০৪:২১ এম
একটি পডকাস্টে জৈস্মিন জানান, সময়মতো হাসপাতালে না যাওয়ার কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। তিনি জানান, দুবাই পৌঁছোনোর নির্দিষ্ট দিন সন্ধ্যাতেই শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে।
গত মাসে জন্মদিন উপলক্ষে দুবাইয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী জৈস্মিন ভসীন। কিন্তু তাঁর সেই সফর আচমকা স্বাস্থ্যসঙ্কটে পরিবর্তিত হয়ে যায়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন অনুরাগীরা। সম্প্রতি তিনি সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। শুরুতে অসুস্থতাকে তিনি গুরুত্ব না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই ঘটনা তাঁকে বুঝিয়েছে যে এতদিন তিনি নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্টভাবে অযত্ন করেছেন।
একটি পডকাস্টে জৈস্মিন জানান, সময়মতো হাসপাতালে না যাওয়ার ফলস্বরূপ তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ চলে যায়। তিনি জানান, দুবাই পৌঁছোনোর সাথে সাথেই সেই সন্ধ্যায় শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি হালকা জ্বর অনুভব করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, দীর্ঘ সফরের ক্লান্তির কারণে জ্বর এসেছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করান এবং স্যালাইন নেন। জৈস্মিন আশা করেছিলেন, এইসব করলেই সুস্থ হয়ে যাবেন, কিন্তু টানা তিনদিন চলে যাওয়ার পরও তাঁর জ্বর কমেনি।
আরও পড়ুন: ‘জমি দখল-চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছি’ : ইশরাক হোসেন
অভিনেত্রী জানান, জন্মদিনটি তাঁকে হোটেলের ঘরেই কাটাতে হয়। শরীরের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় অবশেষে তিনি বন্ধুদের এবং তাঁর প্রেমিক অলী গোনীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। জৈস্মিন বলেন, “হাসপাতালে পৌঁছে বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। তখন দেখা যায়, শরীরে সংক্রমণ হয়েছে। সিআরপি মাত্রা শূন্য থেকে পাঁচের মধ্যে থাকে। আমার ক্ষেত্রে তা ছিল প্রায় ৩২৩।”
তিনি আরও জানান, চিকিৎসকেরা বিভিন্ন স্ক্যান করেন। কিন্তু এখনও আরও কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। দুবাইয়ের চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁকে একটি জটিল ও গুরুতর অসুস্থতার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। এও ইঙ্গিত দেয় যে, তিনি মারণরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। অভিনেত্রীর অন্ত্রের একটি অংশে প্রদাহ পাওয়া গেছে। এর পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। জৈস্মিন জানান, তিন দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর তিনি ভারতে ফিরে এসে চিকিৎসা চালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি অনেকটা সুস্থ আছেন। তবে এই অভিজ্ঞতা তাঁর মানসিকভাবে ধাক্কা দিয়েছে।
অভিনেত্রীর ভাষ্যে, “এখন ঈশ্বরের কৃপায় আমি অনেক ভালো আছি। কিন্তু গত দেড় মাসে আমি বার বার অসুস্থ হয়েছি। তাই এখন ভালো আছি বলতেও ভয় লাগে। গত কয়েক মাস খুব কঠিন কেটেছে। আমার মনে হচ্ছে, কাজের চাপ এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে প্রকৃতি যেন আমাকে বার বার বলছিল, এবার একটু থামা দরকার।
আরও পড়ুন: ইশরাক কাণ্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা স্পষ্ট: আখতার হোসেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন