বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৫৬ পি.এম
যশোরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত অবসর ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পুনরায় চালু হওয়ায় আনন্দ সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর জেলার ২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষক-কর্মচারী ইতোমধ্যে মোট ৮৭ কোটি টাকা পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় যশোর জেলা শাখার শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের উদ্যোগে প্রেসক্লাব যশোরের শহীদ গোলাম মাজেদ মিলনায়তনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
বক্তৃতায় প্রধান অতিথি উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পুনরায় চালু হওয়া শুধুমাত্র একটি আর্থিক প্রাপ্তি নয়; এটি হাজার হাজার শিক্ষকের সম্মান এবং ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার বিষয়।’
তিনি আরও জানান, গত ১৭ বছরে শিক্ষকরা নানা ধরনের বঞ্চনার শিকার হয়েছেন এবং এ তহবিলের অর্থ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে।
এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তিনি ধন্যবাদ জানান।
সমাবেশে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের জেলা সভাপতি মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুর রহমান মধু।
সমাবেশ শেষ হওয়ার পর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দড়াটানা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রিপেইড মিটার বাতিল এবং পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের দাবিতে রংপুরে ‘স্তব্ধ রংপুর’ কর্মসূচি পালন করেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের নেতা-কর্মী ও গ্রাহকেরা।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শাপলা চত্বর থেকে জাহাজ কোম্পানি মোড় পর্যন্ত যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ সময় শাপলা চত্বর ও জাহাজ কোম্পানি মোড়ে দুটি পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাপলা চত্বরের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন। সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখতে দেখা যায় কমিটির উপদেষ্টা মির্জা বাবর বাবুল, আবু ছালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সোহেল, সদস্য শাহিদুল ইসলাম সুমনসহ প্রিপেইড মিটারের কয়েকজন ভুক্তভোগীকে।
জাহাজ কোম্পানি মোড়ের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুরের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বাবলু। কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন বাসদ রংপুর জেলার সদস্যসচিব মমিনুল ইসলাম, সিপিবি রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি সাজেদুল ইসলাম সাজুসহ আরও অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, প্রিপেইড মিটার গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁরা অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার বাতিল করে আগের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের দাবি জানাচ্ছেন।
বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ‘জনগণ যে প্রিপেইড মিটার চায় না, আজকের স্তব্ধ রংপুর কর্মসূচি সফল হওয়ার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণিত হয়েছে।’ তিনি নেসকোকে অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার খুলে নিয়ে ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
কর্মসূচি থেকে নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল না হলে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নেসকোর রংপুর কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। এ সময় ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের দাবিতে হাজার হাজার আবেদনপত্র নিয়ে কার্যালয় ঘেরাও করার ঘোষণা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানকে অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বোর্ডের চিঠি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডিতে মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুমোদনের তারিখ থেকে এ কমিটির মেয়াদ হবে ছয় মাস।
প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা নতুন সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে।
নবনিযুক্ত সভাপতি জাহিদুর রহমান বলেন, খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি বালুচরের সন্তান হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান ও এলাকার সঙ্গে আত্মিকভাবে সম্পৃক্ত। তাই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবার মতামত ও সহযোগিতাকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজকে আরও এগিয়ে নেওয়াই আমার লক্ষ্য।
এলাকাবাসী বলছেন, নতুন গভর্নিং বডির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোমের প্রাচীন স্থাপনা দেখার জন্য দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করা কিংবা চড়া দামে আইসক্রিম জেলাটো কেনার পরিবর্তে প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি পাওয়ার জন্য টাইবার নদীতে ভ্রমণে স্বস্তির খোঁজ করছেন ঘর্মাক্ত পর্যটকেরা।
এই ভ্রমণটি পর্যটকদের পরিচিত পথের বাইরে নতুন একটি আয়োজন। এটি প্রাচীন এই শহরের প্রাণপ্রবাহ টাইবার নদী ঘুরে দেখার একটি তুলনামূলক নতুন ও ব্যতিক্রমী সুযোগ।
বার্তা সংস্থা এএফপি রোম থেকে এ খবর জানিয়েছে।
ঐতিহাসিক পিয়াজা দেল পোপোলোর কাছে নদীর তীর থেকে র্যাফটিং শুরু হয়। ফোলানো র্যাফটগুলো শহরের সবচেয়ে বেশি ছবি তোলা কয়েকটি স্থাপনার পাশ দিয়ে ভেসে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সম্রাট হ্যাড্রিয়ানের সমাধিস্থল কাস্তেল সান্ত’আঞ্জেলো। পানির ওপর থেকে দেখা যায় সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার গম্বুজও।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর ট্রাস্থেভেরে এলাকায় প্রাচীন রোমান বন্দরে এসে ভ্রমণটি শেষ হয়। ট্রাস্তেভেরে নামের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘টাইবারের ওপারে।’
সম্প্রতি ‘রোমান র্যাফটিং’ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী ১৯ বছর বয়সী পর্যটক ম্যানুয়েল ফ্রাঙ্ক বলেন, ‘রোমকে অন্যভাবে দেখা, সত্যিই ভালো লাগছে। হেঁটে যা দেখা যায়, তার তুলনায় এটি বিশেষ কিছু।’
তার গাইড জিউসেপ্পে বাত্তালিয়া জানালেন, ৪০ ইউরো (৪৬ দশমিক ৭ ডলার) মূল্যের এই যাত্রায় পর্যটকেরা শহরকে একটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগটি পান। তার ভাষায়, এ পথটি ‘রোমানরা তাদের বিজয় অভিযানে বের হওয়ার আগে যে পথে যাতায়াত করত, অনেকটা সেই পথই অনুসরণ করে।’
প্রাচীন রোমে এবং তার পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ধরে ইতালির তৃতীয় দীর্ঘতম নদী শহরের বাসিন্দাদের পানি ও খাদ্যের জোগান দিয়েছে। এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথও।
৩৭ বছর বয়সী গাইড বাত্তালিয়া বলেন, ‘আমরা সবসময় সড়ক, গাড়ি ও মোটরসাইকেলের কথা ভাবতে অভ্যস্ত। কিন্তু রোম আমাদের নদীপথেও ঘুরে দেখার সুযোগ দেয়।’
দৃশ্যপটের মতো সুন্দর টাইবার দ্বীপের কাছে পৌঁছালে নদীর স্রোত বাড়তে থাকে। তখন হালকা ঢেউ তৈরি হয়। র্যাফটগুলো রোমের প্রাচীনতম পাথরের সেতুগুলোর কয়েকটির নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটকদের গায়ে পানির ছিটা লাগে।
বেলজিয়ামের ৫০ বছর বয়সী পর্যটক সাবিনে মাইসানো পরিবারের সঙ্গে রোমে এসে ভিন্ন কিছু করার একটি সুযোগ খুঁজছিলেন। তিনি বলেন, ‘সারাদিন কয়েক কিলোমিটার হেঁটে বেড়ানোর পর নৌকায় বসে আমরা বিশ্রাম নিতে, ঠাণ্ডা থাকতে এবং আরও স্বচ্ছন্দ গতিতে শহরটি দেখতে পারি, যদিও একটু বৈঠা চালাতে হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় গাঁজাসহ পেয়ারা আহমেদ (২৬) নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বর্তমানে তার সহযোগী মো. লোকমান (২৮) পালিয়ে গেছেন।
আটক পাওয়া পেয়ারা আহমেদ উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের চকলক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল ছাত্তারের ছেলে। অপরদিকে পলাতক লোকমান একই গ্রামের মৃত আতর আলীর সন্তান।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে রাজেন্দ্রপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযানটি সম্পন্ন হয়। বিজিবির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পেয়ারা ও পলাতক লোকমান সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মাদক এনে বিক্রির কাজে লিপ্ত ছিল।
এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম শিবের বাজার বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মো. আব্দুল কালাম বাদি হয়ে গত রাতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে আটক পেয়ারা আহমেদকে আদালতে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, বুধবার বিকেলে বিজিবির সদস্যরা নিয়মিত টহল দেওয়ার সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, রাজেন্দ্রপুর সীমান্তের মেইন পিলার ২০৯৬ দিয়ে ভারত থেকে দুই ব্যক্তি গাঁজা নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছেন। এরপর বিজিবির একটি দল ওই পিলার থেকে প্রায় ৭০ গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়।
একপর্যায়ে বিজিবির সদস্যরা নীল রঙের পলিথিনে মোড়ানো একটি পোটলা হাতে একজনকে এবং তার সঙ্গে আরেকজনকে আসতে দেখতে পান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালানোর চেষ্টা করেন। তখন বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে পেয়ারা আহমেদকে আটক করেন। এ সময় লোকমান পালিয়ে যান।
পরে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সাক্ষীদের সামনে পেয়ারা আহমেদের হাতে থাকা নীল পলিথিনে মোড়ানো পোটলাটি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি করে সেখানে চার কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার হয়। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ হাজার টাকা।
বিজিবির সূত্র আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পেয়ারা আহমেদ তার সহযোগী হিসেবে লোকমানের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, তারা ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে এটি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে হেফাজতে রেখেছিলেন।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার এসআই রায়হান জানান, ১৭ আগস্ট সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকলক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ১২ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ আব্দুল লতিফের ছেলে হৃদয়কে আটক করা হয়েছে। এ সময় পেয়ারা ও জাহাঙ্গীর পালিয়ে যান।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেছেন, ‘বিজিবি একজন আসামিকে গাঁজাসহ থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এজাহারে আরো একজনের নাম উল্লেখ আছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ