণ লেটারহেড, কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার, রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি সুপারিশপত্রে একজন চাকরিচ্যুত কর্মচারীকে পুনর্বহালের অনুরোধ করা হয়েছে। ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী, একাধিক মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সিল ও সই জাল করা হয়েছিল। মন্ত্রণালয় বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ডিবির কাছে তদন্তের অনুরোধ জানায়।
তদন্তে ডিবি জানতে পারে, চক্রটি শুধু জাল চিঠি তৈরি করেনি, বরং প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসারের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চাপ সৃষ্টি করেছিল। তদন্তে মূলহোতা হিসেবে ফারুক হোসেনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়। তিনি ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারানোর পর তিনি জালিয়াতির এই চক্র গড়ে তোলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এক যুবক ইসমাইল খান (১৮) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতের দিকে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের বহুরিয়া খানপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল ওই গ্রামের কিতাব খানের ছেলে। পুলিশের জানানো তথ্যমতে, ইসমাইল ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী মিলে বেশ গুরুত্বপূর্ণভাবে গেড়ামাড়া গোহাইলবাড়ি সবুজসেনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্ত করতেন। চলতি রবিবার বিদ্যালয় চলাকালে, তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে বিদ্যালয়ের সড়কে র্যালি করেন এবং পাশাপাশি ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করেন।
এ সময় যথাযথ কিছু স্থানীয় লোকজন বিষয়টি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। ভিডিওটি পরে ছড়িয়ে পড়লে, এক ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা সোমবার সকালবেলা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে, সোমবার গভীর রাতে ইসমাইলকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ‘উত্ত্যক্ত করার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর মা থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বানারীপাড়ায়, জুলাই শহীদ ছাত্রদল নেতা তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। এ সময় তিনি বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতাকে কুক্ষীগত করার অপচেষ্টাকারীরা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু। যারা গণঅভ্যুত্থানের অর্জনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চেয়েছিল, তারা কখনোই সফল হবে না।"
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বড়চাউলাকাঠী গ্রামের সন্তান ও জুলাই শহীদ ছাত্রদল নেতা তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রহমাতুল্লাহ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আন্দোলন। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ এ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের সফলতার পর একটি মহল এ অর্জনকে কুক্ষীগত করে নিজেদের একক অবদান হিসেবে প্রচারের চেষ্টা চালায়।
তিনি আরও বলেন, ওই মহলের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ভোটে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করা। তবে সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যারা গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল, তারাই এখন প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতার লোভ থেকেই একটি মহল জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণেরও চেষ্টা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত সরকার শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
কবর জিয়ারত শেষে রহমাতুল্লাহ শহীদ তাহিদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জেলা ওলামা দলের সহ-সভাপতি মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিলম চৌধুরী, ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম উজ্জ্বল, হাজিক দাঈয়ান ইশতী, জুলাই কন্যা লাবণ্য রহমানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশগ্রহণকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বড়চাউলাকাঠী গ্রামের সন্তান ছাত্রদল নেতা তাহিদুল ইসলাম। তাঁর স্মরণে মঙ্গলবার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ