১০:২৮ এম
মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আসলে একটি ‘লোকদেখানো’ পদক্ষেপ। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের উপর এই সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মূল্য চুকাতে হচ্ছে।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই অভিযানটি তেহরানের বৈশ্বিক আর্থিক কর্মকাণ্ড এবং আয়ের উৎসকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হবে।
সোমবার ট্রেজারি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেসেন্ট বলেন, নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের তেল খাতসহ দেশটির আয়ের বিভিন্ন উৎস বন্ধ করা এবং অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা না করতে উৎসাহিত করা।
আরও পড়ুন: খিঁচুনির অভিনয় করে সিনেমা কায়দায় পালিয়ে ১৭ বন্দি গ্রেপ্তার
তবে মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর সিনেটর ক্রিস মারফি এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ঘোষিত নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আসলে হতাশাজনক একটি লোকদেখানো পদক্ষেপ।
মারফির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তা অর্জন করতে পারেনি। তিনি বলেন, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর গোলাবারুদ ও যুদ্ধসরঞ্জামের মজুতও কমে গেছে।
সিনেটর মারফি আরও দাবি করেন, সামরিক অভিযানে ব্যর্থতার পর সেই পরাজয় আড়াল করতেই ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এখনও চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে এমন একটি বার্তা দিতে চাইছে।
মারফির মতে, যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং এতে ইরান কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তাই নতুন নিষেধাজ্ঞাকে তিনি বাস্তব পরিবর্তন আনার পদক্ষেপের বদলে রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
আরও পড়ুন: ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
সূত্র : মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন