০২:২১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের জন্য এবং শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা শ্রমিকরা আন্দোলনে নেমেছে। ফলে দেশের চা শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে শ্রমিকরা কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। তারা বাগানে বাগানে মানববন্ধন এবং গণবিক্ষোভ মিছিল করছে। তাদের স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মাইজদিহি চা বাগান, জুড়ির সোনারুপা চা বাগানের পুচি ডিভিশন ও সাগরনাল চা বাগান, ফেঞ্চুগঞ্জের মনিপুর চা বাগান এবং চট্টগ্রামের নিউ দাঁতমারা চা বাগানের শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। বাগান মালিকরা মনে করছেন, চায়ের ভরা মৌসুমে শ্রমিকরা আন্দোলন করলে উৎপাদনে বিপর্যয় ঘটবে।
দেশের মোট ১৭২ টি চা বাগানে প্রায় ১ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। এই শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন। প্রতি তিন বছর অন্তর শ্রমিকদের ভোটে ইউনিয়নের নেতা নির্বাচন করা হয়। এই নির্বাচিত নেতারাই সরকারের সঙ্গে এবং মালিক পক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
২০১৮ সালে সর্বশেষ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তার পর থেকে দীর্ঘ আট বছর ধরে আর নির্বাচন হয়নি। ২০২২ সালের পর থেকে শ্রমিকদের মজুরি (বেতন) বাড়েনি। গত চার বছর ধরে সরকার ও শ্রমিক-মালিকের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। এর ফলে চা শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ, নেতৃত্ব সংকট এবং সাংগঠনিকভাবে স্থবিরতা চলছে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক পরেশ কালিন্দি বলেন, 'আর্থিক সংকট ও উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় সময়মতো নির্বাচন হয়নি। তবে এখন আর্থিক সংকট সমাধান হয়েছে। মামলার নিষ্পত্তি হলেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।'
নির্বাচন ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে প্রতিদিন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, জুড়ি, রাজনগর এবং বড়লেখা হবিগঞ্জের বাহুবল, চানুরুঘাট ও মাধরপুর, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিভিন্ন চা বাগানে আন্দোলন করছেন চা শ্রমিকরা।
৫ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি প্রত্যাহার, নতুন মজুরি বোর্ড গঠন, মানসম্মত মজুরি ও নির্বাচনের দাবি নিয়ে গত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা শ্রীমঙ্গলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
এদিকে এমআর খাঁন চা বাগানের মালিক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, 'প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উৎপাদন কম হচ্ছে। আর তার উপর শ্রমিকরা আন্দোলনে গেলে চা শিল্পের বিশাল ক্ষতি হবে।'
বিভাগীয় শ্রম দপ্তর শ্রীমঙ্গলের উপ-শ্রমপরিচালক মোহাব্বত হোসেন জানান, 'কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এবং মজুরির বিষয়টি মালিকপক্ষই দেখবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিন দিন বাড়ছে। এই বাণিজ্য চালিয়ে যেতে মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও সেভাবে বাড়ছে।
লেনদেনের সুবিধার্থে, বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার আজ বুধবারের বিনিময় হার নিম্নরূপ:
বৈদেশিক মুদ্রা – বাংলাদেশি টাকা
মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত ৩০ টাকা ১০ পয়সা।
সৌদির ১ রিয়াল ৩৩ টাকা।
মার্কিন ১ ডলার ১২২ টাকা ৮৬ পয়সা।
ইউরোপীয় ১ ইউরো ১৪৪ টাকা ৬১ পয়সা।
ইতালিয়ান ১ ইউরো ১৪৪ টাকা ৬১ পয়সা।
ব্রিটেনের ১ পাউন্ড ১৬৬ টাকা ৬৯ পয়সা।
সিঙ্গাপুরের ১ ডলার ৯৬ টাকা ৬৯ পয়সা।
অস্ট্রেলিয়ান ১ ডলার ৮৭ টাকা ৪৪ পয়সা।
নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার ৭২ টাকা ৭৩ পয়সা।
কানাডিয়ান ১ ডলার ৮৮ টাকা ২৬ পয়সা।
ইউ এ ই ১ দিরহাম ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা।
ওমানি ১ রিয়াল ৩১৯ টাকা ১৫ পয়সা।
বাহরাইনি ১ দিনার ৩২৭ টাকা ৩৮ পয়সা।
কাতারি ১ রিয়াল ৩৩ টাকা ৯১ পয়সা।
কুয়েতি ১ দিনার ৪০১ টাকা ৭৬ পয়সা।
সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রেঞ্চ ১৪৮ টাকা ৫৯ পয়সা।
দক্ষিণ আফ্রিকান ১ রান্ড ৭ টাকা ৬২ পয়সা।
জাপানি ১ ইয়েন ০.৭৭ টাকা।
ইন্ডিয়ান ১ রুপি ১ টাকা ২৫ পয়সা।
সূত্র: গুগল。
* যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ভিন্ন প্রেক্ষাপট, অভিন্ন প্রত্যাশা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক যুব দিবস চুয়াডাঙ্গায় পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত হয় র্যালি, আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ।
এদিন সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা যুব উন্নয়ন অধিদফতর থেকে একটি র্যালি বের হয়। পরে অধিদফতরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী সমন্বয়কারী নাজমুল কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান আলী এবং ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক জহির রায়হান।
দিবসটির সম্মানে আয়োজিত কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষণার্থী এবং দরিদ্র মানুষের মাঝে পরিবেশন করা হয় গাছের চারা। ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে যুব সবুজ উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের প্রস্তাব তুলে দেওয়ার কথা। তিনি একই সঙ্গে দাবি করেছেন, সেপ্টেম্বরের নির্বাচনের পর রাশিয়া নতুন করে কয়েক লাখ সেনা সমাবেশ করতে পারে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক ভাষণে জেলেনস্কি বলেছেন, ‘আমরা আমাদের প্রস্তাবগুলো মার্কিন পক্ষের কাছে দিয়েছি।’
তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে, বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি, রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ করে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার পরিবর্তে যুদ্ধ অবসানের দিকে দেশটির পরিকল্পনা পরিবর্তনেও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা রাখার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ পঞ্চম বছরে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান শান্তি প্রচেষ্টা যেন স্থবির হয়ে রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি আলোচনা হয়েছে তিন দফায়, কিন্তু এরপর থেকে আলোচনা থমকে গেছে।
মস্কো ও কিয়েভের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ওই অঞ্চলের সশস্ত্র সংঘাতের কারণে শান্তি আলোচনা থমকে গেছে।
এদিকে, জেলেনস্কি তাঁর দেশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে দাবি করেছেন, নির্বাচনের পর সেপ্টেম্বরে রাশিয়া নতুন করে সেনা সমাবেশের পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চান, যা দেখে মনে হবে রাশিয়ার জনগণ যুদ্ধকে সমর্থন করছে। এরপর তথাকথিত নির্বাচনের পর বছরের শেষ নাগাদ কয়েক লাখ রুশ নাগরিককে দ্রুত সেনাবাহিনীতে নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী বছরও একই সংখ্যক মানুষকে সেনাবাহিনীতে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এর বাইরে, বর্তমানে যে চুক্তিভিত্তিক সেনা নিয়োগের প্রচেষ্টা চলছে, সেটিও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুর দিকে রাশিয়ায় আংশিক সেনা সমাবেশের অনুমোদন দিয়েছিলেন পুতিন। ওই সময়ে প্রায় ৩ লাখ মানুষকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছিল।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে দাবি করা হচ্ছে, রাশিয়া নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও रাশিয়ার কর্মকর্তারা এসব দাবি অস্বীকার করছেন। গত মার্চে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছিলেন, নতুন সেনা সমাবেশের বিষয়টি ‘আলোচ্যসূচিতে নেই’।
এ ছাড়া, গত মাসে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভও বলেছেন, দেশটিতে নতুন করে সেনা সমাবেশের ‘কোনো প্রয়োজন নেই’। এ ধরনের বক্তব্যকে তিনি ‘মিথ্যা উসকানি’ ও ‘প্রচার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ