শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৯ পি.এম
খুলনা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু মন্তব্য করেছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন ঝুঁকি আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুলনার ভৌগোলিক অবস্থান জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য এটিকে একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ ও দুর্যোগ প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। প্রতি বছর এই অঞ্চলের জনগণকে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে হয় এবং টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এই দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় বাস্তবমুখী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।
শুক্রবার বিকেলে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে আয়োজিত ইয়ুথ সামিটের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-খুলনা সিটি ইউনিট দিনব্যাপী এই ইয়ুথ সামিটের আয়োজন করে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবতার সেবায় কাজ করার জন্য রেড ক্রিসেন্ট সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। তরুণদের দুর্যোগ মোকাবিলায় অংশগ্রহণ আরও সুসংগঠিত করতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রেড ক্রিসেন্টের সক্রিয় ইউনিট গড়ে তোলা জরুরি। ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত থাকার জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-খুলনা সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান অপু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কার্য নির্বাহী সদস্য মো. হাফিজুর রহমান মনি।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিএল কলেজের উপাধ্যক্ষ এফ এম আ. রাজ্জাক, সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের শিক্ষক মো. সোহরাব হোসেন, সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজের রেড ক্রিসেন্ট সমন্বয়ক শিক্ষক মো. বুলবুল আহমেদ, সিটি ইউনিটের উপ সহকারী পরিচালক রেকসোনা খাতুন, জেলা ইউনিটের সহকারী পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম, প্রজেক্ট ম্যানেজার ডি এম নাজমুল আলম, আমেরিকান রেড ক্রসের এসটিও মো. মামুনুর রশীদ, প্রকল্প কর্মকর্তা মো. সাকিবুল হাসান ও মিতা মাহমুদ মুন্নীসহ ৩টি কলেজের ৯০ জন ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাম্বাসেডর সামিটে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা বাদাম চাষ নিয়ে আশাবাদী, কারণ আবহাওয়া অনুকূল এবং চাষাবাদের পরিবেশ ভালো রয়েছে। ফলন ভালো হলে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটবে এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের বালুমিশ্রিত ও দোআঁশ মাটি বাদাম চাষের জন্য উপযোগী। ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী চরাঞ্চলে বাদাম চাষ করে অনেক কৃষক জীবিকা নির্বাহ করেন। কম খরচে বাদাম চাষ করা যায় বলে দিন দিন এ ফসলের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাজিবপুর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর উপজেলার ৩ ইউনিয়নে বাদাম চাষের লক্ষ্য মাত্রা ৮৬৭ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ৪৫২ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে।
জাউনিয়ার চর পূর্ব জালচিরা পাড়ার কৃষক শফি জানান, "আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগবালাই বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতি না হলে এবার ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।" তিনি আরও বলেন, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাদামের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।
কোদালকাটি ইউনিয়নের সাজাই গ্রামের আমিনুর রহমান জানান, "গতবারের চেয়ে আমি এবার এক একর বেশি চাষ করেছি। কারণ গেল বছর আমার খরচের চেয়ে দ্বিগুণ লাভ হয়েছে।"
কৃষিবিদ রতন মিয়া বলেন, "বাদাম চাষে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত জাতের বীজ এবং প্রয়োজনীয় কৃষি পরামর্শ নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।" তিনি বলেন, ফসল সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে কৃষকদের লাভের পরিমাণও বাড়বে।
চর রাজিবপুর কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে বাদাম চাষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ অঞ্চলে বাদামের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ ব্যাপারে চর রাজিবপুর উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি উপ সহকারী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন জানান, "রাজিবপুর যেহেতু চর এলাকা, বাদাম চাষের জন্যে উপযুক্ত মাটি ও পরিবেশ রয়েছে।" তিনি বলেন, এখনও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি এবং সামনে সরকারি প্রণোদনা রয়েছে, বিনামূল্যে বাদামের বীজ ও সার প্রদান করা হবে।
"আমরা নিয়মিত কৃষকদের মাঠে যাচ্ছি ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। কৃষক লাভবান হবে।"
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে চীন তাদের স্বর্ণের মজুদ রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি করতে চলেছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকান ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বৈশ্বিক আর্থিক ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি থেকে নিজেদের রক্ষা করার কৌশল হিসেবে বেইজিং এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, চীনের সাধারণ পরিবারগুলোও অর্থনৈতিক অস্থিরতা থেকে নিজেদের সঞ্চয় রক্ষা করতে ব্যাপকভাবে সোনা কেনার দিকে ঝুঁকছে।
চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘পিপলস ব্যাংক অব চায়না’ টানা ২৩ মাস ধরে স্বর্ণ কেনার রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে তারা একবারে প্রায় ২৩ টন স্বর্ণ কিনেছে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় মাসিক কেনাকাটা। এই নতুন ক্রয়ের ফলে দেশটির মোট স্বর্ণের মজুদ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২,৪১০ টনে। চীনের মোট রাষ্ট্রীয় রিজার্ভে সোনার অবদান যেখানে ২০২৪ সালের শেষ দিকে ছিল ৫.৫ শতাংশ, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ তা বেড়ে ৮.৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ চীনা নাগরিকরাও পিছিয়ে নেই; চীন গোল্ড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বার ও কয়েন আকারে স্বর্ণ কেনার পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চীন কেন এত বিপুল পরিমাণে সোনা সংগ্রহ করছে—এর পেছনে মূলত শক্তিশালী কয়েকটি আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক কারণ কাজ করছে:
আমেরিকান ডলার ও ঋণের ঝুঁকি হ্রাস
চীনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণের (ট্রেজারি বন্ড) ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে আনা। মার্কিন সরকারের দেনা বর্তমানে রেকর্ড ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ক্ষমতার তুলনায় উদ্বেগজনক। বেইজিংয়ের বিশাল পরিমাণ সম্পদ ডলার-ভিত্তিক হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির কোনো বড় বিপর্যয় চীনকে বড় আর্থিক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। স্বর্ণ কেনায় সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।
নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণের ভয়
২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা বিশ্ব যখন রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সম্পদ ফ্রিজ বা বাজেয়াপ্ত করে, তখন তা বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির জন্য একটি সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়ায়। বেইজিং আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতে ওয়াশিংটনের সাথে কোনো বড় ধরনের সংঘাত হলে তাদের বৈদেশিক সম্পদও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার শিকার হতে পারে। কিন্তু নিজের দেশে স্বর্ণ মজুদ রাখলে তা অন্য কোনো দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে।
অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা
চীনের সাধারণ মানুষের জন্য স্বর্ণ কেনা একটি নিরাপদ সঞ্চয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দেশটির শেয়ার বাজারের মন্দাভাব এবং আবাসন খাতের সংকট ও দেনার কারণে মানুষ জমি বা শেয়ারে টাকা না ঢেলে স্বর্ণ কিনে নিজেদের সঞ্চয় সুরক্ষিত রাখতে চাইছেন।
তবে বিশ্বব্যাংক এবং অর্থনীতিবিদদের অভিমত হলো, চীনের স্বর্ণ কেনার এই উদ্যোগ বৈশ্বিক বাণিজ্যে আমেরিকান ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্য রাতারাতি শেষ করে দেবে না। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চালনা ও লেনদেনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে এখনও আমেরিকান ডলারই সবচেয়ে সহজলভ্য ও প্রয়োজনীয় মুদ্রা।
সুতরাং, চীন হঠাৎ করেই ডলার বর্জন করছে না; বরং তারা অত্যন্ত ধীরগতিতে এবং সতর্কতার সাথে তাদের সম্পদের ঝুঁকি কমানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এই প্রবণতায় একা চীন নয়, পোল্যান্ডের মতো উদীয়মান অর্থনৈতিক ক্ষমতার দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এখন নিজেদের রিজার্ভে সোনা যুক্ত করতে শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ ‘স্ফুরণ-টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনের সন্ধানে’ নামক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে উদ্ভাবনী ধারণা খুঁজে বের করা। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের পেশাজীবীরা।
আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে উদ্ভাবনী ধারণা জমা দেওয়ার জন্য আগ্রহীদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ স্রেডার সহযোগিতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। জার্মান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে জিআইজেড কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে।
২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ১৫ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ধারণা আহ্বান করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতাটি দুটি বিভাগে বিভক্ত। গ্রুপ ‘এ’-তে দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিভাগের দুই শিক্ষার্থী মিলে দল গঠন করে অংশ নিতে পারবেন। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পেশাজীবীরা এককভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগের আওতায় সৌরবিদ্যুৎ, স্মার্ট সৌর সেচ, অফ-গ্রিড ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকায়ন, জ্বালানি সংরক্ষণ, বায়ুবিদ্যুৎ, দেশীয় সৌর প্যানেল ও ইনভার্টার উৎপাদন এবং কৃষিজমির সাশ্রয়ী ব্যবহারে এগ্রি-পিভি ও ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ধারণা জমা দেওয়া যাবে।
অন্য বিভাগের আওতায় জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন রান্নার ব্যবস্থা, জ্বালানি দক্ষতা পর্যবেক্ষণের ডিজিটাল সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক যান ও চার্জিং ব্যবস্থা, ভবনের জ্বালানি দক্ষতা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শীতলীকরণ, চাহিদা ব্যবস্থাপনা, পুরোনো স্থাপনা ও ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং আচরণগত পরিবর্তন ও নীতিগত প্রস্তাবনা নিয়ে ধারণা জমা দেওয়া যাবে।
অংশগ্রহণকারীদের তাদের ধারণার ব্যাখ্যা দিয়ে সর্বোচ্চ এক হাজার শব্দের একটি কনসেপ্ট নোট এবং ধারণার বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য প্রভাব তুলে ধরে তিন মিনিটের একটি ভিডিও জমা দিতে হবে।
আগ্রহী অংশগ্রহণকারীরা https://seideacontest2026.sreda.gov.bd/ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন ও তাঁদের উদ্ভাবনী ধারণা জমা দিতে পারবেন।
স্রেডার চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ বাসসকে জানিয়েছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নতুন ও বাস্তবসম্মত ধারণা পেতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি করছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করছে। তরুণদের এসব গবেষণালব্ধ ধারণা কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, স্রেডা দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চায়। এসব ধারণা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথ আরও সুগম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে গুলশান থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সাজ্জাতুজ জুম্মার বিরুদ্ধে একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাজ্জাতুজ জুম্মা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের দিলকুশা শাখার বিনিয়োগ গ্রাহক ছিলেন। ঋণ খেলাপির অভিযোগে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলায় আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং তিন কোটি টাকা জরিমানা করে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ অগাস্ট গুলশান থানা পুলিশ তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।
সাজ্জাতুজ জুম্মা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তবে খেলাপি ঋণের কারণে পরবর্তীতে তাকে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ