১০:৪৭ এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বাড়িতে চুরি করার সময় নাঈম (২৫) নামে এক ছাত্রলীগ নেতা স্থানীয়দের হাতে আটক হন। আটকের পূর্বে ওই যুবকের ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী, মেয়ে এবং একজন প্রতিবেশীসহ তিনজন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০ টার সময় স্বরূপকাঠী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
অভিযুক্ত নাঈম স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রফিক মিয়ার ছেলে এবং তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বাড়ির কাছে একটি সুপারি গাছ বেয়ে উঠে নাঈম ঘরে প্রবেশ করেন। ঘরে প্রবেশের সময় ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তার তাকে দেখে ফেলেন। নাজমা মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে নাঈম তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে নাজমাকে আঘাত করেন। নাজমার চিৎকার শুনে তার মেয়ে এগিয়ে আসলে তাকেও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে নুহিন মিয়া তাদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাজমা আক্তার বলেন, "ঘরে কাজ করার সময় হঠাৎ দেখি নাঈম সুপারি গাছ বেয়ে ঘরে ঢুকেছে। আমি মোবাইলে ফোন করতে গেলে সে বাধা দেয়। পরে চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। আমার মেয়ে ও প্রতিবেশী নুহিন এগিয়ে এলে তাদেরও আহত করা হয়।"
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, "পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দস্যুতার সময় স্থানীয়রা নাঈম নামে এক যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন