বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৪৩ পি.এম
দেশে চলমান আকস্মিক বন্যা, অতিবর্ষণ এবং দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাসহ অন্যান্য সব বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
সোমবার (১৩ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের অন্তত ৭টি জেলায় পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় লাখ লাখ পরীক্ষার্থী চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি, মানসিক বিপর্যয় এবং যাতায়াত প্রতিকূলতার মুখে পড়েছে। ৭টি জেলায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বন্যা ও অতিবর্ষণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ। এসব এলাকার বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার কারণে পরীক্ষার্থীদের পক্ষে কেন্দ্রে যাতায়াত করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য বলে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অসংখ্য শিক্ষার্থীদের বইখাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে।
এই অবস্থায় পরীক্ষা চালু রাখলে মেধার সঠিক মূল্যায়ন বাধাগ্রস্ত হবে এবং সুযোগের সমতা নষ্ট হবে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখাকে একমাত্র ‘শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত’ বলে মনে করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের শীর্ষ দুই নেতা জানান, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত বর্তমান জনবান্ধব সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের জীবন, নিরাপত্তা এবং সুন্দর ভবিষ্যতের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে কাজ করে।
সুতরাং পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত চলমান এইচএসসি পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে পরবর্তীতে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিকভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বন্যা কবলিত এলাকার পরীক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে মানবিক সহায়তা প্রদান এবং স্থানীয় প্রশাসনের পাশে থেকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে ছাত্রদলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, জুলাই বিপ্লবকে ধারণ করে সব গণতান্ত্রিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিএনপি’র নোট অব ডিসেন্টসহ একটি জুলাই সনদ স্বাক্ষর করা হয়। সেই জুলাই সনদ পরিপূর্ণ বাস্তবায়নে বিএনপি সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহীদ দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, আজকের আলোচনা সভা শোকের নয়, এটি শক্তি সঞ্চয়ের সভা। জুলাইয়ের শক্তিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আমরা জনগণের ভোটে একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেয়েছি।
চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম ছাত্রদলের সদস্য ছিল, তার চেয়ে বড় পরিচয় সে ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনের সৈনিক ছিল। আজকের দিন শোকের না হয়ে শক্তি সঞ্চয়ের কেন তা যারা রাজপথে আন্দোলন করেছে, রক্ত দিয়েছে, ত্যাগ শিকার করেছেন তারা অনুভব করবেন। ক্ষমতার স্রোতে যারা ভেসে বেড়ায় তারা কখনো ত্যাগের মহিমা অনুভব করতে পারবে না।
তিনি বলেন, প্রকৃত জুলাই যোদ্ধারা কখনো চেতনা নিয়ে ব্যবসা করে না।
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টির বেশি পণ্যের মূল্য কমিয়েছেন। স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন ব্যয়বহুল জিনিসপত্রের দাম কমিয়েছেন। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ একটি মানবিক ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া সময়ের ব্যাপার।
সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, শহীদ ওয়াসিমসহ যেসকল জুলাই যোদ্ধা জীবন দিয়েছেন আমরা তাদের ইতিহাস অবশ্যই সংরক্ষণ করব।
প্রকৃত শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের নির্ভুলভাবে তালিকা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও আমাদের জুলাই বিপ্লবে জেগে উঠতে চেতনা জুগিয়েছে। এ দেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবার ফিরে না আসে সে জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কেউ নতুন করে ফ্যাসিস্ট হওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ রুখে দেবে। দেশের জন্য যারা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন জাতির কাছে সম্মানিত করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির এমপি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য এমপি হুম্মাম কাদের চৌধুরী, এমপি সাঈদ আল নোমান তুর্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জানা যায়, অভিযুক্তের নাম রুবাইয়া মেহজাবিন সুহি। তিনি মাইলস্টোন কলেজের কলেজ কোড নং-৮০৭৪, বিজ্ঞান বিভাগ (ইংরেজি মাধ্যম)-এর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একজন ছাত্রী ছিলেন। শৃঙ্খলাজনিত কারণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অনুমতিক্রমে তাকে মাইলস্টোন কলেজ থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টি.সি.) দেয়া হয়।
মাইলস্টোনের কলেজের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্র-সংক্রান্ত আন্দোলনে সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক বক্তব্য দেয়া এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, সেই ছাত্রী আগেই মাইলস্টোন কলেজ থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নিয়েছে বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর তুরাগ থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্তের নাম রুবাইয়া মেহজাবিন সুহি। তিনি মাইলস্টোন কলেজের কলেজ কোড নং-৮০৭৪, বিজ্ঞান বিভাগ (ইংরেজি মাধ্যম)-এর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একজন ছাত্রী ছিলেন। শৃঙ্খলাজনিত কারণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অনুমতিক্রমে তাকে মাইলস্টোন কলেজ থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টি.সি.) দেয়া হয়। এর ফলে সে আর মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থী নয় এবং প্রতিষ্ঠানের কোনো পরিচয় ব্যবহারের অধিকার তার নেই। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিয়োতে দেখা যায় যে, ওই ছাত্রী মাইলস্টোন কলেজের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্র-সংক্রান্ত আন্দোলনে সরকার বিরোধী উস্কানীমূলক বক্তব্য দিয়েছে। মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও সে প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। এ সময় ১২ কোটি শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেওয়ার দাবি তার ছিলো।
মাইলস্টোন কলেজের সিকিউরিটি অফিসার মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংস্থাটির তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল বুধবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আছেন মো. সাইফুল ইসলাম (৩০), সিজানুল হক (২০), মোছা. লিপি (৩৫), মো. নিরব (২০), মোছা. রুবি (৪৮), মো. রিপন (৩৬), মো. রানা খান (৩০), মো. ইসমাইল হোসেন পারভেজ (২৬), মো. জাহাঙ্গীর কবির, মো. সোহাগ (৩৫), মো. মনির হোসেন ওরফে গোজা মনির, মো. কবির (২৫), মো. সুরুজ সরকার (৩৫), আহম্মদ উল্লাহ বিপ্লব ওরফে রনি, মো. সোহাগ আলী সালমান (২২), মো. মামুনুর রহমান, মো. রমজান ইসলাম (১৯), মো. জুলফিকার আলী, মো. টুটুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু (২৭), নুরনবী (২৯), আপন (২৮), আব্দুল কুদ্দুস (২৭), হাবিব (২৭), মো. রুফাত আহম্মেদ (২৩), জ্যাকি ইসলাম আব্দুল কাদের জ্যাকি, মো. রহিম হোসেন বিশাল (২২), মো. মিজানুর রহমান (৪০), মো. হাসান মাহমুদ (২৮), মো. জাহিদুল ইসলাম (২৭), মো. আরিফ (২৩), মো. রাসেল মিয়া (২২), মো. খোকন (২২), মিরাজ হোসেন (২৪), সুজন হাওলাদার (২৪), আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪৮), মো. আসাদ হোসেন (৫৫), মো. জাকির হোসেন (৪২), মো. চঞ্চল ওরফে মোশারফ হোসেন (২৭), মো. জাকির হোসেন বাবু (৪২), মো. পারভেজ (৩২), মো. রেজোয়ান (২২), মো. রাকিব (২৭), মো. শরীফুল ইসলাম রাতুল (২৩), এসএম সাদনান সামি (২২), মো. আশরাফুল ইসলাম জিসান (২১), মো. রাব্বি মিয়া (২২), মো. লিকন (২০), মো. হৃদয় মুন্সি (২৫), মো. মাইনুদ্দিন (২২), মো. ইসলাম (২০), আহমেদ সজিব (২৪), মো. হৃদয় (২০), মো. মুরাদ মাতুব্বর (২১), মো. মেহেদী মাতুব্বর (২৩), রিফাত (২১), আব্দুল্লাহ (২৪), মো. ইসরাফিল (১৮), দাড়ীওয়ালা জুয়েল ওরফে তিল্লা জুয়েল (২৯), মো. রুবেল হোসেন (২৪), মো. সালেহিন ইমতিয়াজ (২৯), মো. আনোয়ার হোসাইন (৩১), মো. দিদারুল আলম (৩০), মো. রুবেল মিয়া (৩০), মো. এরশাদ আলী (৪০), নুরুজ্জামান (৪২), আব্দুল্লাহ (২৪) এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত একজন শিশু।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৬ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ১০ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২১ জন, আদাবর থানায় ১২ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৯ জন ও হাতিরঝিল থানায় ৯ জন রয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ জানিয়েছে যে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি দল। এ দলের সাথে রয়েছেন পাবনার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. ফুয়াদ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরের সময় তারা ইছামতি নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, খননকাজ এবং নিলামের জন্য সংরক্ষিত মাটির ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্টরা জানান, জনস্বার্থে নিলামের জন্য নির্ধারিত মাটি সংরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছে। একই সাথে প্রকল্পটির শর্ত মেনে কাজ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি, জোরপূর্বক দখল বা প্রকল্পের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্থানীয় জনগণের দাবি, ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কাজের মান বজায় রয়েছে এবং দুর্নীতি, জোরপূর্বক দখলের মতো অভিযোগ নেই। তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্রায় ১ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রমের তদারকির দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ