ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাইকগাছায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা


পাইকগাছায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়েছে। এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা) উপজেলা শাখা একটি র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রথমে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মো. আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক প্যানেল মেয়র এস এম ইমদাদুল হক, বিএনপি নেতা তুষার কান্তি মণ্ডল, সেলিম রেজা লাকী, শেখ রুহুল কুদ্দুস, অ্যাডভোকেট একরামুল ইসলাম, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জি এম শুকুরুজ্জামান, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জি এম মিজানুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আলাউদ্দীন সোহাগ এবং প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ক্যাম্পেইন

নিসচা-র সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক মো. আব্দুল আজিজ এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক কাউন্সিলর মনিরুল ইসলাম মন্টু, আবু হুরায়রা বাদশা, মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান, জি এম রুস্তম আলী, এরশাদ হোসেন, জাকির হোসেন, রকি বিশ্বাস, আব্দুল মজিদ বয়াতি, রুবেল সরদার, সাংবাদিক এন ইসলাম সাগর, স্নেহেন্দু বিকাশ, আসাদুল ইসলাম, আবুল হাশেম, পূর্ণ চন্দ্র মণ্ডল, এম জালাল উদ্দীন, দীনেশচন্দ্র রায়, সিরাজুল ইসলাম, ফরিজুল ইসলাম, আল মামুন, আব্দুর রাজ্জাক, আবু হানিফ মিলন, পার্থ হালদার, মজিদা বেগম, রেহানা পারভীন, জয়নাল গাজী, তাহারুল ইসলাম, কাজী সোহাগ, রুহিন সরদার এবং মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল রানা প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্যদের পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচিত হবেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলের মাঝপথে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাত থেকে কেড়ে নিতে মরিয়া ডেমোক্র্যাটরা। অন্যদিকে, ক্ষমতা ধরে রাখতে লড়াই করছে ট্রাম্পের দল।

নির্বাচন সামনে রেখে কয়েক সপ্তাহ ধরেই আগাম ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মতো হলে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ ভোট দিতে পারেন। প্রচারেও বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। বিজ্ঞাপনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অ্যাডইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, ১২ অক্টোবর পর্যন্ত রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে ব্যয় হয়েছে রেকর্ড ৩৮০ কোটি ডলার।

বিশেষ করে টেক্সাস, ওহাইও ও মিশিগানের সিনেট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজ্ঞাপনে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। নির্বাচনী অর্থায়নের নথি অনুযায়ী, রিপাবলিকানদের সমর্থনে একাই প্রায় ৩৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় করেছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক।

তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তুলনায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ভোটার উপস্থিতি কম থাকে। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১৫ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি ভোট পড়েছিল।

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ এবারের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আসন ২১৮টি এবং ডেমোক্র্যাটদের ২১৪টি। এ ছাড়া দুটি আসন শূন্য রয়েছে এবং একজন স্বতন্ত্র সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে কাজ করেন। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের নিট চারটি আসন বাড়াতে হবে।

সিনেটেও এগিয়ে রয়েছে রিপাবলিকানরা। সেখানে তাদের আসন ৫৩টি, আর ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে ডেমোক্র্যাটদেরও নিট চারটি আসন বাড়াতে হবে।

মেইন, ওহাইও, নর্থ ক্যারোলাইনা, আইওয়া ও জর্জিয়াসহ অন্তত ১০টি অঙ্গরাজ্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন সিনেটের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মধ্যবর্তী নির্বাচন কি ট্রাম্পের ক্ষমতায় প্রভাব ফেলবে?

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসিডেন্ট পদে ভোট হয় না। তবে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ও তার দলের জন্য এই নির্বাচন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণত মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ভোটাররা প্রেসিডেন্টের কাজের মূল্যায়নের সুযোগ হিসেবে দেখেন। নির্বাচনে খারাপ ফল হলে প্রেসিডেন্টকে তার নীতি ও কর্মপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।

ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান দলের জন্যও এবারের নির্বাচন বড় পরীক্ষা। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালে আইন পাস করা, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনের নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

এ ছাড়া এবারের নির্বাচনের ফল ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারকৌশল নির্ধারণেও প্রভাব ফেলতে পারে।

জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাটা

রয়টার্স ও ইপসোসের সেপ্টেম্বরের এক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের কাজের প্রতি সমর্থন নেমে এসেছে ৩২ শতাংশে, যা তার জন্য সর্বনিম্ন পর্যায়।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের মতো অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এসব কারণে রিপাবলিকানদের প্রতি ভোটারদের সমর্থন কমার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের আগ্রহ রিপাবলিকানদের তুলনায় বেশি বলে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আগাম ভোটের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ডেমোক্র্যাটরা সুবিধা পেতে পারেন।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করা হিস্পানিক বা লাতিনো ভোটারদের একাংশও আবার ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থনীতি নিয়ে অসন্তোষ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী পদক্ষেপ এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে ডেমোক্র্যাটদের বড় ব্যবধানে জয়ের নিশ্চয়তা নেই। ডেমোক্র্যাটদের প্রতি কিছু ভোটারের অনাস্থা, নির্বাচনী প্রচারে রিপাবলিকানদের বেশি অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা এবং দলটির বামপন্থি প্রার্থীদের কয়েকটি প্রাথমিক নির্বাচনে জয় মধ্যপন্থি ভোটারদের উদ্বেগ বাড়াতে পারে।

অতীতের নির্বাচন কী বলছে?

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ইতিহাসে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বড় ধাক্কা খাওয়ার নজির রয়েছে।

২০১০ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদে ৬৩টি আসন বাড়িয়ে বড় জয় পায়। তখন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোচ্ছিল না এবং ওবামার স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার নিয়েও সমর্থন দুর্বল ছিল। ফলে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারায়। সিনেটে ছয়টি আসন হারালেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল তারা।

সেই ফলকে ওবামা ‘বড় ধাক্কা’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। এরপর রিপাবলিকানরা প্রতিরক্ষা খাতের বাইরে সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর দাবি তোলে।

২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ডেমোক্র্যাটরা পালটা সাফল্য পায়। তারা প্রতিনিধি পরিষদে নিট ৪০টি আসন বাড়ায়। তবে সিনেটে তাদের আসন নিট দুটি কমে যায়।

এবার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টিতে গভর্নর নির্বাচন হবে। পাশাপাশি প্রায় সব অঙ্গরাজ্যেই স্থানীয় আইনসভাগুলোর বিভিন্ন আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালটপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশজুড়ে অঙ্গরাজ্যগুলোর আইনসভায় রিপাবলিকানদের দখলে প্রায় ৫৫ শতাংশ আসন, আর ডেমোক্র্যাটদের দখলে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

ডেমোক্র্যাটরা জিতলে স্পিকার হতে পারেন হাকিম জেফরিস

প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দলের নেতা ও নিউইয়র্কের প্রতিনিধি হাকিম জেফরিস স্পিকার হতে পারেন। তিনি বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের নেতা।

স্পিকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকারক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্টের পর তৃতীয় অবস্থানে থাকেন। জেফরিস স্পিকার হলে তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসবেন।

স্পিকার হিসেবে তিনি প্রতিনিধি পরিষদের বিভিন্ন কমিটিকে ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শুরু করার উদ্যোগ নিতে সহায়তা করতে পারবেন। ট্রাম্প প্রশাসনে ‘নজিরবিহীন মাত্রার দুর্নীতি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করে ডেমোক্র্যাটরা এ বিষয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে।

জেফরিসের নেতৃত্বে ডেমোক্র্যাটরা স্বাস্থ্যসেবা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, আবাসন ও জ্বালানিসহ জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে পারে।

অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা জয়ী হলে স্পিকারের পদ তাদের হাতেই থাকবে। বর্তমান স্পিকার মাইক জনসন দায়িত্বে থাকতে পারেন, অথবা দলের অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী অন্য কোনো রিপাবলিকান এ পদে আসতে পারেন।

রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে আরও কর ছাড়, প্রতিরক্ষা খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী খাতে ব্যয় কমানো। ট্রাম্পের ২০২৫ সালের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ আইনের মাধ্যমে নেওয়া নীতিগুলোর ধারাবাহিকতায় এসব উদ্যোগ আসতে পারে।

যেসব নির্বাচনের দিকে নজর সবার

প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকটি আসনে এবারের লড়াই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। নিউইয়র্কের একটি আসনে রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক ললার পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়ছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ওই আসনের এলাকায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস জয়ী হয়েছিলেন।

নেব্রাস্কার একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনও আলোচনায় রয়েছে। সেখানে কোনো বর্তমান প্রতিনিধি পুনর্নির্বাচনে লড়ছেন না। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষক ও ট্রাকচালকেরা চাপের মুখে রয়েছেন, যা ভোটের ফলেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ছাড়া পেনসিলভানিয়ার দুটি এবং নিউ জার্সির একটি আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চায় ডেমোক্র্যাটরা।

নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পের ভূমিকা ঘিরেও উদ্বেগ

এবারের নির্বাচনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করবেন কি না।

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ৫০টি অঙ্গরাজ্যের নিজস্ব কর্তৃপক্ষের হাতে। ২০২০ সালের নির্বাচন থেকে ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, দেশটির নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়। তবে তার এসব দাবির পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের কোনো উদ্যোগ নিলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অঙ্গরাজ্যগুলোর নির্বাচনী কর্মকর্তারা ও কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা।

ত্যথসূত্র: দ্য ডন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবচেয়ে বেশি ব্যালন ডি’অর জিতেছে কোন দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


সবচেয়ে বেশি ব্যালন ডি’অর জিতেছে কোন দেশ

ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের নাম ঘোষণার জন্য আর এক সপ্তাহও বাকি রয়েছে। ফলে ফুটবল বিশ্বে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা, এবার এই সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে তা নিয়ে।

হ্যারি কেইন, লিওনেল মেসি এবং কিশোর প্রতিভা লামিনে ইয়ামালের মতো তারকারা আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও, ব্যালন ডি’অর বরাবরই চমকপ্রদ ফলাফলের জন্য পরিচিত।

আয়োজকদের মতে, পুরস্কার নির্ধারণের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়:

১. খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, ম্যাচে প্রভাব তৈরির ক্ষমতা ও ব্যক্তিত্ব

২. দলীয় সাফল্য ও জেতা শিরোপা

৩. খেলোয়াড়সুলভ আচরণ ও ফেয়ার প্লে

২০২৫ সালের ৩ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত, অর্থাৎ বিশ্বকাপ ফাইনালের দিন পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স এবারের ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।

৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় তিন সাবেক বিজয়ী রয়েছেন: আটবারের জয়ী লিওনেল মেসি, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন উসমান দেম্বেলে এবং ২০২৪ সালের বিজয়ী রদ্রি।

নিচে দেওয়া হলো ১৯৫৬ সালে পুরুষদের ব্যালন ডি’অর চালুর পর থেকে সবচেয়ে বেশি পুরস্কারজয়ী দেশগুলোর তালিকা:

আর্জেন্টিনা — ৮

লিওনেল মেসি একাই আর্জেন্টিনার সবকটি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। বিশ্বকাপে দলকে রানার্সআপ হিসেবে নিয়ে যাওয়ার পর এবং ইন্টার মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকার শিরোপা জয়ের পর তিনি গত আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান।

৩৯ বছর বয়সী মেসি রেকর্ড আটবার এই পুরস্কার জিতেছেন: ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৫, ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৩।

ফ্রান্স — ৮

গত বছরের বিজয়ী উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সকে যৌথভাবে সর্বোচ্চ আট ব্যালন ডি’অরের কাতারে নিয়ে গেছেন। ছয়জন ফরাসি খেলোয়াড় মিলে এ অর্জন করেছেন।

এবারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা ফরাসি ফুটবলারদের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপে, মাইকেল ওলিসে, উইলিয়াম সালিবা ও দিও উপামেকানো অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ফ্রান্সের আগের বিজয়ীরা:

রেমন্ড কোপা (১৯৫৮)

মিশেল প্লাতিনি (১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৫)

জ্যঁ-পিয়ের পাপাঁ (১৯৯১)

জিনেদিন জিদান (১৯৯৮)

করিম বেনজেমা (২০২২)

উসমান দেম্বেলে (২০২৫)

পর্তুগাল — ৭

পর্তুগালের সাতটি ব্যালন ডি’অর এসেছে মাত্র তিনজন খেলোয়াড়ের হাত ধরে:

ইউসেবিও (১৯৬৫)

লুইস ফিগো (২০০০)

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (২০০৮, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭) এই পুরস্কারটি পাঁচবার জিতেছেন। তবে তিনি টানা চতুর্থবারের মতো সংক্ষিপ্ত তালিকায় নেই। তবে ব্রুনো ফার্নান্দেস, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস ও ভিতিনিয়া পর্তুগালকে অষ্টম শিরোপা এনে দিতে পারেন।

জার্মানি — ৭

জার্মানির সর্বশেষ বিজয়ী ম্যাথিয়াস সামার (১৯৯৬)। এবারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় কোনো জার্মান খেলোয়াড় স্থান পাননি।

বিজয়ীরা:

গার্ড মুলার (১৯৭০)

ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার (১৯৭২, ১৯৭৬)

কার্ল-হেইঞ্জ রুমেনিগে (১৯৮০, ১৯৮১)

লোথার ম্যাথাউস (১৯৯০)

ম্যাথিয়াস সামার (১৯৯৬)

নেদারল্যান্ডস — ৭

নেদারল্যান্ডসের সাতটি পুরস্কার জিতেছেন তিনজন কিংবদন্তি:

ইয়োহান ক্রুইফ (১৯৭১, ১৯৭৩, ১৯৭৪)

রুড গুলিট (১৯৮৭)

মার্কো ফন বাস্তেন (১৯৮৮, ১৯৮৯, ১৯৯২)

এবার ডাচ কোনো খেলোয়াড় সংক্ষিপ্ত তালিকায় নেই।

ব্রাজিল — ৫

ব্রাজিলের প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো (১৯৯৭)। এরপর দেশটি আরও চারবার এই পুরস্কার জিতেছে।

বিজয়ীরা:

রোনালদো (১৯৯৭, ২০০২)

রিভালদো (১৯৯৯)

রোনালদিনিয়ো (২০০৫)

কাকা (২০০৭)

এবার গ্যাব্রিয়েল, মারকিনিয়োস ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ব্রাজিলকে দুই দশক পর আবার শিরোপা এনে দেওয়ার আশা জাগাচ্ছেন।

ইংল্যান্ড — ৫

১৯৫৬ সালে স্ট্যানলি ম্যাথিউস প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ইংল্যান্ড আরও চারবার এই পুরস্কার পেয়েছে।

এবার ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ওপর বড় আশা রয়েছে। ক্লাব ও দেশের হয়ে ৭৩ গোল করার পাশাপাশি তিনি বায়ার্ন মিউনিখকে বুন্দেসলিগা জিতিয়েছেন এবং ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থানে তুলেছেন।

ইংল্যান্ডের আগের বিজয়ীরা:

স্ট্যানলি ম্যাথিউস (১৯৫৬)

ববি চার্লটন (১৯৬৬)

কেভিন কিগ্যান (১৯৭৮, ১৯৭৯)

মাইকেল ওউেন (২০০১)

ইতালি — ৫

ইতালির পাঁচটি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন পাঁচ ভিন্ন খেলোয়াড়:

ওমর সিভোরি (১৯৬১)

জিয়ান্নি রিভেরা (১৯৬৯)

পাওলো রোসি (১৯৮২)

রবার্তো বাজ্জিও (১৯৯৩)

ফাবিও কানাভারো (২০০৬)

স্পেন — ৪

বিশ্বকাপজয়ী স্পেন এবারও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। লামিনে ইয়ামাল, পাও কুবারসি, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইস ও ফেরান তোরেস সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন।

স্পেনের বিজয়ীরা:

আলফ্রেদো দি স্তেফানো (১৯৫৭, ১৯৫৯)

লুইস সুয়ারেজ (১৯৬০)

রদ্রি (২০২৪)

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এবারের অনুষ্ঠানটি শুরু হবে সোমবার রাত ১টায়, লন্ডনের লন্ডন প্যালাডিয়াম থিয়েটারে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্যারিসের বাইরে বসছে এই আসর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাইগার শ্রফের গাড়িতে হামলার পেছনে ছিল ‘বিগ প্ল্যান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


টাইগার শ্রফের গাড়িতে হামলার পেছনে ছিল ‘বিগ প্ল্যান’

বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে হামলার পেছনে ছিল একটি নিখুঁত পরিকল্পনা। মুম্বাই পুলিশের তদন্তে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দশজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

‘ডেড লেটার বক্স’ একটি ব্যবস্থা, যেখানে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর আগে কোনো জিনিস রেখে দেওয়া হয়। পরে অন্য একজন সেখানে গিয়ে সেই জিনিস সংগ্রহ করে নেয়। এখানে যিনি জিনিসটি রেখে যান এবং যিনি সংগ্রহ করেন, তাদের সরাসরি দেখা হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই বুদ্ধি টাইগার শ্রফের কিলিং মিশনে প্রয়োগ করা হয়েছিল।

এতে যুক্ত অপরাধীদের অস্ত্র সরবরাহের নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ছিল। একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ সংগ্রহ করে বহনকারীরা। সেই অস্ত্র পৌঁছায় ‘ডেড লেটার বক্স’-এ। সেখান থেকে কিলাররা অস্ত্র সংগ্রহ করে। পুরো চক্রের যোগাযোগ এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে বজায় ছিল।

পুলিশের দাবি, এ মামলায় কুণাল ও সুমিত নামে দুই অভিযুক্ত অমৃতসরে গিয়ে একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ সংগ্রহ করেছিল। তাদের কাছে আগে থেকেই সংগ্রহস্থলের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। রাধা ও ববিতা নামে দুই নারীকে অস্ত্র বহন করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।

তদন্তে আরও জানা গেছে, কুণাল ও অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তির মধ্যে এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছিল। অস্ত্র সংগ্রহ এবং তা মুম্বাইয়ে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা এই অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। অস্ত্র পরিবহণের ব্যবস্থা করার জন্য কুণালকে ৭০-৮০ হাজার রুপি প্রদান করা হয়েছিল। সেই অর্থ থেকে দুই নারীকে প্রায় ১০-১২ হাজার রুপি দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোটা ঘটনাটিকে একটি সংগঠিত অপরাধ চক্রের সম্ভাব্য অপারেশন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, রোববার (১৮ অক্টোবর) পুষ্প নার্সি পার্কের কাছে গুলিতে জখম হন অভিনেতা টাইগার শ্রফ। ফুটবল খেলা শেষে সেখান থেকে বেরিয়ে আসছিলেন তিনি। হামলাকারীরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি চালায় এবং পরে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা বদলের পাঠ নিতে বিদেশে যান রাহুল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


‘নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা বদলের পাঠ নিতে বিদেশে যান রাহুল’

ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটি দাবি করেছে যে, রাহুল গান্ধী বিদেশে গিয়ে কোনো নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা পরিবর্তনের পাঠ নিচ্ছেন।

বুধবার বিজেপি জানায়, রাহুল গান্ধী বিদেশ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং তিনি কোনো নির্বাচন ছাড়া ‘ক্ষমতা পরিবর্তনের’ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন।

বিজেপির মুখপাত্র সমবিত পাত্র অভিযোগ করেন, “দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, যার উদ্দেশ্য হলো রাহুল গান্ধীকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসা। তিনি এর আগেও বহুবার ব্যর্থ হয়েছেন।”

বিজেপি নেতার দাবি, রাহুল গান্ধী বিদেশে গিয়ে ধনকুবের বিনিয়োগকারী জর্জ সোরোস ও তার সহযোগীদের সঙ্গে দেখা করেছেন, যাতে ভারতকে অস্থিতিশীল করার এবং নির্বাচন ছাড়াই ‘ক্ষমতা পরিবর্তন’ করার বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, “নেহা বোরা, প্রশান্ত ভূষণ এবং সঞ্জয় রাউত—তারা নিজেরাই নিজেদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন: ক্ষমতা পরিবর্তন। আর এই লক্ষ্য অর্জনে যদি সহিংসতার প্রয়োজন হয়, তবে কিছু মানুষ তার সমর্থনেও এগিয়ে এসেছেন।”

এর আগে বিজেপি দাবি করে যে, রাহুল গান্ধী আবারও বিদেশ সফরে গেছেন। একটি উড়োজাহাজের ভেতরের ভিডিও প্রকাশ করে দলটি জানায়, রাহুল গান্ধী ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। সূত্র: পিটিআই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%