বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫১ পি.এম
খুলনা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, ডুমুরিয়া উপজেলার সলুয়ায় নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টের মেশিনারিজ আজ প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।
ত্রিশ ঘণ্টা পর এর ফলাফল জানা যাবে এবং প্রথম পরীক্ষামূলক চালু করায় প্রকৌশলীগণ একটি রিপোর্ট প্রদান করবেন। প্লান্টের কার্যক্রম সফল হলে খুলনার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উম্মোচিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রকল্পটির সফলতার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, "বর্জ্য বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত হবে" এবং "এটি দেশের অন্যন্য সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের জন্য একটি মডেল প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।"
সিআরডিপি-২ প্রকল্পের টিম লিডার মো. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর সাবেক চেয়ারম্যান ডক্টর এসানুল হক, কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল্লাহ খান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মাহবুবুর রহমান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন মোল্লা, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার মিন্টু মণ্ডল, ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. সোহেল রানাসহ টেকনিক্যাল টিমের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প-২ (সিআরডিপি) এর আওতায় ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সলুয়া ল্যান্ডফিলে বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টটি স্থাপন করা হয়েছে।
প্রকৌশলীগণ আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্লান্টটি সম্পূর্ণরূপে চালু করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলারোয়ায় মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ৮০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাইসাইকেলগুলো প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব শিক্ষার্থীদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেন।
কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির প্রতি শ্রেণির প্রথম ও দ্বিতীয় রোলধারী মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শ্রেণিপ্রতি দুটি করে মোট ১০টি বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৪৩ জন ছাত্রী এবং ৩৭ জন ছাত্র রয়েছে।
বাইসাইকেল বিতরণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল, গার্লস পাইলট হাইস্কুল, মডেল হাইস্কুল, বেত্রবতী হাইস্কুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুল, বামনখালী হাইস্কুল, চন্দনপুর হাইস্কুল ও কাজিরহাট হাইস্কুল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, "সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যেন পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত হয় এবং নিজেদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে, সে জন্য আমরা তাদের পাশে আছি।"
পাইলট হাইস্কুলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরীফুজ্জামান তুহিন, বেত্রবতী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ রাশেদুল হাসান কামরুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান চান্দু ও উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান।
এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : দুই বছরের বিরতির পর আবারও শুরু হয়েছে ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাস এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত প্রমুখ।
এছাড়া, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিএনপি নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে, আজ ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই মেলা আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
এদিকে, এই অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় মেলাকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। ৩০০ বছরের এই মেলা পুনরায় চালু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপি জেলা আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর থেকে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যদিও ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা দলের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, এ কারণে মো. নাজমুল ঠাকুরকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।
বহিষ্কারের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ইটনা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুর গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
অভিযোগের গুরুত্ব ও তীব্রতা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি কিশোরগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী মো. নাজমুল ঠাকুরকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে মো. নাজমুল ঠাকুর তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ইয়াবা সেবনের ভিডিওটি ফেক বলে দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই জোনের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেনাসদর সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধান দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার জন্য তিনি সাধুবাদ জানান।
সেনাসদস্যদের নির্দেশনা দিয়ে তিনি ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
সফরকালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার, সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ