ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বান্দরবানে বন্যাকবলিত ৯২ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ


বান্দরবানে বন্যাকবলিত ৯২ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ

বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৯২টি পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট কনসার্ন (সিডিসি)।

আজ শুক্রবার সকালে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও স্বাস্থ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা এমপি। উনি বন্যাদুর্গত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: পাঁচ দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড়

তিনি বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট কনসার্ন (সিডিসি)-এর নির্বাহী পরিচালক জেমস ভানদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সিনিয়র পিএফ সজল মল্লিক।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সিডিসির প্রকল্প ব্যবস্থাপক লালরিন সাং বম, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জেনস লালথার ঙাক, প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, প্রতিটি পরিবারকে ২০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ লিটার ভোজ্য তেল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ৫ লিটার বিশুদ্ধ পানি, এক বক্স খাবার স্যালাইন, দুটি গোসলের সাবান এবং দুটি কাপড় কাঁচার সাবান প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আশী বছরের বৃদ্ধ নুরুজ্জমানের চুরি হওয়া অটোরিকশা উদ্ধার করলো জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ

তারা আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি খাদ্য ও স্বাস্থ্যগত চাহিদা পূরণে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সেবা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে পুলিশের কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


রাজধানীতে পুলিশের কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে ২১ বছর বয়সী এক পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’ ঘটার খবর এসেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা মোহাম্মদ সোহাগ জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহের কারণে সাইদুল মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইন্সের ২০ তলা ভবনের সপ্তম তলায় নিজের কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে চাদর পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, সাইদুল প্রায় নয় মাস আগে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তার বাড়ি ফেনী সদর উপজেলায়, এবং কর্মস্থলের কারণে তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের ২০ তলা ভবনের সপ্তম তলায় অবস্থান করতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশের ক্যাম্পের পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মৃত্যু ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে জাতিসংঘে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে জাতিসংঘে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, জলবায়ু-সহনশীল এবং টেকসই নগর গড়ে তোলার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মনজুর।

এটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে নিউ আরবান এজেন্ডার মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে, প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মনজুর বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করতে গিয়ে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, "বাংলাদেশ নগরায়ণকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু-সহনশীলতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।"

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় সরকার সাশ্রয়ী আবাসনের সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান যে, এসব উদ্যোগ নিউ আরবান এজেন্ডা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর বাস্তবায়নকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

প্রতিমন্ত্রী পরিবেশন করেন যে, ভবিষ্যতমুখী নগর উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

অবশেষে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি টেকসই নগরায়ণ ত্বরান্বিত করতে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "টেকসই নগর উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে, যেখানেকোনো মানুষ এবং কোনো অঞ্চল পিছিয়ে থাকবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চাষাবাদে ফিরতে সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চাষাবাদে ফিরতে সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেওয়া হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। তিনি আজ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারীদের মাঝে ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

এসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধানের বীজতলা। সেই সাথে তিনি উল্লেখ করেন, বন্যার পানি আসার আগেই কৃষকরা বীজতলা প্রস্তুত করেছিলেন, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের বেশি পানির নিচে থাকায় চারার উপযোগিতা নষ্ট হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব কৃষকের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের হাতে দ্রুত বীজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যাদের জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে এবং এখনই বীজ বোনার সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে উৎপাদিত চারা ১৫ থেকে ২০ দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যাতে তারা পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রোপণ করতে পারেন।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় খুরা রোগ ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের। তাই আজ থেকেই বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।

এছাড়া, বন্যার কারণে সৃষ্ট গোখাদ্যের সংকট মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতেও সহায়তা বাড়ানো হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, মাছ চাষেও কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে মাঠ পর্যায়ে জরিপ চলছে এবং জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও বলেন, কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উৎপাদন এলাকার কাছেই এসব সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হবে যাতে কৃষক অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় ছাড়াই ফসল সংরক্ষণ করতে পারেন এবং বাজারে ভালো দাম পেলে বিক্রি করতে পারেন।

তিনি আরও জানান, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি খাল উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় খনন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেখানে সরকারি খাল দখল হয়েছে, সেগুলো দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে।

এর আগে মন্ত্রী বীজতলায় নিজ হাতে ধানবীজ বপন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধানবীজ বিতরণ করেন, মৎস্যচাষীদের মধ্যে পুকুর পুনর্বাসনের উপকরণ, খামারীদের মাঝে গোখাদ্য বিতরণ এবং গবাদী পশুকে এফএমডি ও পিপিআর রোগের টিকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। মন্ত্রী এর আগে চট্টগ্রাম জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন স উ ম আব্দুস সামাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদন মোঃ শরীফ উদ্দিন

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন স উ ম আব্দুস সামাদ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যা ও সমুদ্রের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা স.উ.ম আব্দুস সামাদ।

এ সময়ে তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাঁশখালী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী ইফাজ উদ্দীনের বাড়ি পরিদর্শন করেন। সেখানে তার হাতে ভালোবাসার উপহার তুলে দেওয়া হয়।

পরে তিনি বাঁশখালীর খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকতের সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় শ্রম ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এস. মহিউল আলম চৌধুরীসহ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অধ্যক্ষ স.উ.ম আব্দুস সামাদ বলেন, "খানখানাবাদ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছে। বর্ষা এবং জলোচ্ছ্বাসের সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপকূলীয় জনসাধারণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।"

তিনি আরও বলেন, "জোড়াতালির সংস্কার দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত এলাকায় আধুনিক, টেকসই এবং দীর্ঘমেয়াদি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতের মধ্যে এই অঞ্চলের অনেক এলাকা মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।" তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। স্থানীয়রা উপকূল রক্ষার জন্য দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ব্যাপারে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%