ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

আইসিসির শাস্তির মুখে দুই ক্যারিবীয় তারকা ক্রিকেটার


আইসিসির শাস্তির মুখে দুই ক্যারিবীয় তারকা ক্রিকেটার

মাঠে অসংযত আচরণের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) শাস্তির মুখে পড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রভম্যান পাওয়েল ও শেরফান রাদারফোর্ড। ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে তাদের। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের শৃঙ্খলাভঙ্গের রেকর্ডে একটি করে ডিমেরিট পয়েন্টও যুক্ত করেছে।

গত শুক্রবার রাঁচিতে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ম্যাচে ঘটে শাস্তির কারণ হওয়া দুটি ঘটনা। তবে সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইসিসি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে আচরণবিধির লেভেল ওয়ান পর্যায়ের অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পাওয়েলের অপরাধ ছিল আইসিসির আচরণবিধির ২.২ ধারা লঙ্ঘন করা। আন্তর্জাতিক ম্যাচে ক্রিকেটের সরঞ্জাম কিংবা মাঠের উপকরণের অপব্যবহার এই ধারার আওতায় পড়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে মায়াঙ্ক ইয়াদাভের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরার সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাওয়েল। আউট হওয়ার হতাশা থেকে তিনি ব্যাট দিয়ে বলের ওপর আঘাত করেন। আইসিসি তার এই আচরণকে বিধিভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করেছে।

আরও পড়ুন: রেকর্ড গড়েও নিজের পারফরম্যান্সে খুশি নন সুলিভান

অন্যদিকে, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতি অসন্তোষ দেখিয়ে শাস্তি পেয়েছেন রাদারফোর্ড। আচরণবিধির ২.৮ ধারা অনুযায়ী, আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তিকর আচরণ করা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। ম্যাচের ১৩তম ওভারে একটি বলকে ওয়াইড ঘোষণা না করায় আম্পায়ারের দিকে তাকিয়ে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে চিৎকার করেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। এ ঘটনার জেরেই তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পাওয়েল ও রাদারফোর্ড দুজনই নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন। ম্যাচ রেফারির দেওয়া শাস্তি তারা মেনে নেওয়ায় এ বিষয়ে আর কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।

এদিকে, পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত বর্তমানে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের দুই ক্রিকেটারের শাস্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিবিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন: আবুধাবিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে বাজে আচরণের জন্য শাস্তি পেলেন আফসার জাজাই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রায়বাঙ্গাঁলী শাহ পরান (রহ.) বাজার থেকে বুড়াকালী ব্রিজ পর্যন্ত পাকা সড়ক বেহাল, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


রায়বাঙ্গাঁলী শাহ পরান (রহ.) বাজার থেকে বুড়াকালী ব্রিজ পর্যন্ত পাকা সড়ক বেহাল, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭নং জগদল ইউনিয়ন তথা পূর্বদিরাইয়ের সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রায়বাঙ্গাঁলী শাহ পরান (রহ.) বাজার থেকে বুড়াকালী ব্রিজ পর্যন্ত পাকা রাস্তা ভেঙে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন দুরবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী।

এই সড়ক দিয়ে জগন্নাথপুর হয়ে সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন পূর্বদিরাইয়ের অসংখ্য মানুষ। প্রতিদিন রোগী, কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে নানা প্রয়োজনে এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। পাশাপাশি কৃষিপণ্য ও ব্যবসায়িক মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু রাস্তার বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সড়কটির বেহাল অবস্থা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের মালামাল আনা-নেওয়াও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে রায়বাঙ্গাঁলী শাহ পরান (রহ.) বাজার থেকে বুড়াকালী ব্রিজ পর্যন্ত ভাঙা পাকা সড়কটি দ্রুত সংস্কার করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হলে পূর্বদিরাইয়ের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে এবং কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর জোর দাবি, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। মানুষের দৈনন্দিন চলাচল, চিকিৎসাসেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বার্থে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি অবহেলিত না রেখে দ্রুত মেরামত করা জরুরি।

জনদুর্ভোগ নিরসনে রায়বাঙ্গাঁলী শাহ পরান (রহ.) বাজার থেকে বুড়াকালী ব্রিজ পর্যন্ত পাকা সড়ক দ্রুত সংস্কার করা হোক—এটাই পূর্বদিরাইয়ের সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি।

✍️ হামিদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ বিশ্বকাপে রোহিত-কোহলির থাকা নিয়ে বড় বার্তা বিসিসিআইয়ের সভাপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


২০২৭ বিশ্বকাপে রোহিত-কোহলির থাকা নিয়ে বড় বার্তা বিসিসিআইয়ের সভাপতির

২০২৭ সালে আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এবং মর্যাদাপূর্ণ আসর আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দেশগুলো নিজেদের দল গঠন করতে শুরু করেছে এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। ভারত, যে ক্রিকেটের পরাশক্তি, আগামী বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড প্রস্তুত করতে শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে, দেশের বোর্ড সভাপতি মিঠুন মানহাস রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির খেলার সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রোহিত ও কোহলির দলে থাকা নির্ভর করবে ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের উপর, বয়সের উপর নয়।

স্পোর্টস্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, আগামী বিশ্বকাপে এই দুই তারকাকে দলে রাখা হবে কিনা, তা নির্বাচক ও কোচের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। পাশাপাশি, অধিনায়ক শুবমান গিলের পাশে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের উপস্থিতির গুরুত্বও তিনি উল্লেখ করেন।

মিঠুন মানহাস জানান, রোহিত ও কোহলিকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বোর্ড সভাপতির হাতে নেই। নির্বাচক ও কোচই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে তিনি মনে করেন, কোনও ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফিটনেস ও পারফরম্যান্সকে বয়সের তুলনায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

তিনি যোগ করেন, "যদি কোনও ক্রিকেটার খেলার মতো ফিট থাকেন, ভালো পারফরম্যান্স করেন এবং দেশের জন্য ম্যাচ জেতাতে সক্ষম হন, তবে সেটাই তাঁর দলে থাকার মূল মাপকাঠি হওয়া উচিত।"

২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব থাকবে শুবমান গিলের উপর। মানহাস মনে করেন, কোহলি, রোহিত এবং হার্দিক পান্ডিয়ার মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশে পাওয়া গিলের জন্য সহায়ক হবে।

মানহাস বলেন, "দলে বিরাট, হার্দিক ও রোহিত থাকলে শুবমানের অবশ্যই সুবিধা হবে। বুমরার মতো ক্রিকেটারও রয়েছে, যে বোলিং বিভাগকে নেতৃত্ব দিতে পারে। একইভাবে ফিল্ডিংয়ের দায়িত্বও কেউ সামলাতে পারে। আসল বিষয় হলো, দলের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া।"

চাপের মুখে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের গুরুত্বও বোর্ড সভাপতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "ওরা অনেক বার চাপের মুখে খেলেছে এবং কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে সাফল্য এনে দিয়েছে। তাই দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের এই মিশ্রণ খুবই ভালো।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াডাঙ্গীতে মিড ডে মিল পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা ১৩৮ প্রতিষ্ঠানে ১৪ হাজার ৬৩৮ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার, মান নিশ্চিত করতে তৎপর কর্তৃপক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


বালিয়াডাঙ্গীতে মিড ডে মিল পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা  ১৩৮ প্রতিষ্ঠানে ১৪ হাজার ৬৩৮ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার, মান নিশ্চিত করতে তৎপর কর্তৃপক্ষ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় মিড ডে মিল কর্মসূচির খাবার পেয়ে উচ্ছ্বসিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নিয়মিত খাবার পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে, তেমনি বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়ার পাশাপাশি পড়াশোনায় আগ্রহও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

ঠাকুরগাঁও জেলায় সাতটি উপজেলার মধ্যে শুধুমাত্র বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় মিড ডে মিল কর্মসূচি গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে চালু হয়েছে। উপজেলার ১৩৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪ হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এ কর্মসূচির আওতায় খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

মিড ডে মিলে এ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য চালু থাকা মিড ডে মিল কর্মসূচিতে সপ্তাহে পাঁচ দিন পাঁচ ধরনের খাবার দেওয়া হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে—ডিম, কলা, বনরুটি, বিস্কুট ও দুধ।

এর মধ্যে ডিম, বনরুটি ও কলা—এই তিনটি খাবার সরবরাহ করছে ইএসডিও। অন্যদিকে, বিস্কুট সরবরাহ করছে প্রাণ। আর শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত আরেকটি খাবার ইউএইচটি দুধ।

তবে কিছুদিন আগে ইউএইচটি দুধ পান করার পর অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর আপাতত শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুধ বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা।

কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করেই মিড ডে মিলের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। খাবারের মান ও নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

খাবার সরবরাহের আগে এর মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে জানিয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর মোঃ নূর আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মান ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইএসডিওর টিম নিয়মিতভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করছে এবং খাবার নিশ্চিত হওয়ার পরই তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মান আরও ভালো করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার অতুল চন্দ্র রায় জানান, সরকারের এ স্কুল ফিডিং কর্মসূচীতে শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে খাবারের মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শিশুরা প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার পেয়ে যেমন আনন্দিত হচ্ছে অন্যদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে উপস্থিতি বাড়ছে, তাদের পড়াশোনায় চাঞ্চল্য বেড়েছে,স্বাস্থ্যর দিকেও উন্নতি হচ্ছে এবং প্রতিদিন উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। এ প্রকল্পটি চালু থাকলে উপস্থিতি বাড়বে, পড়াশোনার মান বাড়বে,সুনাগরিক এবং সুস্বাস্থ্যের শিক্ষার্থী পাবে বলে মনে করছেন শিক্ষা কর্মকর্তা।

শিক্ষকরাও বলছেন, নিয়মিত মিড ডে মিল চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। খাবারের সময়টুকু শিক্ষার্থীদের কাছে যেমন আনন্দের, তেমনি পুষ্টিকর খাবার পাওয়ায় দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খাবার হাতে পেয়ে শিশুদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। অনেক শিক্ষার্থী আগ্রহ নিয়ে খাবার গ্রহণ করছে। শিক্ষকরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু খাবার বিতরণ নয়, এর সঙ্গে শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করাও এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। তাই খাবারের মান বজায় রাখার পাশাপাশি কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বালিয়াডাঙ্গীর ১৩৮টি প্রতিষ্ঠানে হাজারো শিশুর জন্য চালু হওয়া এ কর্মসূচি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার পাশাপাশি পুষ্টি নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে অধ্যক্ষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ, পরে ক্ষমা চাইলেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


বরিশালে অধ্যক্ষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ, পরে ক্ষমা চাইলেন শিক্ষার্থীরা

তোমরা সবাই আমার সন্তানের মতো। সন্তান অনেক সময় বাবা-মায়ের কাছে ভুল-ভ্রান্তি করে ফেলে, তোমাদের আমি ক্ষমা করে দিয়েছি।’—বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর তপন কুমার সাহা এ কথা বলে শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর এক শিক্ষার্থী তাঁর পা ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।


প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের পা ধরে ক্ষমা চাইছেন। ওই শিক্ষার্থী বলেন, আগের দিনের ঘটনা নিয়ে তাঁরা সবাই উত্তেজিত ছিলেন এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। অধ্যক্ষকে পিতৃতুল্য উল্লেখ করে তিনি আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

জবাবে অধ্যক্ষ তপন কুমার সাহা বলেন, শিক্ষার্থীরা সবাই তাঁর সন্তানের মতো। সন্তান যেমন কখনো কখনো ভুল করে, তেমনি শিক্ষার্থীদেরও ভুল হতে পারে। তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দিয়েছেন জানিয়ে ক্লাসে ফিরে গিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করার পরামর্শ দেন।


এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন এক ব্যক্তি। পোস্টে তপন কুমার সাহাকে সৎ, আদর্শবান ও ভদ্র শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

পোস্টদাতার ভাষ্য অনুযায়ী, তপন কুমার সাহা বরিশালের বিএম কলেজসহ বিভিন্ন কলেজে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর কর্মজীবনের কথা উল্লেখ করে পোস্টদাতা জানান, তাঁর বিরুদ্ধে কখনো কোনো অভিযোগের কথা শোনেননি। একই সঙ্গে অধ্যক্ষের ভদ্রতা ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বক্তব্য এবং প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%