ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল নীতির কারণেই জ্বালানি সংকট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল নীতির কারণেই জ্বালানি সংকট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের ‘আত্মঘাতী নীতি’, অদূরদর্শিতা এবং স্বার্থরক্ষাকে দায়ী করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার তাদের অনুগত টাইকুনদের লালন-পালন করতে গিয়ে বিদেশনির্ভর জ্বালানি নীতি গ্রহণ করেছিল।

 

আরও পড়ুন: সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর দাফন পুলিশ প্রহরায় সম্পন্ন

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দিকে তাদের নজর দেওয়া হয়নি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ৬৮ বিধিতে উত্থাপিত নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় দেওয়া বিভিন্ন প্রস্তাবের জবাব দেন।

অধিবেশনের এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

 

আরও পড়ুন: রাবি স্টেশনে থামবে তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেন

এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনার ফল। আওয়ামী লীগ সরকার দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানের পরিবর্তে বিদেশ নির্ভর নীতি গ্রহণ করেছিল। তারা অনুগত ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে দেশের জ্বালানি খাতকে দুর্বল করে ফেলেছে।

 

তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রতিমন্ত্রী নুর

বিরোধী দলের প্রস্তাবের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক পরিসরে গালফ যুদ্ধের মতো সংকট দেখা দেয়। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।

তবে দেশের কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করে বোরো মৌসুমে সেচকাজ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম এক পয়সাও বাড়ানো হয়নি বলে তিনি জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পরবর্তী সময়ে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে তেলের দাম সহনীয় মাত্রায় পুনর্নির্ধারণ করতে হয়েছে।

সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর বাড়তি কর চাপিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় পঞ্চম, বাতাস অস্বাস্থ্যকর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিকৃবির ৯ শিক্ষকের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


সিকৃবির ৯ শিক্ষকের পদত্যাগ

সিলেট কৃষি বিশ্বদ্যিালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠন সাদা দলের ৫ শিক্ষকসহ মোট ৯ জন পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন- এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরান (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, দূররে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শাহজাহান মজুমদার, ঢাকার গেস্ট হাউসের অফিসার ইনচার্জ মো. বাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গাজী মো. জহিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান, ক্যাম্পাসের গেস্ট হাউসের অফিসার ইনচার্জ গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার বাসির উদ্দিন।

পদত্যাগের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের হয়রানি এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন পদত্যাগকারীরা। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপাচার্যের অপসারণ দাবি করেন তারা।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নিয়োগ ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে আসছে। পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যখন-তখন শোকজ করা ও হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। তারা আরও জানান, আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা নেই- এমন ব্যক্তিদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। উপাচার্যের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষা কার্যক্রমেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেন তারা।

শিক্ষকদের আনা এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই যোগ্যতাসম্পন্ন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। একইভাবে আর্থিক ক্ষেত্রেও কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপাচার্যের অনিয়মের অভিযোগে সিকৃবির ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


উপাচার্যের অনিয়মের অভিযোগে সিকৃবির ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার পদত্যাগ

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে ৫ শিক্ষকসহ ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেছেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরান (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, দূররে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদার, ঢাকার গেস্ট হাউসের অফিসার ইনচার্জ মো. বাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গাজী মো. জহিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান, ক্যাম্পাসের গেস্ট হাউসের অফিসার ইনচার্জ গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং ডেপুটি রিজিস্ট্রার মো. বাসির উদ্দিন।

তাদের অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন অনিয়ম ঘটেছে। তারা জানিয়েছেন, এসব বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ার কারণে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পদত্যাগকারী শিক্ষক-কর্মকর্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর বড় কোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারেনি। এর ফলে নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। যদিও রাজস্ব খাতের অর্থে কিছু উন্নয়ন ও মেরামতের কাজ করা হয়েছে, তবে এসব কাজে সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।

তারা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে টেকওভার করার আগেই সেখানে কিছু মেরামত কাজ করা হয়েছে। এসব কাজের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে যথাযথ দরপত্র প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হয়নি।

ক্রয়প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তুলে পদত্যাগকারীরা জানান, ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্র কেনার ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধি অনুযায়ী যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকলে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কয়েকটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা।

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছেন পদত্যাগকারী শিক্ষক-কর্মকর্তারা। সাম্প্রতিক নিয়োগে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গ্র্যাজুয়েটদের তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা বলেছেন, আটজন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থীদের অধিকাংশকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনার পর উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। সেখানে বক্তারা উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারি, হয়রানি, নিয়োগে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন।

পদত্যাগকারী শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।’

পদত্যাগকারী শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. কাউছার হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন।’

তবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের তোলা এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম বলেন, একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযোগ তুলছে। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা যোগ্যতা সম্পন্ন।’

নিয়োগে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের মালবাহী বগি লাইনচ্যুত, দুর্ভোগে যাত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের মালবাহী বগি লাইনচ্যুত, দুর্ভোগে যাত্রীরা

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনের একটি বগি বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় লাইনচ্যুত হয়েছে। এর ফলে সান্তাহার হয়ে চলাচলকারী অন্যান্য ট্রেনগুলোর স্বাভাবিক যাত্রা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন সান্তাহার জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় পৌঁছায়, তখন ট্রেনটির পিছনের দিকে থাকা একটি মালবাহী বগি লাইনচ্যুত হয়।

সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রেনটির পিছনের একটি মালবাহী বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বগিটি কেটে আলাদা করে রেখে ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের চেষ্টার পর ট্রেনটি উদ্ধার করে স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে আনা হয়। দ্রুত সময়ে চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে বগিটি কেন লাইনচ্যুত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত শেষে লাইনচ্যুত হওয়ার কারণ জানা যাবে।

অন্যদিকে, দুর্ঘটনার কারণে সান্তাহার স্টেশনে আটকা পড়েছে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেন। ফলে সময়ের সাথে সাথে যাত্রীদের ভোগান্তিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের এক যাত্রী আবদুল আজিজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এমনিতেই ট্রেনটি প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। তার ওপর আবার লাইনচ্যুত হয়ে আরও বিলম্ব হচ্ছে। কখন যে ঢাকায় পৌঁছাতে পারব, জানি না।"

দুর্ঘটনার পর থেকে সান্তাহার জংশন এলাকায় যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা দ্রুত লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ প্রামাণিক রকি বলেন, "ট্রেনটি রেলগেটেই লাইনচ্যুত হওয়ার পর থেকে দুই পাশের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দু’পাশে ব্যাপক যানজট হয়ে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


মধুপুরে মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের টুনিয়াবাড়ী এলাকায় মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের টুনিয়াবাড়ী মসজিদের সামনের মাঠে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
টুনিয়াবাড়ী এলাকার মাদকবিরোধী কমিটির সভাপতি ও পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান আব্দুলের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজি প্রিন্স, মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, মধুপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসান মিন্জু, মধুপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ, মধুপুর থানার এস আই জুয়েল ও এ এস আই মোস্তাক হোসেন। এছাড়া টুনিয়াবাড়ী এলাকার মাদকবিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এর ক্ষতিকর প্রভাব পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপরও পড়ে। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এবং স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা নিয়মিত আয়োজনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
সভাটি সঞ্চালনা করেন মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%