বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫২ পি.এম
সাতক্ষীরা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : দুই বছরের বিরতির পর আবারও শুরু হয়েছে ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাস এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত প্রমুখ।
এছাড়া, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিএনপি নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে, আজ ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই মেলা আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
এদিকে, এই অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় মেলাকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। ৩০০ বছরের এই মেলা পুনরায় চালু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপি জেলা আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর থেকে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যদিও ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা দলের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, এ কারণে মো. নাজমুল ঠাকুরকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।
বহিষ্কারের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ইটনা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুর গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
অভিযোগের গুরুত্ব ও তীব্রতা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি কিশোরগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী মো. নাজমুল ঠাকুরকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে মো. নাজমুল ঠাকুর তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ইয়াবা সেবনের ভিডিওটি ফেক বলে দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই জোনের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেনাসদর সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধান দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার জন্য তিনি সাধুবাদ জানান।
সেনাসদস্যদের নির্দেশনা দিয়ে তিনি ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
সফরকালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার, সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সাইনবোর্ড শান্তিনগর-শান্তিধারা এলাকায় প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ভিডিওতে অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়া তরুণটি মো. শান্ত, যিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলাসহ ১০-১২টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও এজাহারনামীয় আসামি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তের পরিচয় মো. শান্ত হিসেবে। তিনি শান্তিধারা ১ নম্বর রোডের চিহ্নিত ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী রাজ্জাকের ছেলে এবং স্থানীয় ছাত্রদল নেতা রায়হানের ভাই।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, শান্ত দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। একাধিক মামলার পরও প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা প্রচার করে এলাকায় সন্ত্রাসী প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন।
শান্তিধারা ও সাইনবোর্ড এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষ গভীর উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় সমাজসেবকরা ওই চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার এবং তার হেফাজতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ ও যৌথ অভিযানের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, "অস্ত্র হাতে সিগারেট টানার ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পর সে আবার আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে কাজ করছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে মন্তব্য করেছেন যে, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন রাজশাহীবাসীর মর্যাদা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। যারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই স্থাপনাটি ধ্বংস করেছে, তারা পুরো রাজশাহীবাসীর সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হেনেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মন্ত্রী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রেলস্টেশনের বিভিন্ন ভাঙচুরের স্থান পরিদর্শন করেন।
মন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া বাহিনীর’ তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট রাজশাহী ও ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর যেভাবে হামলা চালিয়ে শহীদ সাকিব আনজুমসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী রেলস্টেশনে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, রেলস্টেশনের ভাঙচুর ও নাশকতার ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।
যারা এ ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া বক্তব্য ছড়াচ্ছে, তাদের ‘রাজশাহী ও রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, প্রযুক্তি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজশাহীবাসীকে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বহিরাগত কোনো শত্রু বা ষড়যন্ত্রকারী যদি চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে রাজশাহীবাসী অতীতে যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, ভবিষ্যতেও একইভাবে তার উপযুক্ত জবাব দেবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট।
এ ছাড়া রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা, সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম, শফিকুল ইসলাম শাফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ