ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্যয় সংকোচনে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার


ব্যয় সংকোচনে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার

ব্যয় সংকোচন ও জ্বালানিসংকট মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ প্রোটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে একজন উপদেষ্টা ও ছয় জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর জন্য এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে, যা গুরুত্ব বিবেচনায় হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ১৮ মন্ত্রীর গানম্যান ও হাউস গার্ড থাকবে। তাঁরা ঢাকার বাইরে সফরকালে পুলিশের এসকর্ট পাবেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা বহরেও কাটছাঁট করা হয়েছিল।

বর্তমানে মন্ত্রিসভায় ২৪ জন পূর্ণ মন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা রয়েছেন। সাধারণ কার্যক্রম অনুযায়ী একজন মন্ত্রীর প্রোটেকশন এসকর্টে একটি উপপরিদর্শক (এসআই) ও চারজন কনস্টেবলের একটি দল থাকে। তাঁদের চলাচলের জন্য সরকারের জন্য বরাদ্দ পুলিশ একটি পিকআপ ভ্যান থাকে। এই এসকর্ট দলের বেতন, ভাতা এবং গাড়ির জ্বালানি ব্যয়ের জন্য সরকার অনুমোদন করে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতির মামলায় প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের ২ প্রার্থীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সূত্র জানাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভিআইপি প্রটোকলে ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেয়। পরে সেই নির্দেশনা পৌঁছানোর পর ডিএমপি কমিশনারকে পাঠানো হয় এবং এই কারণে গত সপ্তাহ থেকে ১৮ মন্ত্রীর প্রোটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

যাঁদের জন্য এসকর্ট সুবিধা এখনো বহাল রয়েছে, তারা হচ্ছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন; পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

অপরদিকে যাঁদের পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে তারা হচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান; সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম; শিল্প, বস্ত্র, পাট ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকারী আবদুল মুক্তাদীর; শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের; শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ, নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সূত্র জানাচ্ছে, ভিআইপিদের নিরাপত্তা ও চলাচলে সুরক্ষা দিতে ঢাকায় একটি সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশ পুলিশের ১,৬৯১ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এরা ৪৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের প্রচারণা শেষ, ভোট বৃহস্পতিবার

পুলিশের প্রটোকল তালিকায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুদক চেয়ারম্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বাংলাদেশের সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে যেকোনো ব্যক্তিকে ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।

সরকার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভিআইপি মর্যাদা দিয়েছে এবং তাঁর নিরাপত্তায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। বঙ্গভবনে ১৩৫ জন পুলিশ সদস্য নিরাপত্তায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে ৪০ জন এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছে।

ডিএমপির সূত্র জানাচ্ছে, ঢাকায় ভিআইপি প্রোটেকশনের জন্য মোট ২,৫৭৫ জন পুলিশ সদস্য প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে ১,৬৯১ জন আছেন, ফলে ৮৯৬ জন সদস্যের অভাব দেখা দিয়েছে। এর ফলে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের মানসিক এবং শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় একাধিক থানার উপর হামলায় অনেক প্রোটেকশন গাড়ি পুড়ে যাওয়ায় গাড়ির সংকট বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় এমপি আজিজের ছেলে মিন্টু পুলিশ হেফাজতে

এ প্রসঙ্গে মন্তব্য জানতে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাপ্রধান তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ এম


সেনাপ্রধান তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন

সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শনিবার দেশে ফিরেছেন, তার পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার, তুর্কি চিপ অব দ্য জেনারেল স্টাফ সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি স্থল বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল ও ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনক ইয়েতকিন-এর সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সেনাপ্রধান তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সি (এসএবি)-এর প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকও করেন। তুর্কি স্থল বাহিনীর সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে এএসআইএসগার্ড, তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (তুসাস) সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১০ এম


ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের

ইরাকের ইরবিলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো প্রায় সবই ধ্বংস হয়ে গেছে, এমন দাবি করেছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরেমিনিয়া।

তিনি বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সম্প্রতি ধারাবাহিক হামলা চালানোর ফলে এরবিলে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

অ্যাকরামিনিয়া আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে ইরান আরাশ-২ ড্রোনের চেয়ে আরও উন্নত এবং বেশি নির্ভুল নতুন হামলাকারী ড্রোন ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকা অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে, এর ফলে অনেক ঘাঁটি তাদের কার্যক্ষমতা ও পরিচালনার ক্ষমতা হারায়।

ইরানি সেনার এই মুখপাত্র জানান, যতক্ষণ না আমেরিকানরা বুঝতে পারছে যে, তারা আগ্রাসনের মাধ্যমে ইরানি জাতির ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপাতে সক্ষম হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত ইরান তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছে।

তবে এসব দাবির প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে ট্রাকসহ ৫০০ বস্তা সরকারি সার জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ এম


ফরিদপুরে ট্রাকসহ ৫০০ বস্তা সরকারি সার জব্দ

ফরিদপুরে ৫০০ বস্তা ডিএপি এবং এমওপি সরকারি সার জব্দ করেছে ট্রাফিক পুলিশ। এ সময় সার বহনকারী ট্রাকটিও জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড় এলাকায় সার ও ট্রাক জব্দ করে পুলিশ। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে সারসহ ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফরিদপুর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট প্রশান্ত কুমার মৌলিক জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো শহরে চলাচলকারী যানবাহনের কাগজপত্র চেকিংকালে সার বহনকারী একটি ট্রাকের কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। ওই ট্রাকের চালক গাড়ির কাগজপত্র দেখালে সেটি সঠিক পাওয়া যায়। তবে ওই সময় গাড়িতে কিসের মালামাল রয়েছে জানতে চাইলে চালক জানান যে, সার রয়েছে। ফরিদপুর সরকারি গোডাউন থেকে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরে সার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

চালক জানিয়েছেন, গাড়িতে ৪৫৬ বস্তা ডিএপি ও ২০ বস্তা এমওপি সার রয়েছে। ওই সারের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি কোনো সঠিক চালান দেখাতে না পারায় সারসহ গাড়িটি জব্দ করে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, সারের চালানের কোনো কাগজপত্র না থাকায় সারসহ ট্রাকটি থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে ট্রাকে থাকা সারের ৬ জন ডিলারের কাগজপত্র নিয়ে আসেন ট্রাকচালক। চালানের কাগজ সঠিক থাকায় রাতেই সারসহ ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে একাধিক সূত্র জানাচ্ছে যে, একটি গাড়িতে ৬ জন ডিলারের সার যাওয়ার কথা নয়। সরাসরি ডিলারের কাছে সার পৌঁছানোর কথাও নয়, বরং সার যাবে গোডাউনে। একজন ডিলারও থানায় আসেনি। ট্রাকের চালক নিয়ে এসেছে কাগজ, যা তিনি আগে দেখাতে পারেননি; এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কেউই কথা বলতে রাজি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আধুনিক যুগে এসেও কেন স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না নোলান, জানালেন কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২১ এম


আধুনিক যুগে এসেও কেন স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না নোলান, জানালেন কারণ

একুশ শতকের অন্যতম সেরা এবং ইতিহাসের অন্যতম ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান তার অনন্য জীবনধারা দিয়ে বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের প্রতিনিয়ত বিস্মিত ও বিস্মিত করে চলেছেন। অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড, গোল্ডেন গ্লোব এবং ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই প্রতিভাবান পরিচালক প্রকাশ করেছেন তার প্রযুক্তিমুক্ত জীবনযাপনের গোপন কথা।

তিনি বলেছিলেন স্পষ্টভাবে যে, তার নিজস্ব কোনো স্মার্টফোন নেই, এবং তিনি কোনো ইমেইল অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করেন না। প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক যুগে স্মার্টফোন না থাকার কারণে তিনি কেবল একটি সাধারণ ফ্লিপ ফোন বা ‘ডাম্ব ফোন’ ব্যবহার করেন। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, স্মার্টফোনের ক্ষতিকর আসক্তি ও মনঃসংযোগের ব্যাঘাত থেকে দূরে থাকতেই তার এই সিদ্ধান্ত।

প্রখ্যাত টক শো ‘দ্য টুনাইট শো উইথ জিমি ফ্যালন’-এ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে নোলান ডিজিটাল মাধ্যম থেকে নিজেকে দূরে রাখার বিষয়টি বিশদভাবে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানটির একটি বিশেষ অংশ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থাপক জিমি ফ্যালন নোলানের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ক্রিস্টোফার নোলানের সিনেমার সেটে কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি নেই। তাও নয়, স্বয়ং নোলানের নিজেরই কোনো স্মার্টফোন নেই এবং তিনি কোনো ইমেইল অ্যাড্রেসও ব্যবহার করেন না—কথাটি কতটা সত্য? উপস্থাপকের এই সরাসরি প্রশ্নের জবাবে, প্রখ্যাত এই পরিচালক হাসিমুখেই স্বীকার করে নেন যে এই তথ্যটি পুরোপুরি সত্য।

ফ্যালন তখন অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করে জানতে চান, কোনো ধরনের ইমেইল বা টেক্সট বার্তা আদান-প্রদান ছাড়াই এত বিশাল বাজেটের সব মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র কীভাবে পরিচালনা করেন তিনি? জবাবে, নোলান তার দৈনন্দিন কাজের এক চমৎকার চিত্র তুলে ধরে বলেন, তার চারপাশে সব সময়েই একদল সহায়তাকারী মানুষ থাকেন, যারা তাকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করেন। ফলে মানুষ বা সহকর্মীরা যে প্রয়োজনীয় তথ্য বা সংবাদ তার কাছে পৌঁছাতে চান, তা থেকে নিজেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন বা দূরে রাখা তার জন্য আসলে বেশ কঠিন। অর্থাৎ, ইমেইল না থাকলেও কাজের কোনো তথ্যই তার কাছে পৌঁছাতে আটকায় না।

কথোপকথনের একপর্যায়ে নোলানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কখনো কোনো স্মার্টফোন ব্যবহারের আকর্ষণ বোধ করেন কি না বা স্মার্টফোন কেনার প্রলোভন জাগে কি না। উত্তরে নোলান বলেন, যখন তিনি কোনো কাজে ভ্রমণ করেন বা বাইরে যান, তখন তার কাছে কেবল একটি সাধারণ ফ্লিপ ফোন বা ‘ডাম্ব ফোন’ থাকে এবং এই ব্যবস্থাটিই তার কাছে দুর্দান্ত মনে হয়। তিনি স্পষ্ট স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেন, যদি তার কাছে একটি স্মার্টফোন থাকত, তবে তিনি এতে মারাত্মকভাবে আসক্ত হয়ে পড়তেন। এই আসক্তির কারণে জীবনের সেই মূল্যবান সময়গুলো হারিয়ে যেত, যেগুলোর মাধ্যমে তিনি সাধারণত চুপচাপ জানালাপথে বাইরে তাকিয়ে নতুন কোনো সিনেমার ভাবনায় কাটাতে ভালোবাসেন।

ক্রিস্টোফার নোলানের ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও কালজয়ী সিনেমা। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার নতুন অ্যাকশন-ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’। এই চলচ্চিত্রটি প্রাচীন গ্রিক কবি হোমারের অমর মহাকাব্য ‘ওডিসি’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে, যেখানে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন, টম হল্যান্ড, অ্যান হ্যাথাওয়ে, রবার্ট প্যাটিনসন, লুপিটা নিয়ংও, সামান্থা মর্টন, জেনডায়া এবং চার্লিজ থেরন।

নিজের উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকার এই আলাদা স্বভাবের কারণে সিনেমার সেটে অনন্য এক সৃজনশীল পরিবেশ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন এই মহান পরিচালক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%