১১:১৯ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। তবে আদালতের রায়ের পর সেই জটিলতা মিটে গেছে। এখন ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু হয়েছে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ফলে যেসব পদ শূন্য হবে, সেইসব পদে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু হবে। পাশাপাশি, ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও বর্তমানে চলছে।
বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামের পিটিআইয়ের কনফারেন্স রুমে 'বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তন প্রত্যাশা' শীর্ষক একটি দিনব্যাপী ক্যাম্পে কর্মশালার শেষ পর্যায়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ববি হাজ্জাজ এসব আলোচনা করেন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. নুরুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: ‘পুলিশে ধরার একদিনের মধ্যে ছাড়া পাইতে হুনছি, খরচ হইছে ৩০ লাখ’
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, নিবন্ধন ছাড়া কোন কিন্ডারগার্টেন অথবা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করা যাবে না। নিবন্ধনের সুযোগ সহজ করা হলেও কেউ তা না মানলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আইনিভাবে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি তদারকির আওতায় থাকার কথা থাকলেও অতীতে কিন্ডারগার্টেন এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা ছিল না। তবে এখন পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে। আমরা প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চাই। স্কুল খোলার ক্ষেত্রে কোন বাধা সৃষ্টি করতে চাই না। তবে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার পরও কেউ তা না নিলে সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নেবে। নতুন মনিটরিং নীতিমালায় বিদ্যালয়ের আয়তন এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। ছোট পরিসরে বিদ্যালয় পরিচালনা করা হলে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী সীমিত রাখতে হবে।
তিনি জানিয়েছেন, বিদ্যালয় তদারকিতে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় জনবল থাকলেও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ইউপিটিসি ইন্সট্রাক্টর এবং পিটিআই ইন্সট্রাক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে শূন্যতা রয়েছে। আইনি জটিলতার কারণে কিছু নিয়োগ এবং পদায়ন আটকে থাকলেও শিগগিরই এসব পদ পূরণের কাজ যাহা হবে। এর ফলে বিদ্যালয়গুলোর মনিটরিং আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে ছয় হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি আদালতের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। আদালতের রায় পেলে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিলের ঘটনায় ১৪ জনের রিমান্ড মঞ্জুর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন