ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মেধাবীদের দেশত্যাগ রোধে শায়খ আহমাদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা


মেধাবীদের দেশত্যাগ রোধে শায়খ আহমাদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার পর এক তরুণের বাঁধভাঙা উল্লাস ও আনন্দ-চিৎকার দেখে বিশিষ্ট আলেম ও দাঈ শায়খ আহমাদুল্লাহ ভিন্ন এক ভাবনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি তার ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছেন, তরুণের সেই উল্লাস তাকে নতুন এক সমাজ-জিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, "এটি কি জ্ঞান-পিপাসু হিসেবে উচ্চতর গবেষণার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও উম্মাহকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দ নাকি উন্নত জীবনের মোহনীয় হাতছানি এবং আজীবন সেখানে স্থায়ী হওয়ার দুয়ার খুলে যাওয়ার আনন্দ?" এই প্রশ্নটি তাকে ভাবিয়ে তুলেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী তরুণ উচ্চশিক্ষার জন্য উন্নত বিশ্বে পা রাখে এবং সেখানে ক্যারিয়ার গড়ে। উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভিসা দেয় স্টুডেন্ট ক্যাটাগরিতে। পর্যটন ভিসার তুলনায় স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। কিছু দেশের স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুর হার ৯৫%-এরও বেশি!

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পিবিআই তদন্ত

শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি ভালোবাসা থেকে তারা স্টুডেন্ট ভিসাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে, তবে এর পেছনে একটি গভীর সমীকরণ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। ধর্মীয় মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার কারণে অনেক উন্নত দেশের জনসংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। কমতে থাকা জন্মের হার রীতিমতো জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রণোদনা দিয়েও তারা জন্মহার বাড়াতে পারছে না।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, "তাদের প্রয়োজন আমাদের মতো গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের, যারা ছাত্র ভিসায় বিদেশে গিয়ে সেখানকার দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে উঠবে।" এজন্য তারা গরিব দেশের মেধাবী তরুণদের ওয়েলকাম জানাতে মুখিয়ে থাকে। অফার করে নানা রকম সুযোগ সুবিধার। অনেক দেশে পড়াশোনার পর পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক পারমিট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্ট-এর পথ খুলে দেয়।

তিনি আরো লিখেছেন, "জ্ঞান-গবেষণার জন্য দূর দেশে পাড়ি জমানো খারাপ কোনো বিষয় নয়। কিন্তু দেশের আলো-হাওয়ায় বড় হয়ে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনার ভিত গড়ার পর নিছক একটু ভালো থাকার জন্য উন্নত ও অমুসলিম-প্রধান দেশকে সার্ভ করা নিশ্চয়ই একজন মুসলিম তরুণের কাম্য বিষয় হতে পারে না।"

বাবা-মা যতদিন বেঁচে থাকেন, ততদিন দেশের সাথে এই শ্রেণির মানুষের নিভু নিভু সম্পর্কটা হারিকেনের সলতের মতো টিকে থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাবা-মার মৃত্যুর পর অনেকে দেশের সমুদয় সম্পদ বিক্রি করে সেই টাকা বৈদেশিক সুখে বিনিয়োগ করে। দেশে তাদের শেষ স্মৃতিচিহ্নটুকুও আর অবশিষ্ট থাকে না।

আরও পড়ুন: অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে মধ্যরাতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, পদত্যাগের দাবি

শিক্ষার্থীদের মাঝে কেন দেশত্যাগের মিছিল চলছে? এর জন্য কি শুধুই তরুণদের ভোগবাদী মানসিকতা দায়ী? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের কাঠগড়ায় তুলবার আগে সবার প্রথমে নিজেদের ব্যর্থতার দিকে দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন।" স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও আমরা দুর্নীতিমুক্ত, অপরাধহীন, স্থিতিশীল, বাসযোগ্য ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাওয়ার মতো একটি দেশ গড়ে তুলতে পারিনি, যে দেশ নিয়ে একজন মেধাবী তরুণ স্বপ্নের বীজ বুনবে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, "এখানে মেধার মূল্য নেই, ঘুস ও রেফারেন্স ছাড়া চাকরি হয় না, জীবন সর্বক্ষণ ঝুঁকিপূর্ণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিক অবক্ষয় ও অস্থিরতার ছড়াছড়ি, দুর্নীতিতে সয়লাব প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, তরুণদের নিয়ে সর্বদা আতঙ্কে থাকতে হয় পরিবারকে।" এতসব অনিশ্চয়তার মাঝে মেধাবী শিক্ষার্থীকে যেখানে ওয়েলকাম করতে উন্নত দেশগুলো অ্যাম্বাসি খুলে বসে আছে, তার জন্য দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখা কঠিন ব্যাপারই।

এরপরও তারুণ্যকে তিনি এই কঠিনেরে ভালোবাসার আহ্বান জানিয়েছেন। "কেউ দেশটাকে প্রস্তুত করে দেয়নি বলে আমি কি পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করব না?" নিরুপদ্রব জীবনের জন্য সবাই যদি বিদেশকেই ঠিকানা বানায়, তবে চেইঞ্জ মেকার হবে কে?-এই প্রশ্নটি তিনি তরুণদের কাছে রেখেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তরুণদের সামনে কোনো ভিশন বা আদর্শ নেই, যার জন্য সে নিজের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবে বলে তিনি মনে করেন। অধিকাংশ পরিবার, এমনকি খোদ রাষ্ট্রও তরুণদের আদর্শবাদী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট নয়; বরং ধর্মবিযুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে নিছক ভোগবাদী এবং স্বার্থপর করে গড়ে তোলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি ২৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী খুঁজছে, সময় ১৫ দিন

তাই, মেধাবী তরুণদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার মিছিল থামানোর জন্য মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সেই সাথে প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে, যেন আগামী প্রজন্ম আদর্শবাদী এবং শেকড়মুখী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। সর্বোপরি তরুণদের ভোগবাদী জীবনের পরিবর্তে চ্যালেঞ্জের জীবন বেছে নেয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, ভোগে নয়, ত্যাগের মাঝেই রয়েছে প্রকৃত সুখের ঠিকানা।

একটি দেশ উন্নত হয় মূলত তরুণদের মেধার ওপর ভর করে। সেই মেধা যদি বাইরে চলে যায় এবং বাইরের উন্নয়নে তা ব্যয় হয়, তবে সেই দেশ কোনোভাবেই সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায় উঠতে পারে না। তাই মেধা পাচার রোধে আমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে বলে শায়েখ আহমাদুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার শ্রমিকদের কল্যাণে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ এম


সরকার শ্রমিকদের কল্যাণে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করছে

শ্রমিকদের কল্যাণে সরকার শুধুমাত্র আশ্বাস প্রদান করছে না, বরং বাস্তব উদ্যোগও গ্রহণ করছে।

আরিফুল হক চৌধুরী

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট গরুর খামার গড়ে উঠছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ এম


প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট গরুর খামার গড়ে উঠছে

গত শতকের আশির দশকের প্রথম দিকে গ্রামাঞ্চলে কাজ করার সময় দেখা গেছে, কৃষকরা সাধারণত নিজেদের বাড়িতে একটি-দুটি গরু-গাভি পালন করতেন। দেশি গাভির মাধ্যমে দিনে সর্বোচ্চ দেড়-দুই লিটার দুধ পাওয়া যেত। কৃষকরা এই দুধ নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি গ্রামের বাজারে বিক্রি করতেন। ধানের খড় ও মাঠের ঘাস খাইয়ে দু-একটি গরু লালন-পালনে খুব বেশি খরচ হত না। পরে বিদেশি জাতের উন্নত গাভি লালনের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়। বেশি দুধ পাওয়ার আশায় কৃষকরা সেই গাভি পালন শুরু করেন। কিন্তু উন্নত জাতের গাভির খাবারের খরচ বেশি হওয়ায়, নিজের পরিবারের খাবার জোগাতে হিমশিম খেতে হয় কৃষকদের। গাভির খাবার জোগাতে যখন তারা কষ্ট পেতে শুরু করেন, তখন ১৫ থেকে ২০ লিটার দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে ন্যায্য দাম না পেয়ে অভিমানে কৃষকরা দুধ ফেলে দেন। এর ফলে দেশের দুগ্ধ খাত প্রত্যাশিতভাবে বিকশিত হয়নি। তবে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ সুপরিকল্পিতভাবে দুগ্ধ খাতে সফলতা অর্জন করেছে।

২০১৫ সালে নেদারল্যান্ডসের ডো মার্কে গরুর খামারে গিয়ে আমি অত্যন্ত অবাক হয়েছিলাম। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে মনে হয়েছিল, আমি গরুর খামার নয়, বরং কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানে এসেছি। ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) কৃষিতে যে বৈপ্লবিক রূপান্তর আনছে, তা ছিল স্মার্ট প্রযুক্তির উদাহরণ। বর্তমান সময়ে স্মার্ট মানে হলো ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত থাকা। মুহূর্তে সব তথ্য হাতের মুঠোয়। চলতি শতাব্দীতে আমরা স্মার্ট যুগে প্রবেশ করেছি। নেদারল্যান্ডসের গরুর খামারটিও ছিল একটি স্মার্ট খামার। গরুর খাদ্য দেওয়া থেকে শুরু করে দুধ সংগ্রহ পর্যন্ত সবকিছু যান্ত্রিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। ডো মার্কের দুধ দোয়ানোর আধুনিক পদ্ধতি চমকপ্রদ। সেখানে গাভি যখন উপলব্ধি করে যে তার দুধ দেওয়ার সময় হয়েছে, তখন সে লাইন ধরে দুধ দোয়ানোর কেন্দ্রে উপস্থিত হয়। গাভির উপলব্ধি দিয়ে যন্ত্র সন্তুষ্ট হয় না, যন্ত্র যখন তার হিসাব দিয়ে বুঝতে পারে যে গাভি প্রস্তুত—তখনই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুধ দোয়ানো শুরু করে।

১০০ গরুর মাঝে কোনো নির্দিষ্ট গরুকে চেহারা দেখে আলাদা করা সম্ভব নয়। আমাদের কাছে সব গরুই দেখতে একই রকম। চোখে দেখে শুধু রং ও আকারের পার্থক্য করা যায়। কিন্তু আধুনিক যন্ত্র মুখে ক্যামেরা ধরে গরুর নম্বর, শারীরিক অবস্থা এবং খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ জানাতে পারে। বিশেষ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এবং আইওটি উৎপাদন ব্যবস্থাকে নিয়ে যাচ্ছে অবিশ্বাস্য এক প্রান্তে, যা কিছুদিন আগেও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ছিল, আজ তা বাস্তব। একজনের পক্ষে একটি বিশাল খামার পরিচালনা করা কঠিন কাজ নয়।

২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার চুংনাম প্রদেশের থম্বক গ্রামের খামারি কিমের খামারে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। কিম একাই দুই শতাধিক গরুর একটি খামার পরিচালনা করছিলেন। অফিসকক্ষে বসে কম্পিউটারে সব নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। গরুর খাবার দেওয়া থেকে শুরু করে দুধ দোয়ানো ও দুধ প্রক্রিয়াকরণ হচ্ছিল অটোমেটিক যন্ত্রের সাহায্যে। চলতি বছর এপ্রিলে নেদারল্যান্ডসের ফ্রেইডোপিল এলাকায় আরেকটি ডেইরি ফার্ম দেখার সুযোগ হয়েছিল। এক হাজার ১০০ হেক্টর জমির ওপর বিশাল এক খামার। খামারে দুই হাজার ৬০০টি গাভি রয়েছে। প্রতিটি গাভি বছরে ১১ হাজার লিটার দুধ দেয়। অথচ খামারটিতে মাত্র দুজন কর্মী রয়েছে। গাভির গোসল, খাবার দেওয়া, দুধ দোয়ানো সবই করছে যন্ত্র। উৎপাদিত দুধ চিলিং হয়ে অটোমেটিক প্যাকেটজাত হয়ে যাচ্ছে। দেখে বিস্মিত হতে হয়!

আমাদের দেশে স্মার্ট গরুর খামার গড়ে উঠতে শুরু করেছে। নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চনে ব্যবসায়ী এম এ সবুর তাঁর খামারটি স্মার্ট গরুর খামার ব্যবস্থাপনায় নিয়ে এসেছেন। এই ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি গরুর জন্য একটি করে চিপ থাকে। চিপটি গলার কলারে বা কানে যুক্ত থাকে, যা গরুর শারীরিক ও পারিপার্শ্বিক সব তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। যেমন—গরুর দেহের তাপমাত্রা, রক্ত সঞ্চালন, জাবর কাটা এবং প্রজনন সময়ের নির্ভুল তথ্য দেয়। মাতৃ গরুর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে অসময়ে গর্ভপাত রোধ করতে সাহায্য করে। গরুর কী ধরনের পুষ্টির প্রয়োজন, কী পরিমাণ আলো-বাতাস লাগবে, এমনকি গাভির দুধ দেওয়ার সময় সম্পর্কে তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত বেইস স্টেশন থেকে সরাসরি খামারির মোবাইল ফোনে চলে আসে। জানি না কী কারণে গ্রামীণ ফোনের ডিজি কাউ আর অগ্রসর হতে পারেননি। তবে আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেডের ফিদা হক তাঁর বোলাস কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। কদিন আগে আশুলিয়ায় একটি খামারে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখেছি। ডাচ ডেইরি বা আমেরিকান ডেইরির কথা অনেকে হয়তো জানেন। তারা আধুনিক প্রযুক্তির বিশাল খামার গড়ে তুলেছে।

বাণিজ্যিক কৃষি মানে প্রযুক্তির কৃষি। আর প্রযুক্তির কৃষি মানে বড় বিনিয়োগের কৃষি। একজন ক্ষুদ্র কৃষকের পক্ষে এককভাবে বাণিজ্যিক কৃষিতে বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়। তবে সম্মিলিতভাবে বিনিয়োগ করা কঠিন কিছু নয়। অনেক শিল্পোদ্যোক্তা বাণিজ্যিক কৃষিতে অগ্রসর হচ্ছেন। আগেই বলেছি, আমাদের দেশে দুগ্ধ খাতে বাজার রয়েছে। বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক করে সুপরিকল্পিত নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এখনই আগামীর পথে হাঁটার সময়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন নয়, বিদেশি ইন্ধনে চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ এম


পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন নয়, বিদেশি ইন্ধনে চলছে

এই আন্দোলনটি মূলত পোশাক শ্রমিকদের দ্বারা পরিচালিত নয়, বরং এটি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে প্রাপ্ত ইন্ধনের মাধ্যমে চালিত হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনে প্রার্থী হলে আমরাই জিততাম: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ এম


নির্বাচনে প্রার্থী হলে আমরাই জিততাম: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের বিষয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, "আমি যদি ব্যালটে থাকতাম, তাহলে আমরাই জিততাম।"

বুধবার, তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারের সময় তার সমাবেশগুলোতে সমর্থকদের কাছ থেকে যে বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তা রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীদের ভোটে রূপান্তরিত করতে পারেনি।

তিনি উল্লেখ করেন, "সেখানে ভালোবাসার পরিমাণ ছিল অভাবনীয়। সত্যিই অসাধারণ ছিল।"

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%