ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নতুন আইন বাস্তবায়ন করে চিকিৎসকদের হয়রানি বন্ধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: ড্যাব সভাপতি


নতুন আইন বাস্তবায়ন করে চিকিৎসকদের হয়রানি বন্ধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: ড্যাব সভাপতি

সরকার নতুন আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং রোগীদের সুরক্ষায়। নতুন এই আইনের মাধ্যমে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।

তিনি সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় বিএমএ ভবনের শহীদ ড. শামসুল আলম খান মিলন সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান। ড্যাব স্বাস্থ্যখাতের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ‘চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী ও প্রতিষ্ঠান সুরক্ষা এবং রোগী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন’ বিষয়ে মতবিনিময়ের উদ্যোগ নেয়।

সভায় চিকিৎসক নেতারা উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় রোগীর স্বজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হয়রানির শিকার হতে হয় চিকিৎসকদের। তাই নতুন আইনে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি

এসময় ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আইনের প্রয়োজন হতে পারে এবং আইনে সব পক্ষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, রোগীর সুরক্ষার জন্য আলাদা আইন প্রয়োজন নেই। কারণ বিএমডিসি এর জন্য কাজ করছে এবং বিএমডিসি নতুন আইন প্রণয়ন করছে, সেখানে রোগীদের সুরক্ষার জন্য বিস্ময়কর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, চিকিৎসক যদি ভুলবশতঃ রোগীর কোনও ক্ষতি করে, তার জন্য আইনগত ব্যবস্থা রয়েছে। এতে চিকিৎসকের প্রতি কোন সমস্যা হবে না।

ড্যাব সভাপতি জানান, ক্লিনিক, ল্যাবরেটরিজ এবং অন্যান্য বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রবর্তিত ১৯৮২-এর আইনটি অপ্রতুল, এটাকে আপগ্রেড করতে হবে। এর পাশাপাশি, যারা সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চিকিৎসক রয়েছেন, তাদের অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যেন তারা তাদের বেতন ও বিভিন্ন পাওনাদি সঠিকভাবে পেতে পারেন।

ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ড্যাব এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন চিকিৎসক সোসাইটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও পরিচালকবৃন্দ এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের দাবি, মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলায় জড়িত মাদক কারবারিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি বছরে সুদানে অন্তত ৩৩০ শিশু হতাহত: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


চলতি বছরে সুদানে অন্তত ৩৩০ শিশু হতাহত: জাতিসংঘ

সুদানে নিয়মিত সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এর মধ্যে চলমান যুদ্ধে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে অন্তত ৩৩০ শিশু নিহত অথবা আহত হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)।

খার্তুম থেকে এএফপি জানায়, ইউনিসেফের সুদানবিষয়ক প্রধান শেলডন ইয়েট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘শিশুরা তাদের নিজ বাড়িতে, সড়কে, বাজারে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সেবায় পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময়ও নিহত ও আহত হচ্ছে।’

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে একসময়কার মিত্র সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে কয়েক হাজার নয়, দশ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে ত্রাণকর্মীদের ধারণা, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ২ লাখেরও বেশি।

কার্যত অচলাবস্থায় পৌঁছে যাওয়া এ সংঘাতে উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে ড্রোন হামলার ওপর নির্ভর করছে। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, শুধু চলতি বছরেই এসব হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। কর্দোফান অঞ্চলে শিশু হতাহতের প্রায় ৬০ শতাংশের জন্য দায়ী এসব ড্রোন হামলা।

উত্তর কর্দোফানের আল-ওবাইদ শহর গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলার মুখে রয়েছে। এসব হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও বিদ্যালয়সহ বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাতিসংঘ সতর্ক করে জানিয়েছে, আরএসএফ আল-ওবাইদ শহরে বড় ধরনের প্রাণঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

সংস্থাটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে এল-ফাশের শহরে আরএসএফের হামলার সময় যে ধরনের নৃশংসতা সংঘটিত হয়েছিল, আল-ওবাইদেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। জাতিসংঘের এক তদন্তে ওই হামলায় ‘গণহত্যার সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য’ পাওয়া গেছে।

ইউনিসেফ সোমবার জানিয়েছে, ‘পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে আরও বেশি শিশু মৃত্যু, আহত হওয়া, বাস্তুচ্যুতি এবং অন্যান্য গুরুতর সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়বে।’

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সুদানজুড়ে ৫০ লাখ শিশু অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এছাড়া লাখো মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে। এর মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৮ লাখ ২৫ হাজারের বেশি শিশু তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’, স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’, স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা

চলতি ফিফা বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের হাইভোল্টেজ ম্যাচে পর্তুগাল এবং স্পেন মুখোমুখি হতে চলেছে। এই মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ফুরফুরে ও খোলামেলা মেজাজে দেখা গেল। এই ফরোয়ার্ড, যিনি ৪১ বছর বয়সী, আবারও স্পষ্ট জানালেন, এটিই তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং শেষ বিশ্বকাপ।

স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামার দিন একটি আর্জেন্টাইন বিমানবালার সঙ্গে রোনালদো খুনসুটি করেছেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও রসিকতা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে রোনালদো জানালেন, তার সাম্প্রতিক একটি সফরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বললেন, বিমানে আর্জেন্টাইন বিমানবালার সঙ্গে তার বেশ মজার কথোপকথন হয়েছে। রোনালদোর মতে, যেভাবে বিমানবালা তার দিকে তাকাচ্ছে, তা দেখে তিনি বুঝে গিয়েছিলেন যে মেয়েটি আর্জেন্টিনার। তিনি রসিকতা করে বললেন, যদি কেউ দ্রুত চোখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তা বোঝার বিষয় যে সে ক্রিশ্চিয়ানোকে পছন্দ করে না। পরে তিনি হাসিমুখে পর্তুগিজ অধিনায়ক হিসেবে জানালেন যে, তার জীবনসঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজও বুয়েনস আইরেসের মেয়ে, তাই আর্জেন্টিনার মানুষের প্রতি তার আলাদা ভালোবাসা সব সময়ই রয়েছে।

ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়ে, আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো তার উপার্জন নিয়ে একদমই অলস নন। তিনি জানান, ঈশ্বর তাঁকে জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি দিয়েছেন, তাই তিনি এই শেষ বিশ্বকাপটি প্রতিটি মুহূর্তে পুরোপুরি উপভোগ করতে চান।

বয়সকে স্বীকার করে তিনি বলেন, ৪১ বছর বয়সে এসে হয়তো তিনি আগের মতো তরুণদের গতিতে খেলতে পারবেন না, কিন্তু এখনও গোল করার সামর্থ্য এবং চাতুর্য তার ফুরিয়ে যায়নি। এই বিশ্বকাপে ইতিমধ্যে তিনটি গোল করা রোনালদো হাসিমুখে বলেন, সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, তিনি আসলে খুব একটা খারাপ করছেন না।

বর্তমানে গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং আর্লিং হালান্ড সাতটি করে গোল নিয়ে এগিয়ে থাকলেও, পর্তুগিজ অধিনায়ক সেখানে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত নন।

এদিকে, স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও রোনালদোকে নিয়ে সচেতন অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মতে, রোনালদোর মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড় মাঠের যেকোনো জায়গায় এবং ম্যাচের যেকোনো মুহূর্তে একাই ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন। পর্তুগাল এবার টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার উদ্দেশ্যে মাঠে নামবে এবং রোনালদো আশা করেছেন, স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচটি জিতে তাদের এই বিশ্বকাপ যাত্রা আরও দীর্ঘ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী দুপুরে ১০০ টাকার খাবার খান: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী দুপুরে ১০০ টাকার খাবার খান: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুরবেলা ১০০ টাকার খাবার খান। ১০০ টাকায় সখীপুরেও খাবার পাওয়া যাবে না।

আমরা সবাই ১০০ টাকার খাবার খাই দুপুরবেলা।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তন শুরু করে দিয়েছেন। পাঁচ বছরে তিনি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, পরিবেশব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাসহ সব ব্যবস্থাকে একটি পর্যায়ে নিয়ে আসতে চান। দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।’

আজ সোমবার বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, সখীপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত ‘প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি বলব না ৫ বছরে তিনি বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবেন। তিনি যদি আরো কিছু সময় পান, তাহলে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে নিয়ে যাবেন।’

ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা ব্যক্ত করে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দুপুরবেলা ১০০ টাকার খাবার খান। ১০০ টাকায় সখীপুরেও খাবার পাওয়া যাবে না। আমরা সবাই ১০০ টাকার খাবার খাই দুপুরবেলা। প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টায় অফিসে আসেন। শুনেছেন? শোনেননি। আমরা মন্ত্রীরা প্রত্যেক দিন পৌনে ৯টায় অফিসে যাই। আমার দপ্তরে কোনো দিন সাড়ে ৮টা বা পৌনে ৯টায় গেলেও দেখবেন আমি হাজির। অর্থাৎ পরিবর্তনটা শুরু হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রাইমারি শিক্ষাব্যবস্থায় স্বাধীনতার পরে যে ধস নেমেছে, সেই ধস থেকে আপনারা এই শিক্ষাব্যবস্থাকে বের করে নিয়ে আসুন। আপনাদের কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা।’

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটুসহ আরো অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ যোগ দিল আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৩ পি.এম


বাংলাদেশ যোগ দিল আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে

সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগণের সুরক্ষা এবং টেকসই সামুদ্রিক বাণিজ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগদান করেছে।

লন্ডনে অনুষ্ঠিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) লন্ডনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ-এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কনভেনশনে যোগদানের দলিল হস্তান্তর করেন।

এ পদক্ষেপের ফলে দেশের সামুদ্রিক আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান এবং সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ করা সম্ভব হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম নজরুল ইসলাম এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী। আজ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ নৌপরিবহন নিশ্চিতকরণ, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল সামুদ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কনভেনশনসমূহে যোগদান সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ যেসব কনভেনশনসমূহে অনুসমর্থন প্রদান করেছে সেগুলো হলো— আন্তর্জাতিক তেল দূষণজনিত ক্ষতির জন্য দায়বদ্ধতা বিষয়ক ১৯৯২ প্রোটোকল, বাঙ্কার তেল দূষণজনিত ক্ষতির জন্য দায়বদ্ধতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন ২০০১ এবং নাইরোবি আন্তর্জাতিক রেক অপসারণ কনভেনশন ২০০৭।

প্রতিদিনের ভিত্তিতে প্রচুর জাহাজ বাংলাদেশি জলসীমা অতিক্রম করে অথবা দেশের বন্দরসমূহে প্রবেশ করে। এই জাহাজ চলাচলের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে তেল নিঃসরণ, বাঙ্কার জ্বালানি দূষণ এবং জাহাজডুবির মতো ঝুঁকি, যা নৌচলাচল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এগুলি কনভেনশনের মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায়ভার নির্ধারণ এবং বাধ্যতামূলক বীমা নিশ্চিত করবে। ফলে দুর্ঘটনার সময় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর না করে একটি নিশ্চিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

এই অনুসমর্থন দেশের জন্য অর্থনৈতিক সফলতা নিয়ে আসবে। বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজগুলোকে বিদেশি নৌ প্রশাসনের কাছ থেকে কনভেনশন সনদ সংগ্রহ করতে আর প্রয়োজন হবে না। এইভাবে সময় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

এছাড়া, এসব কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা আন্তর্জাতিক চার্টারার, বীমা প্রতিষ্ঠান ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে, বাণিজ্যিক বিলম্ব এবং বিদেশি বন্দরের নানা কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিদর্শনও কমাবে।

বিশ্বের শতাধিক দেশ ইতোমধ্যে এসব কনভেনশনের পক্ষভুক্ত। বাংলাদেশের অনুসমর্থনের ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অবকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যতা অর্জন করল। ক্রমবর্ধমান জাহাজ চলাচল, বন্দর কার্যক্রম ও উপকূলীয় উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত একটি দায়িত্বশীল সামুদ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা আরো শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%