ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রান্সফার বাজারে রিয়াল মাদ্রিদের আরও বড় পরিকল্পনা


ট্রান্সফার বাজারে রিয়াল মাদ্রিদের আরও বড় পরিকল্পনা

নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে আক্রমণভাগ শক্তিশালী করতে তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এসপিকে দলে যুক্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

স্প্যানিশ ক্লাব ইউডি লেভান্তে থেকে তাকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিয়ে এসেছে লস ব্লাঙ্কোস।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় রিয়াল মাদ্রিদ এই ট্রান্সফারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী

২১ বছর বয়সি এই সেন্টার ফরোয়ার্ডের সঙ্গে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চুক্তি করেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। তাকে দলে টানতে প্রায় আড়াই কোটি ইউরো ট্রান্সফার ফি গুনতে হয়েছে মাদ্রিদ ক্লাবকে।

কার্লোস এসপির ফুটবল যাত্রা শুরু হয় একটি ছোট ক্লাবে। পরে তিনি লেভান্তের যুব একাডেমিতে যোগদান করেন এবং ধাপে ধাপে মূল দলে জায়গা করে নেন। গত মৌসুমে লা লিগায় ১৬তম স্থানে থাকা লেভান্তের হয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০২৪-২৫ মৌসুমে লেভান্তের শীর্ষ লিগে উত্তরণে ‘সুপার সাব’ হিসেবে ছয় গোল করেন এসপি। পরের মৌসুমে দলকে লা লিগায় টিকিয়ে রাখার লড়াইয়েও তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। শেষ ১৩ ম্যাচে ১০ গোল করে নিজেকে লিগের অন্যতম উদীয়মান তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে লা লিগার সেরা অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। গত মৌসুমে ২৫টি লিগ ম্যাচে মাঠে নেমে ১১ গোল করেন এসপি।

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের চিন্তা পুলিশের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ: আমীনের উদ্বেগ

ধারণা করা হচ্ছে, গঞ্জালো গার্সিয়ার ফুলহ্যামে-এ যোগ দেওয়া প্রায় নিশ্চিত হওয়ায় তার সম্ভাব্য শূন্যস্থান পূরণ করতেই রিয়াল এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এনড্রিক ও কিলিয়ান এমবাপ্পে-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় কার্লোস এসপি কতটা নিয়মিত খেলার সুযোগ পান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমারত নির্মাণ আইন সংশোধনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


ইমারত নির্মাণ আইন সংশোধনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি

রাজধানী ঢাকায় ইমারত নির্মাণ ও নগর উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালাকে যুগোপযোগী ও আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়োগ করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরকে।

নতুন এই কমিটি ঢাকা মহানগরে ইমারত বিধিমালার বাস্তবায়নের আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে The Building Construction Act, 1952 এবং The Town Improvement Act, 1953 পর্যালোচনা করার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন ও সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে।

কমিটি বিদ্যমান আইন দুটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের সুপারিশ করবে, যাতে রাজধানীতে ইমারত নির্মাণ-সংক্রান্ত বিধিমালাগুলি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ রয়েছে, প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করতে সক্ষম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কমিটির সার্বিক সচিবালয়কে সহায়তা প্রদান করবে।

সর্বদা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনা করার জন্য উপস্থাপন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ ‘খতিয়ে দেখছে’ ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ ‘খতিয়ে দেখছে’ ভারত

শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ ভারতের কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে ভারত।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে বাংলাদেশের অনুরোধ প্রযোজ্য আইন ও প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতির অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

এখন বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভের জন্য কংগ্রেসের লোকসভার সংসদ সদস্য শশী থারুরের নেতৃত্বে বৈদেশিক বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সরকারের নেওয়া সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ নিয়ে এই কমিটির নবম প্রতিবেদনের মধ্যে থাকা পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলোতেও সরকার গৃহীত পদক্ষেপ উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ যে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেছে, সে বিষয়ে পার্লামেন্টারি কমিটি সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিল।

২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং তারপর থেকে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে স্কেলভিত্তিক বেতন বৃদ্ধি: অতীতের হার ও এবার প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


পে স্কেলভিত্তিক বেতন বৃদ্ধি: অতীতের হার ও এবার প্রত্যাশা

বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে স্কেল বা বেতন কাঠামো নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। কোন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন কত বাড়তে পারে, এ নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট কৌতূহল।

স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৫ বছরে বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এখন পর্যন্ত মোট আটবার পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। যার সবশেষটি হয়েছিল ২০১৫ সালে। এর পর থেকে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট হারে (বর্তমানে পাঁচ শতাংশ) বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বৃদ্ধি হলেও, নতুন করে আর আনুষ্ঠানিকভাবে বেতন কাঠামোর ঘোষণা আসেনি। নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি হয়েছে কিন্তু মূলত মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বেতন বৈষম্য দূর করার জন্য নতুন পে স্কেলের প্রয়োজন অনুভূত হচ্ছে।

২০২৫ সালের জুলাই মাসে নবম জাতীয় পে কমিশন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির যে প্রতিবেদন দিয়েছিল, সেখানে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। বর্তমানের যে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, সেটিকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রস্তাবিত হয় এক লাখ ৬০ হাজার টাকা।

কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ের জন্য একটি পৃথক কমিটি গঠন করে বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা শুরু করে। পে কমিশন প্রতিবেদন দেওয়ার পর থেকেই বেতন বৃদ্ধির শতাংশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সামনে আসছে।

এক্ষেত্রে অতীতে বাংলাদেশের যে পে স্কেলঘোষণা করা হয়েছিল, সেখানে কী পরিমাণ বেতন বৃদ্ধি হয়েছিল, সেই আলোচনাও রয়েছে।

নবম জাতীয় পে স্কেলের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হবে।

কবে কত বেতন বেড়েছিল, সেই প্রসঙ্গে বলা যায় যে, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পে স্কেল বা বেতন কাঠামো ১৯৭৩ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল। মূলত ওই সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে পাকিস্তান আমলের পে স্কেল ভেঙে একটি নতুন বেতন কাঠামো প্রবর্তন করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

দশটি গ্রেড রেখে ঘোষিত ওই পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ছিল ১৩০ টাকা, আর সর্বোচ্চ বেতন ছিল দুই হাজার টাকা। যদিও ওই সময় পুরোপুরি এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরে ১৯৭৭ সালে দ্বিতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয়। যেখানে ১০টি গ্রেডের পরিবর্তে ২১টি গ্রেড বা ধাপের প্রবর্তন করা হয়।

ওই পে স্কেলে সর্বনিম্ন গ্রেডে মূল বেতন ছিল ২২৫ টাকা, আর সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা। অর্থাৎ সর্বনিম্ন গ্রেডে ৭৩ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে বেতন বৃদ্ধি পেয়েছিল পঞ্চাশ শতাংশ।

১৯৮৫ সালে তৃতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয়। যেখানে একশ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ওই পে স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন, ১২২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে পাঁচশ টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে শতভাগ বাড়িয়ে ছয় হাজার টাকার নির্ধারণ করা হয়েছিল।

১৯৯১ সালে ঘোষিত চতুর্থ পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন নয়শ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা আগের পে স্কেলের তুলনায় ৮০ শতাংশ বেশি ছিল। আর সর্বোচ্চ মূল বেতন প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে দশ হাজার টাকা করা হয়।

বাংলাদেশে পঞ্চম পে স্কেল ঘোষিত হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। ওই পে স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন মূল বেতন প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে এক হাজার পাঁচশ টাকা করা হয়।

সর্বোচ্চ ২৩ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন মূল বেতন দুই হাজার ৪০০ টাকা করা হয় ২০০৫ সালে ঘোষিত ষষ্ঠ পে স্কেলে। এসময় সর্বোচ্চ বেতনভুক্তদের ৫৩ শতাংশ এবং সর্বনিম্নদের ৬০ শতাংশ বেতন বেড়েছিল।

২০০৯ সালে ঘোষণা করা হয় সপ্তম পে স্কেল। যেখানে সর্বনিম্ন গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন বাড়িয়ে করা হয় চার হাজার ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সবশেষ বেতন কাঠামো অর্থাৎ অষ্টম পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। যেখানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ১০১ শতাংশ বেড়ে আট হাজার ২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৯৫ শতাংশ বেড়ে ৭৮ হাজার টাকায় হয়েছিল।

নবম পে স্কেলের কাজ কতদূর? অষ্টম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণার প্রায় এক যুগ পরে, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির একটি প্রতিবেদন জমা দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত নবম জাতীয় পে কমিশন। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে বেতন কাঠামোর সুপারিশ প্রণয়নে ২১ এপ্রিল একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ীই বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে সরকার।

সংসদের বাজেট অধিবেশনে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে বক্তব্য রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর পর থেকেই বেতন বৃদ্ধি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ দেখা দিয়েছে, তবে এখনও নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।

গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ফোরামে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। বুধবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, নবম পে স্কেলের গেজেট প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অধ্যাপকশূন্য ৮ বিভাগ, সংকটে পাবিপ্রবির একাডেমিক কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


অধ্যাপকশূন্য ৮ বিভাগ, সংকটে পাবিপ্রবির একাডেমিক কার্যক্রম

প্রতিষ্ঠার দেড় যুগ পেরিয়ে গেলেও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) আটটি বিভাগে বর্তমানে কোনো অধ্যাপক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়টির পাঁচটি অনুষলের অধীন ২১টি বিভাগের মধ্যে যে সংখ্যা অধ্যাপক আছেন তা মাত্র ১৩টিতে ৩৫ জন। এ অভিজ্ঞ শিক্ষকের সংকটের কারণে শিক্ষা, গবেষণা, এবং থিসিস তদারকি সহ উচ্চশিক্ষাভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান সময়ে ২১৩ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে সর্বাধিক সাতজন এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ছয়জন অধ্যাপক আছেন। এছাড়া গণিত, ইইসিই ও আইসিই বিভাগে তিনজন করে অধ্যাপক রয়েছেন; ইইই, ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলা, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিসংখ্যান বিভাগে দুজন করে অধ্যাপক আছেন এবং সিএসই, অর্থনীতি ও ইতিহাস বিভাগে মাত্র একজন করে অধ্যাপক রয়েছেন।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এত দীর্ঘ সময় পরও ফার্মেসি, স্থাপত্য, রসায়ন, সমাজকর্ম, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, ইংরেজি, লোকপ্রশাসন এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক পায়নি। অভিজ্ঞ একাডেমিক নেতৃত্বের অভাবে, শিক্ষার্থীরা থিসিস ও গবেষণার ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন না, এই কারণেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

অধ্যাপক সংকটের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের অবস্থাও প্রকট। সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ২১৩ জন। এর মধ্যে বর্তমানে ৫৫ জন শিক্ষছুটিতে আসনে আছেন। মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকা উচিত, কিন্তু পাবিপ্রবিতে ৩৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন।

এছাড়া, শিক্ষাছুটিতে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে ১৭ জনের ছুটির মেয়াদ শেষ হলে তারা কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। চারজনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে চাকরিচ্যুতির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম জানালেন, যাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগদান করেননি, তাদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক পাওনা আদায় নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরবর্তী রিজেন্ট বোর্ড সভায় এ প্রসঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%