১২:২১ পি.এম
বয়সের হিসেবে বলিউডের অভিনেতা আমির খান বর্তমানে ৬১ বছর বয়সী। তবে তার শরীরের ফিটনেস ও কর্মক্ষমতায় তাকে এখনও অনেকটাই তরুণ দেখা যায়। নিয়মিত শরীরচর্চার সঙ্গে তার দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে আছে একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—ঘি।
সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এসে আমির খান জানান, সকালে তিনি ঘুম থেকে উঠেই এক টেবিলচামচ বিশুদ্ধ ঘি খান। তার ভাষায়, ঘি খেতে তার বেশ ভালো অনুভব হয়।
এখানেই শেষ নয়, আমির খান ছাড়া বলিউডের আরও অনেক তারকাদের খাদ্য তালিকায় ঘি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, করিনা কাপুর খান নিয়মিতভাবে খাবারের সঙ্গে ঘি খান। ভূমি পেডনেকর রুটি কিংবা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে কাঁচা ঘি খেতে খুব পছন্দ করেন। সোহা আলি খানও তার সন্তানের খাবারে ঘি ব্যবহার করেন। আবার আলিয়া ভাট ঘিয়ের সঙ্গে গুড়, গুঁড়ো চিনাবাদাম এবং নারকেল মিশিয়ে খান। নীতু কাপুর খাবারের পর অল্প ঘিয়ের সঙ্গে গুড় খান।
আরও পড়ুন: চোরাচালানের অভিযোগে দিলীপ আগরওয়ালার ৩ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি
ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, যেমন ভিটামিন এ, ডি ও ই। এসব উপাদান ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। ঘিতে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে অবশ্যই তা পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
এছাড়া, ঘি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করতে পারে বলেও মনে করা হয়। এজন্য ত্বক, শরীর ও সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অনেকেই বর্তমানে তাদের খাদ্যতালিকায় পরিমিত ঘি রাখছেন।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, শুধু ঘি খেলেই বয়সের ছাপ থেমে যাবে বা শরীর সুস্থ থাকবে—এমন কোন বিষয় নয়। সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে পরিমিত ঘি খাওয়ার অভ্যাসই হতে পারে উপকারী।
আরও পড়ুন: ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, সরকারী প্রজ্ঞাপন জারি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন