ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি দেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে: শিক্ষামন্ত্রী


প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি দেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁস কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা হবে না। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন, "এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা দেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে।"

তিনি বলেন, "পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ বা অন্য কোনো মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

শিক্ষামন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, "যদি জানা যায়, পরীক্ষায় নকল হয়নি, অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কোনো মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়, তাহলে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এবং কাস্টডিতে নেবে। তদন্তে সত্যতা মিললে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। সেই সংক্রান্ত আইন করা হয়েছে।"

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

রবিবার (২৮ জুন) সিলেট জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী সাইবার সিকিউরিটি ও আইনি সংস্কারের বিষয়ে উল্লেখ করে জানিয়েছেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁস না হওয়া সত্ত্বেও যারা ফাঁসের মিথ্যা প্রচার চালাবে, তাদের সাইবার সিকিউরিটির আওতায় ট্র্যাক করা হবে।"

তিনি বলেন, "বর্তমান আইনে বিভ্রান্তি ধরার জন্য বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। সেজন্য পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট ১৯৮০ সংশোধন করা হয়েছে।"

এটি জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে।

আরও পড়ুন: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে

মন্ত্রী আরও বলেন, "আপনি প্রোপাগান্ডা ছড়াবেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করবেন, আর আমরা কি চুপ করে বসে থাকব? এটি কোনো জোকস নয়, এটা অ্যাডুকেশন।"

"বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করলেই তাকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে।"

কলেজ জাতীয়করণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, "ঢালাওভাবে কলেজ জাতীয়করণ করার ইচ্ছে সরকারের নেই। যাচাই-বাছাই করে যারা যোগ্য, কেবল তাদেরই নেওয়া হবে।"

তিনি বলেন, "জনস্বার্থ বিবেচনা না করে রাজনৈতিক কারণে কলেজ সরকারিকরণের সমালোচনা করেছেন।"

আরও পড়ুন: বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন হুঁশিয়ারি দেন, "ডিজি অফিসে বসে কোনো ধরনের দালালি চলবে না।"

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সচিব চৌধুরী মামুন আকবরসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেন্দ্র প্রধানরা।

এর আগে রবিবার সকাল ৮টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সরকারি কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে: আইজিপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে জামিন দেওয়া হবে না কেন, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।

রোববার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে, ঢাকা মহানগর আদালত কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন নামঞ্জুর করায়, তিনি পরবর্তীতে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

গত বছরের ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। একদিন পর ২৬ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

গত বছরের ২২ জুন শেরেবাংলা নগর থানায় দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনাকারী কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপি মামলা করে। মামলায় সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুল মোবারক, আবু হানিফ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী, শাহ নেওয়াজ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদা, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, তৎকালীন পুলিশের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, তৎকালীন ঢাকা মহানগরের পুলিশ কমিশনার, সাবেক ডিজি র‌্যাব ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক এসবি প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, সাবেক এনএসআই প্রধান ও সাবেক ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল আলম, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবীব, আলমগীর হোসেন, আনিছুর রহমান ও তৎকালীন নির্বাচন সচিব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আত্মহত্যায় প্ররোচনা: রংপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী একদিনের রিমান্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


আত্মহত্যায় প্ররোচনা: রংপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী একদিনের রিমান্ডে

রংপুরের বহুতল ভবন থেকে নুজশাত জাহানের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত মেডিকেল শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে একদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

রবিবার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় শাহরিয়ারকে আদালতে হাজির করা হলে রংপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ড. মুহাম্মদ রাশেদ হোসাইন এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী আবু হায়দার মো. আব্দুল মুবিন জানান, মামলার উপাদান এবং মোবাইলের তথ্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত সাকিনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে, যা তদন্তের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ১৬ জুন রাতে, সাকিন নুজশাতের সঙ্গে মোবাইলে ৫০ মিনিট ১২ সেকেন্ড কথা বলেন। গত তিন মাসে তাদের মধ্যে ১১৮ বার মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে এবং একে অপরের সঙ্গে ম্যাসেজও আদান-প্রদান করা হয়েছে। গভীর রাতে এত দীর্ঘ সময় একটি ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কথা হতে পারে না বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন আইনজীবীরা।

বিবাদির আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম মন্ডল জানালেন, আমরা সাকিনের জামিন আবেদন করেছিলাম। তবে আদালত আমাদের আবেদন নাকচ করেছে এবং রিমান্ড শেষের পর পুনরায় জামিনের আবেদন দায়ের করা হবে।

অন্যদিকে, উল্লেখ্য যে, গত ২২ জুন বিকালে নগরীর একটি হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে নুজশাত জাহান মৃত্যু বরণ করেন। এ ঘটনায় পরের দিন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন নুজশাতের বাবা নজরুল ইসলাম। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত রংপুর মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র সাকিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভার তথ্য

দেশে গুরুতর অপরাধের হার কমছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


দেশে গুরুতর অপরাধের হার কমছে

মাঠ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা কমছে। চলতি বছরের মে মাসে এপ্রিলের তুলনায় জঘন্য অপরাধের সংখ্যা কমেছে ২৪টি, যা শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩৭টি, অর্থাৎ ৮.৪৪ শতাংশ কমেছে।

মহানগর ডেস্কের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ২১ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সারা দেশের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মাসিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্যটি উঠে এসেছে।

সভায় উল্লেখ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছেন।

সভার উপস্থাপকরা জানান, পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মে মাসে জঘন্য বা গুরুতর অপরাধের সংখ্যা এপ্রিলের তুলনায় ২৪টি বা শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে। সেই সঙ্গে আগের বছরের মে মাসের তুলনায় এ বছরের মে মাসে এ ধরনের অপরাধ ২৩৭টি বা ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকরা প্রতি মাসে সার্বিক পরিস্থিতির প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠান। ঐ প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কেও পাঠানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান জানান, প্রতি মাসে জেলায় পরিচালিত কার্যক্রম বিভাগীয় কমিশনারদের সভায় উপস্থাপন করা হয়। সেখানকার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়। জেলা প্রশাসকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ও কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করে। এভাবেই মাঠ পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। যদি পরিস্থিতির উন্নতি হয়, তবে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়, এবং যদি অবনতি হয়, তবে করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যেসব অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সেগুলোকে গুরুতর বা জঘন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে পূর্বপরিকল্পিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যা (দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধিত)-এর ৯ ধারা অনুযায়ী ধর্ষণ ও ধর্ষণের ফলে মৃত্যু, যৌতুকের কারণে নারীর মৃত্যু, মুক্তিপণের জন্য বা হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ (দণ্ডবিধির ৩৬৪-ক ধারা), রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধের উদ্যোগ (দণ্ডবিধির ১২১ ধারা), সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় উপস্থাপিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ৫২১টি। ২০২৬ সালের এপ্রিলে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা ৪৬৬টি ছিল, এবং মে মাসে তা দাঁড়ায় ৪৮৫টিতে।

রাজশাহী বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ৩৪৯টি, যা ২০২৬ সালের মে মাসে কমে ২৬১টিতে নেমে আসে।

খুলনা বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ২৭১টি, ২০২৬ সালের এপ্রিলে এটি ২১৯টি এবং মে মাসে ২৪২টিতে দাঁড়ায়।

বরিশাল বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ২২২টি, এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে এ সংখ্যা ২২১টি ছিল।

সিলেট বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ১৯৩টি, ২০২৬ সালের এপ্রিলে এটি ১১৯টি এবং মে মাসে ১২৩টিতে দাঁড়ায়।

রংপুর বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ৩১৩টি, যেটি ২০২৬ সালের মে মাসে কমে ২৬৩টিতে দাঁড়ায়।

ময়মনসিংহ বিভাগে ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ১৬৩টি, আর ২০২৬ সালের এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল ১৬২টি।

অপরাধের তুলনামূলক তথ্য অনুযায়ী, মেট্রোপলিটন এলাকায় ২০২৫ সালের মে মাসে গুরুতর অপরাধ ছিল ৪৮৮টি, যা ২০২৬ সালের এপ্রিলে কমে ৪১১টিতে, এবং মে মাসে আরও কমে ৪০২টিতে নেমে আসে।

সারা দেশে ২০২৫ সালের মে মাসে মোট ২ হাজার ৮০৯টি গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৯৬টি এবং মে মাসে কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৭২টিতে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশে অপরাধ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং প্রায় সব ধরনের অপরাধ কমেছে।

তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। এ সময়ের তথ্যের ভিত্তিতে গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। আমি যে পরিসংখ্যান পেয়েছি, তাতে দেখা গেছে ২০২৫ সালের তুলনায় অপরাধ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। প্রায় প্রতিটি ক্যাটাগরিতেই অপরাধ কমেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী (বুস্ট আপ) করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখায় তিনটি আলোচিত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের স্বীকৃতিও দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেফতারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া কয়েক জন পুলিশ সদস্য, দৌলতদিয়ার নৌদুর্ঘটনায় যাত্রীদের প্রাণ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নৌ-পুলিশের তিন সদস্য, এবং মুন্সিগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেফতারে অবদান রাখা তিন পুলিশ সদস্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী ৩০ দিন ইরানের একক নিয়ন্ত্রণে থাকবে হরমুজ প্রণালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


আগামী ৩০ দিন ইরানের একক নিয়ন্ত্রণে থাকবে হরমুজ প্রণালি

ইরান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি জানান, আগামী ৩০ দিন ধরে এই প্রণালিটি একদিনের জন্যও ইরানের একক দখলে থাকবে।তিনি বাগদাদে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

আরাগচি এরপর বলেন, ‘ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সর্বশেষ ফলাফল এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অগ্রগতি সম্পর্কে আমি ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেছি।’

আরাগচি আরো মন্তব্য করেন, ‘এদিকে, আগামী ৩০ দিন ধরে হরমুজ প্রণালি ইরানের পূর্ণ তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় থাকবে। সমস্ত বাধা দূর হলে, তখন এই জলপথের পূর্ণ ব্যবহারের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমরা এই বিষয়ে কাজ করে চলেছি।’

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জোর দিয়ে বলেন, ‘এই দায়িত্ব ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর বর্তায়। এই অবস্থানে অন্য কোনো দেশের ভূমিকা নেই। সমঝোতা স্মারকে এদিকটি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা একতরফা পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করবে এবং প্রণালিটি পুনরায় খোলার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করবে।’

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%