ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডাসারের ইউএনও জাকিয়া সুলতানার বদলি, থাকছেন ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে


ডাসারের ইউএনও জাকিয়া সুলতানার বদলি, থাকছেন ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানাকে বদলি করে মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পরেও তিনি ডাসার উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে, রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কালকিনি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা এবং জনসেবা কার্যক্রম সচল রাখার জন্য। নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী, মাদারীপুর সদর উপজেলার পাশাপাশি ডাসার এবং রাজৈর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে কালকিনি উপজেলার সাথে।

আরও পড়ুন: মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক মো. রায়হান নিহত

ডাসার ও কালকিনিতে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ইউএনওরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে।

একইসাথে, একাধিক উপজেলার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের ফলে মাঠপর্যায়ে সরকারি কার্যক্রম ও জনসেবা কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসা দূষণ বন্ধের দাবিতে রাজশাহীতে স্মারকলিপি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


সিসা দূষণ বন্ধের দাবিতে রাজশাহীতে স্মারকলিপি প্রদান

 

রাজশাহীর প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি ও রিসাইক্লিং বন্ধ করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) বরেন্দ্র অঞ্চলের যুব, পরিবেশবাদী, সেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের বৃহৎ ঐক্য বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম ও গ্রিন কোয়ালিশন এর পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল দুপুর ২টায় রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম এর কাছে স্মারকলিপিটি প্রদান করে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সিসা (Lead) তৈরি করা হয়, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। ব্যাটারি পোড়ানোর সময় তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হয়। এর ফলে পরিবেশ দূষণ এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। বাতাসে সিসার ক্ষুদ্রকণা মিশে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীরে সিসার মাত্রা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এর ফলে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, কিডনি জটিলতা, রক্তশূন্যতা এবং ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও মাটি, পানি ও বাতাস দূষিত হয়, ফসলি জমি নষ্ট হয় এবং গবাদি পশু ও প্রাণবৈচিত্র্য মারা যায়।

ইউনিসেফ ‘দ্য টক্সিক ট্রুথ: চিলড্রেনস এক্সপোজার পলিউশন আন্ডারমিন্স এ জেনারেশন অব পোটেনশিয়াল’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে প্রতি তিন শিশুর একজন বা প্রায় ৮০ কোটি শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম বা তারও বেশি। এ শিশুদের প্রায় অর্ধেকের বসবাস দক্ষিণ এশিয়ায়। বাংলাদেশে আনুমানিক ৩ কোটি ৫৫ লাখ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা ৫ মাইক্রোগ্রাম/ডেসিলিটার। এর ফলে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। সিসার বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত বিশ্বের তিন ভাগের এক ভাগ শিশু। ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, রাজশাহীর পবা উপজেলার বিমানবন্দর সড়কে ফায়ার সার্ভিসের পাশের রাস্তার একটু সামনে “এইট স্টার মেটাল” নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারির ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ব্যাটারি পোড়ানোর কার্যক্রম চলছে। এখানে রাতের আধারে পুরনো ব্যাটারি পোড়ানো হয় এবং সিসা সংগ্রহ করা হয়। অবৈধভাবে ব্যাটারি পোড়ানোর ফলে রাজশাহীর পরিবেশ, প্রাণ-প্রকৃতি, কৃষিজমি ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিবেশ আইন ও নীতিমালাগুলো অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে এ ধরনের কারখানা পরিচালিত হচ্ছে, যার বিরুদ্ধে প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করে বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়।

স্মারকলিপিতে রাজশাহীসহ সারাদেশে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি ও রিসাইক্লিং বন্ধে ৫ দফা দাবি জানানো হয়েছে। দাবিসমূহ হলো- পবাসহ রাজশাহীর সব এলাকায় রাতের আধারে চলা অবৈধভাবে ব্যাটারি পোড়ানো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে; লোকালয় এবং ফসলি জমির পাশে গড়ে ওঠা সব অবৈধ কারখানা স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করতে হবে; পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়া সিসা পোড়ানোর অপরাধে জড়িত মালিকদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে; রাজশাহীর প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নজরদারি বাড়াতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে হবে। বিশেষত সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত এরকম এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে; সিসা দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এলাকায় এলাকায় মাইকিং ও সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করতে হবে। এ কাজে স্থানীয় তরুণ, যুব ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহকে যুক্ত করতে হবে।

এছাড়াও পৃথক স্মারকলিপি রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপ-পরিচালক মোছা: তাছমিনা খাতুন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পবা মো. ইবনুল আবেদীন বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পলি রানী, আমার বাংলা তরুন সংঘের সভাপতি তাহমিদ জাকি, স্বচ্ছলতা এসোসিয়েশন এর সভাপতি ইহতেশামুল আলম জোহা, গ্রিন কোয়ালিশন রাজশাহীর সদস্য মিরাতুজ জাহান মিলি, রাকিব হাসান বাপ্পি, সুমাইয়া খাতুনসহ অন্যান্যরা। স্মারকলিপি প্রদানের সময় জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎকালে রাজশাহীর প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিসা দূষণ বন্ধে উল্লিখিত ৫ দফা দাবিসহ রাজশাহীর পুকুর-দিঘি, জলাশয়-জলাধারগুলো সুরক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঘায় পদ্মার চরে কাজ শেষে ঝুঁকি নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে বাড়ি ফিরছেন মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


বাঘায় পদ্মার চরে কাজ শেষে ঝুঁকি নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে বাড়ি ফিরছেন মানুষ

রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার মধ্যে পলাশিফতেপুর, দাদপুর, চকরাজাপুর চরে তাদের বাড়ি অবস্থিত। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে নৌকা ব্যবহার করে বাঘা সদরে গিয়েছিলেন তারা। কাজ শেষে বাড়ি ফিরতে হবে তাদের। মূল পদ্মা নদী নৌকায় পার হয়ে তারা। কিন্তু নিজ নিজ বাড়ি যাওয়ার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। অবশেষে কোনো উপায় না পেয়ে পানির মধ্যে দিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখা যায় তাদের।

বাঘা উপজেলার পদ্মার মধ্যে মোট ১৫টি চর রয়েছে। এসব চরের অধিকাংশ মানুষ ভূমিহীন অসহায় খেটে খাওয়া নাগরিক। তারা প্রতিদিন প্রকৃতির খামখেয়ালি রূপের সম্মুখীন হয়ে বসবাস করেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষ শুকনো মৌসুমে কৃষি কাজ করে এবং বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। চরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক মন্থর। তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে মিলে মিশে বসবাস করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছেন তারা।

চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, এক সপ্তাহ আগে থেকে পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে পাকা রাস্তা ডিঙিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে পাকা রাস্তার উপর হাটু পানি রয়েছে। এই পানি মাড়িয়ে মানুষ কাজ শেষে বাড়ি ফিরছেন। কালিদাসখালী চরের কলেজ পড়ুয়া ছাত্র মিলন খান বলেন, প্রকৃতির সাথে লড়াই করে চরে বসবাস করতে হচ্ছে তাদের। পানির মধ্যে দিয়ে যারা বাড়ি ফিরছেন, তাদের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছেন। পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার এবং সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে পদ্মার ভাঙনে প্রায় সহস্রাধিক বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, হাজার হাজার বিঘা আবাদি-অনাবাদি জমি পদ্মার গর্ভে চলে গেছে। এই ভাঙনে গৃহহারা হয়েছে হাজারো পরিবার। পদ্মার চরের মধ্যে ১৫টি চর নিয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়েছে। পদ্মায় পানি বাড়ছে, যার ফলে স্বাভাবিকভাবে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুরে পারমাণবিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


রূপপুরে পারমাণবিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহড়া

 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সম্ভাব্য পারমাণবিক ও তেজস্ক্রিয় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি, সমন্বয় এবং সক্ষমতা জোরদারের উদ্দেশ্যে অংশীজন কর্মশালা ও টেবিলটপ জরুরি সাড়াদান অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালাটি ঈশ্বরদীর গ্রিন সিটি এলাকার পিডি হাউসে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) আয়োজন করে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন পাবনা ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা), রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য অংশীজন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পাশ) ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান। সভাপতিত্ব করেন এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান।

কর্মশালার প্রথম পর্বে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি ও সাড়াদান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ড. জাহেদুল হাসান তাঁর উপস্থাপনায় কেন্দ্রটির আধুনিক নিরাপত্তা নকশা, সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তাব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং কার্যকর জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

দ্বিতীয় পর্বে একটি কাল্পনিক জরুরি পরিস্থিতির ভিত্তিতে টেবিলটপ অনুশীলনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর দায়িত্ব, পারস্পরিক সমন্বয়, তথ্য আদান-প্রদান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুশীলন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী উল্লেখ করেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নিরাপদ পরিচালনার পাশাপাশি জনগণের আস্থা অর্জনে কার্যকর জরুরি প্রস্তুতি, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় এবং নিয়মিত মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, জাতীয় বিধিমালা ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (ওঅঊঅ) নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করে অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রস্তুতি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির প্রতি আস্থা বাড়াবে।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. জাহেদুল হাসান বলেন, রূপপুরে ‘সাধারণ জরুরি পরিস্থিতি’ (এবহবৎধষ ঊসবৎমবহপু) সৃষ্টির সম্ভাবনা অত্যন্ত নগণ্য। তবে সম্ভাবনা কম হলেও জাতীয় বিধিমালা ও ওঅঊঅ-এর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখা অপরিহার্য। নিরাপদ পরিচালনা শুধুমাত্র প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে না; দক্ষ জনবল, শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্কৃতি ও কার্যকর জরুরি প্রস্তুতির সমন্বয়ও এর জন্য জরুরি।

তিনি আরও বলেন, এনপিসিবিএলের দক্ষ অপারেশন টিম রাশিয়ার অভিজ্ঞ অপারেটিং বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে কেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রস্তুত। এই সমন্বিত সক্ষমতা জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করার অন্যতম ভিত্তি। রূপপুর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপদ পরিচালনায় জরুরি প্রস্তুতি ও সব অংশীজনের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বায়েরা প্রতিনিধি রব শেখ বলেন, কার্যকর জরুরি প্রস্তুতির জন্য অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত দায়িত্ব পালন এবং নিয়মিত মহড়া প্রয়োজন। কর্মশালায় বক্তারা জানান, সম্ভাব্য পারমাণবিক বা তেজস্ক্রিয় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রস্তুতি জরুরি। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, মহড়া ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে সাড়াদান সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের কর্মশালা ও অনুশীলনের ধারাবাহিক আয়োজন রূপপুরের জন্য কার্যকর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জরুরি প্রস্তুতি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কর্মশালার টেবিলটপ জরুরি সাড়াদান অনুশীলন সমন্বয় করেন এনপিসিবিএলের মো. রাবিউল ইসলাম ও মো. সাব্বির আহমেদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছিনতাইয়ের ৩ বছর পর মিলল মাইক্রোবাস, কীভাবে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


ছিনতাইয়ের ৩ বছর পর মিলল মাইক্রোবাস, কীভাবে!

কক্সবাজারের ঈদগড় থেকে চালককে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাইকৃত মাইক্রোবাস তিন বছর পর উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিকেশন (পিবিআই)। তবে এ সময় কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারলেও আসামিদের শনাক্তের দাবি করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের কলাতলীতে পিবিআই কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বিশেষ পুলিশ সুপার সাফিউল সারওয়ার। 

তিনি জানান, তিন বছর আগে কক্সবাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাওয়ার জন্য ভাড়া করা হয় একটি মাইক্রোবাস। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর সংঘবদ্ধ চক্র চালককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। 

সেই মামলার সূত্র ধরে তদন্ত করে পিবিআই। নানা জটিলতার পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মাইক্রোবাসটি ঢাকার বনশ্রী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%