ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি ঘিরে ছাত্রদলের প্রচার


ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি ঘিরে ছাত্রদলের প্রচার

‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক প্রচারণার কাজ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মধুর ক্যান্টিনের সংলগ্ন আইবিএ ভবনের সামনে কর্মসূচি-সংক্রান্ত প্রচারণামূলক প্লাকার্ড সাঁটানোর কাজ শুরু হয়।

এ প্রচারণা কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের প্রায় ৬০–৭০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী কর্মসূচিকে সফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মসূচির সমাপ্তির পর মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের তারুণ্য। এই তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নকে বিকশিত করার মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সেই লক্ষ্যেই একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এ কর্মসূচিকে আন্তরিকভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর বিশ্বাস—রাজনীতির পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। আমরা সেই বার্তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছি।’

তিনি জানালেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যে জাতি তারুণ্যের স্বপ্নকে মূল্যায়ন করে, সেই জাতিই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেয়। তাই তরুণদের কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সবসময় ইতিবাচক, সৃজনশীল ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের পাশে থাকবে।’

আরও পড়ুন: সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেতারাও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ধরনের প্রচারণার কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে, যাতে অধিক সংখ্যক তরুণ এ উদ্যোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সম্পৃক্ত হতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্তমান সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


বর্তমান সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে

জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, যে সকল মানুষের আশা নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন তারা দেখছেন, তা সরকারের মাধ্যমে সফলভাবে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে।

এই বক্তব্যটি রাষ্ট্রদূত টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার, জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত একটি আলোচনা সভায় প্রদান করেছেন। আজ শুক্রবার দিল এক তথ্য বিবরণীতে এই তথ্য জানানো হয়।

দূতাবাসের আয়োজনে দিবসটির সূচনা শহিদ আবু সাঈদসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে হয়। এই সময়ে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা সভায়, রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং শহিদদের ত্যাগের মহিমা তুলে ধরে বলেন, সেদিনের ঘটনার মাধ্যমে শহিদ আবু সাঈদ যেভাবে অকুতোভয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সে আত্মত্যাগই ছাত্র আন্দোলনকে একটি গণ-আন্দোলনে রূপান্তর করতে এবং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।

রাষ্ট্রদূত আরো মন্তব্য করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি সমতার রাষ্ট্র, ফ্যাসিবাদমুক্ত ও গুম-খুনমুক্ত সুশাসনের রাষ্ট্র গঠনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেয়েছি।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার ফিরে পেয়েছি, যা আমাদের জন্য এক নতুন আশা।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশে যে গণতান্ত্রিক ধারা এবং সুশাসনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা আমাদের জাতি তথা দেশ গঠনে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

শহিদের স্বপ্নের সেই রাষ্ট্র গঠনে সরকারের প্রতিটি ইতিবাচক উদ্যোগকে সফল করতে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত, আহতদের সুস্থতা, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : ফখরুল

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক স্মরণ সভায় কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আজকে অনেকগুলো প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি। আমাদের বিরোধী দল থেকে বলা হচ্ছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি সংসদে আদায় না হলে রাজপথের ফয়সালা হবে।’

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় অধ্যাপক এমাজ উদ্দিন আহমেদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ রিসার্চ সেন্টার ও জাতীয় সাংবাদিক সমিতি যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠান শেষে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এ সময় গণভোট প্রসঙ্গে বলেন, ‘যে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে- সেই গণভোটের একটা অংশে তো আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনাই হয়নি। আমরা বারবার করে যে কথা বলতে চাচ্ছি— উচ্চকক্ষে আনুপাতিক হারে ভোটে যে প্রতিনিধিত্ব হবে সেই বিষয়টাতে আমরা কখনোই একমত হইনি এবং সে সময়ে এ নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে মর্মে আমি নিজেই বিবৃতি দিয়েছিলাম। সেই সংস্কার কমিশন, তারা যে কথাগুলো সেদিন যেভাবে নিয়ে এসেছেন, আমাদের সম্মতি ছাড়া তারা নিয়ে এসেছেন।’।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের বইটা যদি আপনারা পড়েন, সেখানে প্রতিটি জায়গায় বলা আছে, যে দল নির্বাচিত হবে তারা তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী সেটাকে বাস্তবায়িত করবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা বারবারই এই কথা বলে এসেছি এবং উই আর কমিটেড। আমরা ৩১ দফাতে যেমন কমিটেড, ঠিক তেমনিভাবে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও কমিটেড। কিন্তু সেটা আমরা যেভাবে চেয়েছি সেভাবে আমরা বলছি। এখানে বিরোধী দল সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে, তারা বলেছে- আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই না।’

সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে। সংস্কার এদেশে কারা এনেছে? বিএনপি এনেছে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপি নিয়ে এসেছে, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা দেশে বিএনপি নিয়ে এসেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে বিধান সেই বিধান আমরাই সংসদে সারারাত কাজ করে পাশ করেছিলাম। আজকে যখন এ সমস্ত কথাগুলো বলা হয়, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য বলা হয় বলে আমি মনে করি।’

তিনি বলেন, এখন বিরোধী যারা আছেন তারা অনেকে বিভিন্ন রকম মুখরোচক কথা বলে জনগণকে উত্তেজিত করবার চেষ্টা করছেন। জনগণের চেয়ে ভালো তো আর কেউ বোঝেন না। আমরা যতই মনে করি, জনগণ কিন্তু সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তারাই সেই সিদ্ধান্তটা সবচেয়ে ভালো নেবেন যে আমরা সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে কী বলেছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে বিতর্ক হচ্ছে সংবিধান সংস্কার নাকি সংবিধান সংশোধন— এ বিষয়টি নিয়ে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় বলেছি, আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই। কখনোই বলিনি যে, আমরা সংবিধান নতুন করে লিখতে চাই বা মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে চাই।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ম্যানিফেস্টোর ওপর ভিত্তি করে জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সুতরাং ওই জায়গায় কোনও রকমের বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।’

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি মনে করি যে, বিরোধী দল শুধুমাত্র তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই জুলাই সনদকে তারা ব্যবহার করতে চায়। ‘আমরা কিন্তু চাই না যে, জুলাই শুধু ক্ষমতার যাওয়ার জন্য আরেকটা রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হোক।’

বিএনপ‘র সমালোচনার জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সম্পর্কে অনেকে অনেক কথা বলেন। বিএনপির ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, বিএনপির প্রায় ১৭শ’ নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে। এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বিএনপির কয়েক হাজার মানুষ হত্যার শিকার হয়েছে। সুতরাং এই কথাগুলো বারবার করে আমাদের বলতে হয় এজন্য যে, অনেকে এটা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, আমরা লিবারাল গণতন্ত্রের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি, সেই লিবারেল গণতন্ত্রের পক্ষে আমরা যেতে চাই। আমার প্রায় একটা কথা মনে হয় যে, আমরা এখান (লিবারেল ডেমোক্রেসি) থেকে সরে যেতে চাই কেন? ডেমোক্রেসি থাকতে আমাদের সমস্যাটা কোথায়? আমরা গণতন্ত্রের থাকি। বিভাজনের রাজনীতি না করি।

তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, যুদ্ধ করেছিলাম, আমরা স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আবার ২৪শে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লড়াই করে আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছি। এখন একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা যদি সবাই মিলে কাজ করি, তাহলে আমরা আমাদের দীর্ঘদিনের সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, এমাজউদ্দিন আহমেদ রিসার্চ সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুরাছড়িতে বন্যাদুর্গত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


জুরাছড়িতে বন্যাদুর্গত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) তিনি উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলেন দীপেন দেওয়ান। তিনি তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং চলমান ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জুরাছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব দাস, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির, জিয়া পরিষদ সোনালী ব্যাংক পিএলসি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র চাকমা, জেলা তাতীদলের আহ্বায়ক শফি, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ উপজেলা বিএনপি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যের কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তিনি। সভায় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি, ত্রাণ বিতরণের অগ্রগতি, দুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দীপেন দেওয়ান বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে খেলার মতো সামর্থ্য নেই রোনালদোর, ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদোর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৪ পি.এম


বিশ্বকাপে খেলার মতো সামর্থ্য নেই রোনালদোর, ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদোর দাবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে পর্তুগালের হতাশাজনক বিদায়ের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার ও দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী রোনালদো নাজারিও। তার মতে, ৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পক্ষে বর্তমানে বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে পূর্বের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্ভব নয়।

চলতি বিশ্বকাপে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলে পর্তুগিজ এই তারকা। পুরো টুর্নামেন্টে তার পারফরম্যান্স ছিল মিশ্র। গ্রুপপর্বে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ড্র করা ম্যাচে তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন; তবে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫-০ গোলের জয়ে তিনি করেন জোড়া গোল। যদিও এরপরের তিন ম্যাচে তার নামের পাশে যোগ হয় মাত্র একটি গোল। শেষমেশ শেষ ষোলোতেই বিদায় নেয় পর্তুগাল।

ইএসপিএন ব্রাজিলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো নাজারিও বলেন, "একটা সময়ে শরীর নিজেই আপনাকে জানিয়ে দেয় যে আপনি আর আগের মতো পারছেন না। আমার মনে হয় ক্রিশ্চিয়ানো এবং নেইমার দুজনেই এখন সেই পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন, যেখানে শরীরের সঙ্গে লড়াইটা সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে।"

ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তির মতে, ক্লাব ফুটবলে রোনালদো এখনও অবদান রাখার সক্ষমতা রাখেন। তবে বিশ্বকাপে চাপ, গতি ও প্রতিযোগিতার মাত্রা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তিনি বলেন, "সৌদি আরবের লিগে খেলার মতো মান হয়তো এখনও তার আছে। কিন্তু বিশ্বকাপ, সেটা একটি ভিন্ন মঞ্চ। সেখানে খেলার গতি, শারীরিক চাপ এবং প্রতিযোগিতার তীব্রতা অনেক বেশি। এই পর্যায়ে টিকে থাকা সহজ নয়।"

নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন রোনালদো নাজারিও। তিনি বলেন, "ফুটবলের প্রতি যতই ভালোবাসা থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত শরীরই সিদ্ধান্ত নেয়। আমার মস্তিষ্ক এখনও অনেক কিছু করতে চায়, কিন্তু শরীর আর সেই নির্দেশ মেনে চলতে পারে না। খেলোয়াড়দের একসময় এই বাস্তবতাটা মেনে নিতে হয়।"

রোনালদো নাজারিওর এই মন্তব্য ইতোমধ্যেই ফুটবল বিশ্বে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখনও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%