ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ, যে রাতে থেমে গিয়েছিল এক মেধাবী প্রাণ


আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ, যে রাতে থেমে গিয়েছিল এক মেধাবী প্রাণ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতনে তিনি প্রাণ হারান। আবরারের একটি ফেসবুক পোস্ট, যা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তৎকালীন কয়েকটি চুক্তির সমালোচনা করে লেখা হয়েছিল, তাকে হত্যার কারণ হিসেবে মামলার অভিযোগপত্র ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

আবরার হত্যাকাণ্ডের পর সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি ভিন্নমত দমন ও শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক সহিংসতার একটি আলোচিত উদাহরণ হয়ে ওঠে। আবরারের মৃত্যু পরবর্তী সময়ে আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের একটি প্রতীক হিসেবেও তিনি আলোচিত হয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আবরার ফাহাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে সরকারি কর্মসূচি পালন করা হলেও এবার সরকারি কোনো কর্মসূচির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। আজ (৭ অক্টোবর) বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের উদ্যোগেও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়ার গ্রামের বাড়ি থেকে বুয়েটের হলে ফিরেছিলেন আবরার ফাহাদ। তিনি তখন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই দিন রাত ৮টার দিকে তাকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, তানিম নামের এক শিক্ষার্থী ঘুম থেকে আবরারকে তুলে বলেন, ‘বড় ভাইয়েরা তোকে ডাকছে। ২০১১ নম্বর রুমে যেতে হবে।’ আবরার জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, ‘গেলেই দেখতে পাবি।’

অভিযোগপত্রে বলা হয়, এর আগে সন্ধ্যায় মুজতবা রাফিদ তার সহযোগী ইফতি মোশাররফ ও মেহেদী হাসান ওরফে রবিনকে জানিয়েছিলেন, তিনি বাড়ি যাবেন এবং আবরারকে ধরলে সেদিনই ধরতে হবে। এ সময় হোসেন মোহাম্মদ তোহা ও শামসুল আরেফীন ইফতি মোশাররফসহ অন্যদের জানান, আবরার গ্রামের বাড়ি থেকে হলে ফিরেছেন।

এ খবর পাওয়ার পর তারা ২০১১ নম্বর কক্ষে আবার একত্রিত হন। রাত ৮টার দিকে মেহেদী হাসান ওরফে রবিন ও ইফতি মোশাররফের নির্দেশে এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম, মুনতাসির আল জেমি এবং এএসএম নাজমুস সাদাত আবুজার আবরারের কক্ষে যান। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আবরারকে মারধরের জন্য তানিম ক্রিকেটের স্টাম্পও নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

পরে আবরারের ল্যাপটপ ও মোবাইলসহ তাকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে তাবাখখারুল, ইফতি মোশাররফ ও মুজতবা রাফিদ তার মোবাইল ও ল্যাপটপ পরীক্ষা করতে থাকেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আবরারের মোবাইলে শিবিরের তথ্য পাওয়া গেছে—এমন কথা বলার পর মেহেদী হাসান ওরফে রবিন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

এরপর আবরারকে চশমা খুলতে বলা হয়। চশমা খোলার পর মেহেদী হাসান ওরফে রবিন তার মুখে কয়েকটি জোরে থাপ্পড় মারেন। এর মধ্যে মোরশেদ অমর্ত্য ইসলাম কাঠের তৈরি শক্ত ক্রিকেট স্টাম্প নিয়ে আসেন। ইফতি মোশাররফ প্রথমে আবরারকে থাপ্পড় মারেন এবং পরে ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে তার পিঠ, পা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড মারধরে একটি ক্রিকেট স্টাম্প দুই টুকরা হয়ে যায়। এরপর এহতেশামুল রাব্বি আরও একটি স্টাম্প নিয়ে আসেন। অনিক সরকারও একটি স্টাম্প হাতে তুলে নেন এবং একটানা আবরারের শরীরে ৫০ থেকে ৬০টি আঘাত করেন। এতে আবরার মেঝেতে পড়ে যান।

পরে মুজাহিদুল ইসলাম ও শামিম বিল্লা মোটা দড়ি দিয়ে আবরারকে দুই থেকে তিনটি আঘাত করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় আবরার বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করেন। এরপর মিফতাহুল ইসলাম ওরফে জীয়ন ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকেন এবং বারবার জানতে চান, আবরার শিবির করেন কি না।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

রাত ১১টার দিকে ওই কক্ষে এসএম মাহমুদ ওরফে সেতু আসেন। তিনি উপস্থিত অন্যদের কাছে আবরারের বিষয়ে জানতে চান। তখন অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ ও মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আবরার কোনো তথ্য দিচ্ছে না।’

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এরপর মাহমুদ ওরফে সেতু অন্যদের ‘মারতে থাক’ বলে নির্দেশ দেন। এরপর আবার ক্রিকেট স্টাম্প ও দড়ি দিয়ে আবরারকে মারধর করা হয়। ইফতি মোশাররফ ও অনিক সরকার তাকে স্টাম্প দিয়ে পেটাতে থাকেন। হাতের কনুই দিয়েও আবরারের পিঠে আঘাত করা হয়। পরে উপস্থিত সবাই মিলে তাকে কিল-ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারতে থাকেন।

ওই কক্ষ থেকে বের হওয়ার আগে অনিক সরকার ও মেহেদী হাসান ওরফে রবিন অন্যদের বলেন, ‘তোরা আবরারের কাছ থেকে তথ্য বের কর।’ এরপর মনিরুজ্জামান মনির জানান, তিনি আবরারের মোবাইল পরীক্ষা করে শিবিরের তথ্য পেয়েছেন। এরপর তিনি ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে আবরারকে মারধর করেন।

তাবাখখারুল, নাজমুস সাদাত, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম এবং মুনতাসির আল জেমিও আবরারকে চড়-থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে। পরে অনিক সরকার আবার ওই কক্ষে ঢুকে ক্রিকেট স্টাম্প হাতে নেন এবং আবরারকে আরও ৪০ থেকে ৫০টি আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, একপর্যায়ে আবরার বমি ও প্রস্রাব করে ফেলেন। তিনি বাঁচার জন্য ইশারা-ইঙ্গিতে আকুতি-মিনতি করলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, রাতভর নির্যাতনের একপর্যায়ে আবরার নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে তাকে সিঁড়ির কাছে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা রাতের খাবার খেতে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার মরদেহ সিঁড়ি থেকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে রাখা হয়। ভোরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

হলের সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজনকে আবরারকে ধরে সিঁড়ির দিকে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সে সময় হলের প্রাধ্যক্ষ জাফর ইকবাল খান জানিয়েছিলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে খবর পেয়ে বুয়েটের চিকিৎসক এসে পরীক্ষা করে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ ও অনুসন্ধান প্রকাশিত হয়েছে। গণমাধ্যমের এক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, বুয়েটের ‘আড়ি পেতে শোনা’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে ভিন্নমতাবলম্বী ও ধর্মীয়ভাবে অনুশীলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল, যা পরবর্তী সময়ে নির্যাতনের ক্ষেত্র তৈরি করে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

অনুসন্ধানে বলা হয়, ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করা ওই গ্রুপটি ২০১৩ সালের শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় থেকে শাহবাগপন্থি ও ইসলামবিদ্বেষী অবস্থান নেয়। গ্রুপটির তৎকালীন প্রশাসক প্যানেল ‘বুয়েটকে শিবিরমুক্ত করার’ প্রচার চালায়। এর অংশ হিসেবে ২০১৪ সালে গ্রুপটিতে ৪৪ জন শিক্ষার্থীর একটি নিষিদ্ধ তালিকা প্রকাশ করা হয় বলে অনুসন্ধানে দাবি করা হয়। তালিকায় শিবির বা সরকারবিরোধী মত পোষণকারী শিক্ষার্থীদের নামও ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

ওই তালিকায় থাকা বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্তত ১৪ জন ছাত্রলীগের নির্যাতনের শিকার হন বলে অনুসন্ধানে দাবি করা হয়। তালিকা তৈরি ও প্রকাশের সঙ্গে তৎকালীন প্রশাসক প্যানেলের সদস্য জাভেদ ইকবাল, মিশকাত আল আলভি, মাসুদ করিম খানসহ অনেকে জড়িত ছিলেন বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়।

অনুসন্ধান অনুযায়ী, ‘আড়ি পেতে শোনা’ গ্রুপের চিহ্নিত সদস্যরা তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন, যেখানে কাউকে ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে নির্যাতন করাকে বৈধতা দেওয়া হতো। বিভিন্ন পোস্টে এ ধরনের নির্যাতনের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হতো বলেও অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ‘শিবিরমুক্ত’ করার নামে ধর্মভীরু শিক্ষার্থীদেরও শিবির আখ্যা দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে নির্যাতনের ভয়ে সহপাঠীরাও আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে সাহস পেতেন না। আবরার ফাহাদকে ওই পরিবেশের সবচেয়ে মর্মান্তিক শিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজউকের ১২৬৯ ভবনের মালিককে চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা

এছাড়া ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বুয়েটের ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নির্যাতনের বিষয়ে প্রশাসন অবগত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি—এমন অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে ওঠে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা বা সহযোগিতা নির্যাতনের পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিল বলেও অভিযোগ করা হয়।

আবরার হত্যাকাণ্ডের পর সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ ও ক্ষোভ দেখা দেয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ২৫ জনকে আটক করা হয়। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর আদালত ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নিম্ন আদালতের রায়ের পর ২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে মামলার নথি হাইকোর্টে পৌঁছায়।

২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। পরে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্ট রায় দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। তবে রায়ে সন্তুষ্ট থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ কোনো আপিল করেনি।

এখন চূড়ান্ত বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। দুই ধাপের বিচার শেষ হলেও মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে কত সময় লাগবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কোনো পক্ষ।

আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজও বুয়েটে পড়াশোনা করছেন। ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগপত্রে বর্ণিত ঘটনার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।

আবরার ফাহাদ হত্যার আগে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া শেষ পোস্টটি ছিল ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর। ওই পোস্টে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কয়েকটি বিষয় নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

পোস্টে আবরার ফাহাদ লিখেছিলেন, দেশভাগের পর বাংলাদেশের পশ্চিমাংশে কোনো সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ছয় মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি চাইলেও ভারত তা দেয়নি বলে তিনি দাবি করেন। পরে দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় উদ্বোধনের আগেই মংলা বন্দর খুলে দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। এরপর তিনি লেখেন, ‘ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ ইন্ডিয়াকে সে মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে।’

পোস্টের দ্বিতীয় অংশে কাবেরী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর বিরোধের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আবরার। তিনি লিখেছিলেন, যে দেশের একটি রাজ্য অন্য রাজ্যকে পানি দিতে চায় না, সেখানে বাংলাদেশ বিনিময় ছাড়া প্রতিদিন দেড় লাখ ঘনমিটার পানি দেবে।

তৃতীয় অংশে তিনি ভারতের উত্তরাঞ্চলে কয়লা ও পাথর রপ্তানি বন্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গ্যাস দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, গ্যাসের অভাবে বাংলাদেশের কারখানা বন্ধ করতে হলেও নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

পোস্টের শেষে কবি রজনীকান্ত সেনের ‘পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি’ কবিতার কয়েকটি পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করেন আবরার।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থীদের একাংশের ভাষ্য, বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক নিপীড়নের পরিবেশেরই মর্মান্তিক পরিণতি ছিল আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড।

সাত বছর পরও আবরার ফাহাদের নাম বাংলাদেশে একটি আলোচিত ছাত্রহত্যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তার পরিবার, সহপাঠী ও সমর্থকদের কাছে তিনি ভিন্নমত প্রকাশের কারণে নিহত এক মেধাবী শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশে আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের একটি স্মরণীয় প্রতীক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহেশপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী রিওন হোসেন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ এম


মহেশপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী রিওন হোসেন নিহত

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ট্রাকের চাপায় নিহত হয়েছেন রিওন হোসেন (২২) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী। এই দুর্ঘটনায় তাঁর বন্ধু নাফিজ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার কাটাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রিওন হোসেন মহেশপুর উপজেলার কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের রেজাউল ইসলাম মন্টুর পুত্র।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোন কেনার উদ্দেশ্যে বন্ধু নাফিজকে নিয়ে মোটরসাইকেলে কালীগঞ্জে গিয়েছিলেন রিওন। কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার সময় কাটাখালী এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাঁদের মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এই ঘটনায় রিওনের মৃত্যু ঘটনাস্থলেই ঘটে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত নাফিজকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। ঘাতক ট্রাকটিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেরিনোর জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়িয়ে স্পেনের জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


মেরিনোর জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়িয়ে স্পেনের জয়

প্রথম রাউন্ডে স্পেনের কাছে পরাজিত ক্রোয়েশিয়া নিজেদের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই লিড গ্রহণ করে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে জোড়া গোল করে স্পেনকে একটি অসাধারণ জয় উপহার দেন মিকেল মেরিনো। ম্যাচের শেষের দিকে ক্রোয়েশিয়ার একমাত্র গোলদাতা ইভান পেরিসিচ লাল কার্ড দেখার পর ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে ক্রোয়েশিয়া আর ম্যাচে ফিরে আসতে পারেনি।

চারটি ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই জয় নিয়ে ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে স্পেন। অপরদিকে, সমান সংখ্যক ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া।

ম্যাচের শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে দল সাজান ক্রোয়েশিয়ান কোচ। তারা মাঝমাঠে বল দখলের লড়াইয়ে না গিয়ে স্পেনের ব্যাকলাইন থেকে বিল্ড-আপ প্লে নষ্ট করার দিকে মনোযোগ দেয়। ক্রোয়েশিয়া আক্রমণে স্পেনের রক্ষণের দুই উইং-ব্যাক পজিশন ধরে এগিয়ে যেতে থাকে। এর ফলস্বরূপ তারা দ্রুত গোল পায়।

১৭তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত ধরে একটি চমৎকার কাউন্টার অ্যাটাক থেকে কোণঘেঁষা শটে ইভান পেরিসিচ দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। গোল পাওয়ার পর ক্রোয়েশিয়া মিডব্লকে নেমে এসে নিজেদের ডি-বক্সের আশপাশে জায়গা সংকুচিত করে ফেলে, ফলে প্রথম অর্ধে স্পেনের প্রথাগত পজেশন ভিত্তিক ফুটবল খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে থাকা স্পেন খেলার ধরণ পরিবর্তন করতে দ্রুত মিডফিল্ডে পরিবর্তন আনে। মিকেল মেরিনো মাঠে নামার পর স্পেনের পুরো আক্রমণভাগে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। স্পেন তাদের বল পজেশন আগের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক করে তোলে এবং পুরো ম্যাচে প্রায় ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখে।

উইং থেকে বল ভেতরে এনে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্সিভ ব্লককে একের পর এক পাসে ব্যস্ত রাখে স্প্যানিশ মিডফিল্ডাররা। ৬১তম মিনিটে দানি ওলমোর বাড়িয়ে দেওয়া সূক্ষ্ম পাসে বক্সে ঢুকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে স্পেনকে ১-১ সমতায় ফেরান মেরিনো। গোলটির পেছনে ছিল স্পেনের দ্রুত পাসিং ও পজিশন পরিবর্তনের নিখুঁত প্রয়োগ।

ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে ঘটে চরম নাটকীয়তা। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পাশাপাশি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন স্বাগতিকদের গোলদাতা ইভান পেরিসিচ।

একজন কম নিয়ে খেলতে গিয়ে ক্রোয়েশিয়া পুরোপুরি জমাট রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করতে বাধ্য হয়, যা স্পেনের উইং-ব্যাক ও মিডফিল্ডারদের আক্রমণভাগে অবাধে বিচরণের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে ৮৮তম মিনিটে জুবিমেন্দির চতুর পাস ধরে ডি-বক্সের ভেতর থেকে ক্লাসিক ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্পেনকে ২-১ ব্যবধানের জয় এনে দেন মেরিনো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চসিক মেয়রের হস্তক্ষেপে গ্রেফতার এড়াল শীর্ষ সন্ত্রাসী বগা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


চসিক মেয়রের হস্তক্ষেপে গ্রেফতার এড়াল শীর্ষ সন্ত্রাসী বগা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়রের হস্তক্ষেপের কারণে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং লিডার এবং নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন বগা গ্রেফতার থেকে রক্ষা পেয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ নগর ভবনে গেলে বাধার সম্মুখীন হয়। পরে পুলিশ বগাকে গ্রেফতার না করেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই সাংবাদিককে মেয়রের অনুসারীরা হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বগা নগর ভবনে অবস্থান করছেন- এমন খবর পেয়ে খুলশী থানা পুলিশের একটি দল রাত ৮টার দিকে সেখানে পৌঁছায়। নগর ভবন থেকে বের হলে তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ প্রস্তুতি নেয়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি জানার পর মেয়রের কার্যালয়ে অবস্থানরত বগা বের হননি। কিছু প্রত্যক্ষদর্শী ওই সময় তাকে নগর ভবনে দেখেছেন বলেও জানিয়েছেন।

একপর্যায়ে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন ভেতরে প্রবেশ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মেয়র তাকে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে চলে যেতে বলেন। প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর রাত ৯টার দিকে পুলিশ বগাকে গ্রেফতার না করেই নগর ভবন ত্যাগ করে।

এরপর মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগর ভবন থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ করেন। বগার অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়রের অনুসারীরা তাদের ধাক্কা দেন এবং কয়েকজনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গাড়িতে ওঠার আগে মেয়র সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা এখানে কী জন্য এসেছেন? সিটি করপোরেশনে একশ’ মানুষ আসবে। আপনারা চলে যান।’

ঘটনার বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা ডিসি-উত্তরের কার্যালয়ে গেলে সেখানে খুলশী থানার কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক চলছিল। প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাত পৌনে ১২টায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা জানান, ডিসি-উত্তর কার্যালয়ে কেউ নেই।

এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে খুলশীর ওয়্যারলেস মোড় এলাকায় বগাকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। তখন পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করে বগা বাসার গোপন পথ দিয়ে পালিয়ে যান। বগার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২৩টি মামলা রয়েছে। সর্বশেষ এক সপ্তাহ আগে বগার গ্রুপের হাতে প্রতিপক্ষ গ্রুপের এক কিশোর গ্যাং সদস্য নিহত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের দাবি, মুসলিমরা ফ্রান্স দখলের চেষ্টা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ এম


ট্রাম্পের দাবি, মুসলিমরা ফ্রান্স দখলের চেষ্টা করছে

শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা, শিক্ষকদের অভাব এবং শিক্ষাখাতে অর্থায়ন কমানোর পরিকল্পনার কারণে গত দুই সপ্তাহ ধরে ফ্রান্স সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলন এখন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশের বিভিন্ন শহরে শিক্ষার্থীরা সড়কে নেমে প্রায় দুই হাজার স্কুল ব্লকেড করেছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মুসলিমরা ফ্রান্স দখলের চেষ্টা করছে। তার মতে, ব্যাপকহারে অভিবাসী আসার সুযোগ দেওয়ার ফলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ফ্রান্সে যা ঘটছে তা ব্যাপক নিয়ন্ত্রণের বাইরে ব্যাপক অভিবাসনের ফল। এটি কোনো স্কুলের বিষয় নয়, বরং ইসলামের বিষয়, যা এক সময়ের গ্রেট দেশ ফ্রান্স দখলের চেষ্টা করছে।

এর আগে গত আগস্টে আসন্ন মধ্যবর্তী মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থীদের ‘জিহাদি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গত সপ্তাহে মিশিগানের প্রাইমারি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদের প্রসঙ্গে তিনি এমন মন্তব্য করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

অধিকারকর্মীরা বলছেন, নভেম্বরের নির্বাচনের আগে ডানপন্থি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ও নির্বাচিত কর্মকর্তাদের মধ্যে এ ধরনের বক্তব্য ক্রমবর্ধমান ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্যকে আরও উসকে দিচ্ছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার পর ফরাসি সরকার এটি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকুরমু শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার মন্ত্রীদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো যেসব শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকেন তাদের বাদ দিতে হবে। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দীর্ঘসময় ক্লাস চলার বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে এবং দুপুরের খাবারের জন্য আরও বেশি সময় দিতে হবে।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী, পুরাতন স্কুলগুলোর পর্যবেক্ষণ করে এগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে শিক্ষাখাতে বাজেট কমানোর জন্য সরকারের পরিকল্পনা থেকে সরে আসাও তাদের অন্যতম বড় দাবি।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%