০৪:৩১ এম
স্পেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আলমেরিয়া প্রদেশে ভয়াবহ দাবানলে আহত এক ব্রিটিশ নারীর মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুর ফলে এ দাবানলে নিহতের সংখ্যা ১৩ জনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) রাতে আন্দালুসিয়া আঞ্চলিক সরকার কর্তৃক এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহত ওই নারীর বয়স ছিল ৯৩ বছর। আঞ্চলিক সরকারের বিবৃতিতে জানানো হয়, ওই নারী আগে থেকেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার ভোরে শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ অংশ দগ্ধ অবস্থায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত
আন্দালুসিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা প্রধান আন্তোনিও সান্স নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, স্পেনের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এ দাবানলে লস গাইয়ারদোস পৌর এলাকায় ৭ হাজার হেক্টরের বেশি বনভূমি পুড়ে গেছে।
এদিকে স্পেনের ফরেনসিক সংস্থা সিআইডি জানিয়েছে, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও বেলজিয়ামের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু হওয়ার পর আরও দুজন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। এতে নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে পৌঁছেছে। বিদেশে অবস্থানরত স্বজনদের নিজ নিজ দেশে নিখোঁজের তথ্য ও ডিএনএ নমুনা জমা দেওয়ার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে সবুজ আরও নিখোঁজের খবর আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেলজিয়াম সরকার জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন বেলজিয়ামের নাগরিক থাকতে পারেন। তাদের একজন ৬৩ বছরের ব্যবসায়ী স্তানিসলাস ভারদঙ্কট। তার ছেলে, ভাইরোলজিস্ট থমাস-উলফ ভারদঙ্কট জানিয়েছেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগে পর্যন্ত বাবার সঙ্গে তার ফোনে যোগাযোগ ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য কোনো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। কিন্তু আন্দালুসিয়া সরকার দাবি করেছে, স্থানীয় মেয়র বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
রোববার দুপুরে আন্দালুসিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ানমা মোরেনো জানান, দাবানল নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং এর বিস্তার ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। পরে লস গাইয়ারদোসের উত্তরের বিভিন্ন গ্রাম থেকে সরিয়ে নেওয়া এক হাজারের বেশি বাসিন্দাকে তাদের বাড়িতে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন