প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর গেন্ডারিয়ার থানার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসায়ী মো. চুন্নু মিয়াকে হত্যা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুইজনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. মামুন ও বাবু ওরফে বাঘা বাবু।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডের পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশও আদালত প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের ভোগ করতে হবে।
বিচার চলাকালে একজন আসামী সজিব মারা যাওয়ায় তাকে মামলাটি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আদেশ আদালত দেন।
ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন সবজি ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কাঁচামাল কেনার উদ্দেশ্যে যাত্রাবাড়ী আড়তে যান।
সেখান থেকে এক বস্তা বেগুন কিনে রিকশায় করে শ্যামবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ভোর ৫ টার দিকে গেন্ডারিয়া থানার কাঠেরপুল এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তার রিকশা আটকে দেন। তারা তার কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। চুন্নু মিয়া আসামিদের পরিচিত হিসেবে জানায়। এই কথাটি শোনার পর সজিব তাকে ছুরিকাঘাত করে।
পরে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনার পর চুন্নু মিয়ার শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর পরদিন গেন্ডারিয়া থানায় ছিনতাইয়ের পর খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।
২০১১ সালের ১৪ জুন আসামি সজিব, মামুন ও বাঘা বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গেন্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। একই বছরের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার বিচার চলাকালে ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন