প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনের একটি বগি বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় লাইনচ্যুত হয়েছে। এর ফলে সান্তাহার হয়ে চলাচলকারী অন্যান্য ট্রেনগুলোর স্বাভাবিক যাত্রা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন সান্তাহার জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় পৌঁছায়, তখন ট্রেনটির পিছনের দিকে থাকা একটি মালবাহী বগি লাইনচ্যুত হয়।
সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রেনটির পিছনের একটি মালবাহী বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বগিটি কেটে আলাদা করে রেখে ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের চেষ্টার পর ট্রেনটি উদ্ধার করে স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে আনা হয়। দ্রুত সময়ে চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে বগিটি কেন লাইনচ্যুত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত শেষে লাইনচ্যুত হওয়ার কারণ জানা যাবে।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনার কারণে সান্তাহার স্টেশনে আটকা পড়েছে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেন। ফলে সময়ের সাথে সাথে যাত্রীদের ভোগান্তিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের এক যাত্রী আবদুল আজিজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এমনিতেই ট্রেনটি প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। তার ওপর আবার লাইনচ্যুত হয়ে আরও বিলম্ব হচ্ছে। কখন যে ঢাকায় পৌঁছাতে পারব, জানি না।"
দুর্ঘটনার পর থেকে সান্তাহার জংশন এলাকায় যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা দ্রুত লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ প্রামাণিক রকি বলেন, "ট্রেনটি রেলগেটেই লাইনচ্যুত হওয়ার পর থেকে দুই পাশের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দু’পাশে ব্যাপক যানজট হয়ে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন