ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান


বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-এর নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-২) পদে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খানকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৪(২) অনুযায়ী তিনি যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের আগে তাঁকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে বিদ্যমান কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। এছাড়া নিয়োগের অন্যান্য শর্ত পৃথক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খানকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগের খবরে বিএমডিএর প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে আনন্দ ও সন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচ, পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি উন্নয়ন এবং টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে বিএমডিএ আরও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে।
বিএমডিএ পরিবারের প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, সু-স্বাগতম ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সফল নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচ ও ভূগর্ভস্থ পানির টেকসই ব্যবস্থাপনায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ

মধ্যপ্রাচ্যের জাহাজে হামলার কারণে হরমুজ প্রণালির পুনরায় চালুর আলোচনার সফলতার বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। এরই প্রভাবে বিশ্ববাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।

বুধবার (১২ আগস্ট) আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আজ আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বৃদ্ধি পেয়ে ২ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

জানা যায়, অক্টোবরে সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৯ দশমিক ৬১ ডলারে পৌঁছেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যার তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি।

সিডনিভিত্তিক অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠান কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটেরার মন্তব্য করেছেন, বাজার এখনও চুক্তির ব্যাপারে পুরোপুরি আশা হারায়নি, তবে মানুষের আস্থা যে স্পষ্টতম কমছে, তা মনে হচ্ছে।

ওয়াটেরার আরও জানান, যদি দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হয় এবং আলোচনা বেশি সময় নেয়, তখন দ্রুত কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে যাবে। মাসের শুরুতে যে আশাবাদ দেখা গিয়েছিল, তা ধীরে ধীরে আরও সতর্ক ও ঝুঁকি-নির্ভর অবস্থায় চলে যাচ্ছে।

যুদ্ধের আগে, বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চিমাংশই এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হত। তবে এখন মিশ্র সংকেত পাওয়ায় গত এক সপ্তাহে তেলের দাম বাড়তেছে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানায়, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমান ও ইরানের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। দোহা চায় 'যত দ্রুত সম্ভব' এই জলপথটি খুলে দিতে।

অন্যদিকে, তেহরান বলছে, ওমানের সঙ্গে আলোচনা প্রণালিটি পুনরায় চালু করার ইস্যু থেকে আলাদা। ইরানি কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষতিপূরণ ও অবরোধ তুলে নেওয়ার মতো নির্দিষ্ট কিছু শর্তে রাজিও না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, প্রণালিটির ওপর ওয়াশিংটনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে; তবে যুদ্ধের আগের অবস্থার তুলনায় বর্তমানে জাহাজ চলাচলের মাত্রা একেবারেই কম।

সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ডএর তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার মাত্র ১০টি জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করেছে, যেখানে যুদ্ধের আগে দৈনিক গড়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করতো।

মঙ্গলবার প্রকাশিত সর্বশেষ বাজার পূর্বাভাসে যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানায়, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থার কাছে ফেরার কোনো সম্ভাবনা তারা দেখছে না। এছাড়া, ২০২৬ সালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ ডলার হতে পারে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পার্টা কমোডিটিজের জ্যেষ্ঠ তেল বাজার বিশ্লেষক জুন গোহ মন্তব্য করেছেন, হরমুজ প্রণালির উভয় দিকে স্বাভাবিক চলাচল শুরু হলে কেবল ওপেকের ক্রুড উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও জানান, কূটনৈতিক আলোচনায় আবারো আশা দেখা না দিলে তেলের দাম মৌলিকভাবে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ ডলারের স্তরেই অবস্থান করবে। কারণ এখন পর্যন্ত আলোচনায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে আটক মার্কিন সেনা সদস্যের স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে আটক মার্কিন সেনা সদস্যের স্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে ১১ বছর কর্মরত একজন সেনা সদস্যের স্ত্রীকে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ আটক করেছে যা পরিবারটির জন্য বিপদের দিকে নিয়ে এসেছে। তাঁদের পাঁচ বছরের ছেলে মা ছাড়া দিন কাটাচ্ছে এবং স্ত্রীকে দেশে ফেরত পাঠানোর আশঙ্কায় রয়েছেন ওই সেনা সদস্য।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর স্টাফ সার্জেন্ট অ্যালেক্সিস জারামিলো এই বিষয়ে জানান, দেশের সেবায় অনেক বছর কাটানোর পরও বর্তমানে তিনি নিজেকে প্রতারিত পেতে শুরু করেছেন।

তার স্ত্রী, মাইসা লোপেস এলিয়াসা, ২০১৯ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলো থেকে ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। পরবর্তীতে জারামিলোর সঙ্গে বিয়ের মাধ্যমে তাদের সংসার শুরু হয় এবং তারা স্ত্রীর অভিবাসন মর্যাদা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন।

গত ৮ জুলাই, পরিবারটি আলাবামার মন্টগোমারিতে অনুষ্ঠিত অভিবাসন সংক্রান্ত সাক্ষাৎকারের জন্য আট ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে যায়। জারামিলোর দাবি, সাক্ষাৎকারের সময় এক কর্মকর্তা তার স্ত্রীর সঙ্গে তাদের পাঁচ বছরের ছেলে নোয়ার কাছ থেকে আলাদা করে দেন। কিছুক্ষণ পরই জানানো হয় যে, তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

জারামিলো বলেন, এই দুঃখজনক মুহূর্তে ছেলের সামনে তার স্ত্রীকে আটকের খবর জানানো হয়েছিল, যা মনে করতেও তাকে প্রচণ্ড কষ্ট হয়।

অভিবাসন আইনজীবী মাইকেল গাহাগানের তথ্য অনুযায়ী, মাইসা আগে আঙুলের ছাপ দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সাক্ষাতে উপস্থিত হননি। জারামিলো জানিয়েছেন, তারা ভেবেছিলেন বিয়ের পর নতুন কাগজপত্র জমা দেওয়ার কারণে আগের সাক্ষাতের প্রয়োজন নেই।

তবে আইনজীবীর মতে, একটি আবেদন অন্য আবেদন বাতিল করে না। নির্ধারিত সাক্ষাতে অনুপস্থিত থাকায় তার আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হতে পারে এবং পরে গ্রেপ্তারের প্রশাসনিক পরোয়ানা জারি হতে পারে। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশও আসতে পারে।

বর্তমানে মাইসা একটি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের আটক কেন্দ্রে রয়েছেন। তার স্বামী জানিয়েছেন, সেখানে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় আছেন।

সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে তাদের পাঁচ বছরের ছেলে। স্কুল শুরু হলেও এবার এই প্রথম তার মা তার পাশের নেই। জারামিলো বলেন, ছেলের মানসিক অবস্থাই এখন তার সবচেয়ে বড় চিন্তা হচ্ছে।

স্ত্রীকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হলে কী করবেন—সেটি এখন তার সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনার কারণে তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবেও চাপের মধ্যে আছেন এবং সেনাবাহিনীতে নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইতোমধ্যে তিনি একজন আইনজীবী নিয়োগ করেছেন এবং মামলাটি পুনরায় খোলার আবেদন করেছেন। আইনজীবীর মতে, যদি মামলাটি পুনরায় খোলার আবেদন গৃহীত হয়, তাহলে বিচারক বিষয়টি পর্যালোচনার সময় স্ত্রীর দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া থামাতে পারেন।

জারামিলো জানিয়েছেন, তারা আইন ভাঙার চেষ্টা করছেন না, বরং আইন মেনেই সমস্যার সমাধান চান। তিনি আইনপ্রণেতা এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে তার পরিবারকে একত্রিত করতে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

সূত্র: কেএমভিটি ডট কম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ বেড়ে ১.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ এম


যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ বেড়ে ১.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ বেড়ে ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির ক্রেডিট কার্ড ঋণ বেড়েছে ২১ বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই ঋণের পরিমাণ গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে রেকর্ড করা ১ দশমিক ২৮ ট্রিলিয়ন ডলারের সর্বোচ্চ মাত্রার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধি ক্রেডিট কার্ড ঋণ বাড়ার অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্য ও জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বহু পরিবার দৈনন্দিন খরচ মেটাতে ক্রেডিট কার্ডের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এদিকে, ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পরিশোধে অনিয়মও বেড়েছে। ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ৯০ দিনের বেশি সময় ধরে বকেয়া থাকা ক্রেডিট কার্ড ঋণের হার ৭ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

নিউইয়র্ক ফেডের গবেষকদের মতে, অনেক পরিবার মাসিক আয়ের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করে। ফলে, হঠাৎ কোনো আর্থিক সংকট দেখা দিলে তারা ঋণের কিস্তি পরিশোধে পিছিয়ে পড়তে পারে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, বর্ধিত বকেয়া ঋণের একটি অংশ নতুন করে ঋণখেলাপির পরিবর্তে পুরোনো বkeয়া ঋণের কারণে তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি ঋণ ও হোম ইকুইটি লাইন অব ক্রেডিট বেড়েছে। অন্যদিকে, শিক্ষাঋণ ও মর্টগেজ ঋণ কমেছে।

সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পারিবারিক ঋণ এখন ১৮ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

খাতভিত্তিক ঋণের পরিমাণ:

বন্ধকী ঋণ: ১৩.১২ ট্রিলিয়ন ডলার

গাড়ির ঋণ: ১.৭১ ট্রিলিয়ন ডলার

শিক্ষার্থীদের ঋণ: ১.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার

ক্রেডিট কার্ডের ঋণ: ১.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার

হোম ইক্যুইটি লাইনস অফ ক্রেডিট: ৪৫৯ বিলিয়ন ডলার

এর মধ্যে গাড়ি ঋণের পরিমাণ ১ দশমিক ৭১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রতিবেদনটি ইকুইফ্যাক্সের ক্রেডিট রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এতে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বশীল ও বেনামি তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগান গোয়েন্দা সংস্থার হাতে জাতিসংঘের দুই কর্মী আটক: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


আফগান গোয়েন্দা সংস্থার হাতে জাতিসংঘের দুই কর্মী আটক: জাতিসংঘ

আফগানিস্তান থেকে বের হওয়া খবর অনুযায়ী, গোয়েন্দা সংস্থার হাতের মধ্যে জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশনের (ইউএনএএমএ) দুই কর্মী আটকের শিকার হয়েছেন। পরবর্তী দুই দিন ধরে আটক কর্মীদের সঙ্গে জাতিসংঘের কোনো সংযোগ বা সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। খবরটি মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

বিজ্ঞপ্তিতে ইউএনএএ জানায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে গত ৯ আগস্ট রোববার দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ‘জেনারেল ডিরেক্টরেট অব ইন্টেলিজেন্স’-এর কর্মকর্তাদের দ্বারা জাতিসংঘের আফগান দুই পুরুষ কর্মী আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আফগান সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি, যা এএফপি জানায়। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অফিস আটক কর্মীদের বিশেষ মর্যাদা এবং সম্মানের জন্য আহ্বান জানায়।

গুতেরেসের মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে আমাদেরকে জানানো হয়নি এবং তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘জাতিসংঘ এবং এর কর্মকর্তাদের মানবাধিকার এবং দায়মুক্তির বিষয়গুলো মেনে চলার জন্য আমরা কার্যত কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এই আটকের ঘটনা তালেবানদের ক্ষমতা দখলের পঞ্চম বার্ষিকীর কয়েক দিন আগে ঘটেছে। ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মাধ্যমে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফিরে আসে।

স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আফগানিস্তানজুড়ে জাতিসংঘের একাধিক সংস্থা কাজ করছে। চলতি সপ্তাহের ইউএনএএমএ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেশটির কর্তৃপক্ষকে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বলপ্রয়োগ, গ্রেফতার এবং আটক সংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্ট করার পাশাপাশি এসব কার্যক্রমে জবাবদিহিতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে তালেবান কর্তৃপক্ষ আফগানিস্তান শাসন করছে এবং তারা ইসলামী আইনের কঠোর ব্যাখ্যার ভিত্তিতে দেশটি পরিচালনা করছে। আফগান নারীদের জাতিসংঘের বিভিন্ন স্থাপনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ, এমনকি জাতিসংঘের নারী কর্মীরা এর আওতায় পড়ছেন।

গত জুন মাসে হেরাত প্রদেশের ইরান সীমান্তের কাছাকাছি প্রায় ২০ জন ত্রাণকর্মীকে আফগানিস্তানের নৈতিকতা-বিষয়ক পুলিশ আটক করেছিল। তাদের দাড়ি যথেষ্ট লম্বা না হওয়ার জন্য আটক করা হয়। এএফপির একটি অভ্যন্তরীণ নথির উল্লেখ করে জানানো হয় যে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জাতিসংঘের অংশীদার বিভিন্ন সংস্থাতেও কর্মরত ব্যক্তিরা ছিলেন, পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

জুনের শুরুর দিকে তালেবান সরকারের নৈতিকতা-বিষয়ক পুলিশ কয়েক ডজন নারীকে আটক করে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সরকারী পোশাকবিধি লঙ্ঘন করে শরীর পুরোপুরি ঢেকে রাখা এমন চাদর বা বোরকা না পরার। আটকের মধ্যে মেডিসিনস সঁ ফ্রঁতিয়ের (এমএসএফ)-এর একজন হাসপাতালকর্মীও ছিলেন। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহায়তা সংস্থাটি ওই আটকের তীব্র নিন্দা জানায়।

এই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিরল এক বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমন করা হয়, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী এমন ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত হন। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার কারণে আফগানিস্তান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এবং দেশটি নানা সংকটের মুখোমুখি রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান ও পাকিস্তান থেকে লাখ লাখ আফগান নাগরিকের দেশে ফিরে আসাও অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%