০৫:৪৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ হয়ে গেছে।
নতুন করে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি এই ঘোষণা দেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে।
বুধবার আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে তিনি মিত্র দেশগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে সমর্থন না দেওয়ার জন্য ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করেন। ট্রাম্প মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে তার যুদ্ধের প্রভাব এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনটি ছাপিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ
এ খবর আঙ্কারা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তিনি এখনও গ্রিনল্যান্ড চান। এই বিষয়ে ইউরোপের বিরোধিতাকে তিনি ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ন্যাটো যা করেছে, তাতে আমি খুবই অসন্তুষ্ট এবং সন্ত্রাসবাদে অংশীদার ইরানের বিরুদ্ধে তারা আমাদের সাহায্য করতে চায়নি।’
স্পেনকে বিশেষভাবে আক্রমণ করে তিনি বলেন, দেশটি ‘ন্যাটোর জন্য ভয়াবহ অংশীদার’। এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘স্পেন ব্যর্থ, কারণ আমরা আর স্পেনের সঙ্গে কোনো বাণিজ্য করতে চাই না।’ তিনি প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে চলমান বিরোধের প্রসঙ্গ টেনে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে ‘সব বন্ধ করে দিতে’ বলেন।
ট্রাম্প আবারও ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের প্রতি নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সুরক্ষার জন্য আমাদের এটি দরকার। এটি শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, এটি ডেনমার্ককে সাহায্য করে না, কিন্তু আমাদের করে।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সম্ভাবনা
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ট্রাম্পের আগের দিনের মন্তব্যের জবাবে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড অবশ্যই বিক্রির জন্য নয়।’
মার্কিন নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আগে মিত্র দেশগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। তবে এর আগে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে জোটের প্রতি ওয়াশিংটনের ‘পূর্ণ প্রতিশ্রুতি’ রয়েছে বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন।
মঙ্গলবার তুরস্কে পৌঁছানোর পর ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ৭৭ বছরের এই ট্রান্সআটলান্টিক জোটের সম্মেলনটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ট্রাম্প সদস্য দেশগুলোর কাছে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ইউরোপ থেকে কিছুটা সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন