ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ সরবরাহের অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে


গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ সরবরাহের অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনের সময় ভারতের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেখানে আড়াই হাজারের বেশি চালানে কয়েক লাখ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’-এর নতুন প্রতিবেদনের বরাতে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

‘মেড ইন ইন্ডিয়া: দ্য সাপ্লাই অব ওয়েপনস অ্যান্ড অ্যামিউনিশন টু ইসরায়েল’ নামক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এসব সামরিক চালান পাঠানো হয়। এই চালানে মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, ১৫৫ মিলিমিটারের কামানের গোলা, স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোনের বিস্ফোরক এবং সাঁজোয়া যানের যন্ত্রাংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানে পারমাণবিক হামলা হলে জ্বলবে পুরো বিশ্ব! মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন ও কোরীয় উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়তে পারে যুদ্ধের ভয়াবহতা

অ্যামনেস্টির হিসাব অনুযায়ী, এসব চালানে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি বিস্ফোরক অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, প্রায় চার লাখ ছোট অস্ত্রের উপাদান এবং প্রদেয় ২৯৮টি সামরিক যানের সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সংস্থাটির গবেষকেরা আন্তর্জাতিক কাস্টমস ক্লাসিফিকেশন সিস্টেম বা ‘এইচএস কোড’ ব্যবহার করে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই তালিকা প্রস্তুত করেছেন। যদিও দ্বিমুখী ব্যবহারের অস্ত্র বা বেসামরিক কাজের সরঞ্জাম এই হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে গবেষকেরা ধারণা করছেন যে বাস্তবে ভারতের সামরিক সহায়তার পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে ভারতের ৯টি কোম্পানি এবং সরকারের কাছে চিঠি পাঠানো হলেও অ্যামনেস্টি কোনো জবাব পায়নি।

সংস্থাটির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) যেখানে গাজায় গণহত্যার ঝুঁকির কথা জানিয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেখানে ভারত ভান করে থাকতে পারে না। ইসরায়েলি বাহিনী যখন গাজায় অগণিত মানুষের মৃত্যু ও দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে, তখন ভারতীয় কোম্পানিগুলো অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে মুনাফা তৈরি করছে—এটি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনের পর চার দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলল ইরান

কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে সম্পর্ক বেশ জোরদার হয়েছে। বর্তমানে ভারত ইসরায়েলি সমরাস্ত্রের অন্যতম প্রধান ক্রেতা। অন্যদিকে, আইসিজে-তে দক্ষিণ আফ্রিকার তোলা গণহত্যা মামলায় যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পাশাপাশি ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করে এসেছে দিল্লি।

সবশেষ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতের অস্ত্র রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে জাতীয় স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে জাতীয় নিরাপত্তার যেকোনো হুমকিতে ইসরায়েল সব সময় ভারতের পাশে ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবির সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


বেরোবির সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মুস্তাঈন বিল্লাহ সাব্বিরকে হত্যাচেষ্টা সংক্রান্ত মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন শুনানি শেষে আসামিকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত গ্রেফতার দেখানোর পর আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৮ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তর পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. আবু সাঈদ আসামী কলিমুল্লাহকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভিকটিম মুস্তাঈন বিল্লাহ সাব্বির ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন রবীন্দ্র সরণি রোড এলাকায়, আসামিরা মারাত্মক অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উপস্থিত হয়ে অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় ছাত্র-জনতার উপর আকস্মিকভাবে গুলি চালায়। এ সময় একটি গুলি বাদির বাম হাতের কুনই এর মাঝখানে লেগে বিপরীত পাশে বের হয়ে যায় এবং বাদি গুরুতর জখম হয় এবং আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। উপস্থিত লোকজন বাদিকে উত্তরা হাইকেয়ার জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (নিটোর) ভর্তি করেন। ওই ঘটনার ফলে, ভিকটিম নিজে বাদি হয়ে ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বর্তমানে তিনি আছেন কারাগারে আটক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়াদ শেষ, কাজও অসমাপ্ত; সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


মেয়াদ শেষ, কাজও অসমাপ্ত; সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা

ময়মনসিংহের নান্দাইলে মেয়াদ ফুরালেও বিদ্যালয় উন্নয়নের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। হলো ঠিকাদারদের চরম গাফিলতির কারণে, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি) অধীনে ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা এলজিইডি অফিসের সূত্রে জানা যায়, নান্দাইলের এই প্রকল্পের অধীনে ২ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ, ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৬টির সীমানা প্রাচীর এবং ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের আলাদা কক্ষ নির্মাণের কাজ চলমান ছিল। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই কাজগুলো ২০২৪ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারের অবহেলা এবং ধীরগতির কারণে কিছু কিছু প্রকল্পে মাত্র ২০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

এলজিইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে নিয়ম অনুযায়ী মোট ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা ফেরত পাঠানো হয়েছে।

নতুনভাবে যদি ফান্ড পাওয়া যায়, তাহলে বাকি কাজগুলোর জন্য নতুন দরপত্র আহ্বান করা হবে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে কাজের অবস্থা দেখতে পাওয়া যায়। কুরাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ এখনও অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে আছে। জাহাঙ্গীরপুর বালিয়া পুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ এখনো প্রাথমিক পর্যায়েই আটকে রয়েছে। ভবনের গাঁথুনির জন্য মাটির ওপরে কেবল ভীম তৈরি করে সেভাবেই ফেলে রাখা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বকর ছিদ্দিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ভবনটি সময়মতো না হওয়ায় একটি মাত্র ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে।" ক্লাসরুমের অভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

একই পরিস্থিতি চন্ডীপাশা মডেল সরকারি বিদ্যালয়, ধীতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং চর ভেলামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য প্রকল্পগুলোর।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ঠিকাদারদের গাফিলতির শাস্তি কেন শিক্ষার্থীরা পাবে? তারা অবিলম্বে এই সংকট নিরসন করে দ্রুত বিদ্যালয়ের ভবনগুলো সাধারণ শিক্ষার উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, নান্দাইল উপজেলা স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল জানিয়েছেন, ঠিকাদারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সময় বৃদ্ধির পরও কাজ শেষ হয়নি। সেজন্য প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে। ভবিষ্যতে ফান্ড পেলে পুনঃটেন্ডার পক্রিয়া মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ব্যবসায়ী চুন্নু হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ব্যবসায়ী চুন্নু হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার থানার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসায়ী মো. চুন্নু মিয়াকে হত্যা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুইজনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. মামুন ও বাবু ওরফে বাঘা বাবু।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডের পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশও আদালত প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের ভোগ করতে হবে।

বিচার চলাকালে একজন আসামী সজিব মারা যাওয়ায় তাকে মামলাটি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আদেশ আদালত দেন।

ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন সবজি ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কাঁচামাল কেনার উদ্দেশ্যে যাত্রাবাড়ী আড়তে যান।

সেখান থেকে এক বস্তা বেগুন কিনে রিকশায় করে শ্যামবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ভোর ৫ টার দিকে গেন্ডারিয়া থানার কাঠেরপুল এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তার রিকশা আটকে দেন। তারা তার কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। চুন্নু মিয়া আসামিদের পরিচিত হিসেবে জানায়। এই কথাটি শোনার পর সজিব তাকে ছুরিকাঘাত করে।

পরে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনার পর চুন্নু মিয়ার শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর পরদিন গেন্ডারিয়া থানায় ছিনতাইয়ের পর খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

২০১১ সালের ১৪ জুন আসামি সজিব, মামুন ও বাঘা বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গেন্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। একই বছরের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিচার চলাকালে ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও নেপালের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, আঞ্চলিক সংযোগ, পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততা আরও গভীর করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%