ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র করতে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী


কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র করতে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

উল্লেখ্য, সাধারণত উপকূল বা জোয়ারের রেখার সবচেয়ে কাছের অংশ সুরক্ষিত রাখতে ৫০ মিটারের মধ্যে স্থায়ী বা বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেইসঙ্গে উপকূলের পরিবেশগত সুরক্ষার জন্য ৫০০ মিটারের মধ্যে বড় ধরনের রিসোর্ট, হোটেল কিংবা শিল্প স্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি ও পরিবেশগত ছাড়পত্রের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজারে ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে। পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা, কিন্তু এমন কঠোর বিধিনিষেধ থাকা উচিত নয় যাতে বিনিয়োগই না আসে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে, বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ, যার জন্য পরিকল্পিতভাবে উল্লম্ব (ভার্টিক্যাল) উন্নয়নকে উত্সাহিত করতে হবে। অন্যথায় শিল্পাঞ্চল, জলাধার এবং কৃষিজমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। বিশ্বের বড় বড় পর্যটন নগরীগুলোতে বহুতল ভবনের মাধ্যমে পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়েছে; কক্সবাজারেও সেই দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদেশি সফর শেষে দেশে ফিরলেন

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগোচ্ছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে, এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কক্সবাজার অন্যতম গ্রোথ হাব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পর্যটন, বাণিজ্য এবং সেবা খাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে কক্সবাজারের ভূমিকা আরো শক্তিশালী হবে।

বৈঠকের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে। তিনি জানান, বৈঠকে পর্যটন, পরিবেশ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, ভূমি, জন প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিব, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং কক্সবাজার পৌরসভার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বছরের (২০২৬) মধ্যে একটি মাস্টারপ্ল্যান করতে হবে। মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য হলো কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক পর্যটন হাব এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা নির্ধারণ, মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিদ্যমান বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে।

আরও পড়ুন: কৃষিমন্ত্রী: নিয়মবহির্ভূত সবকিছুই পরিচ্ছন্নতার আওতায় আসবে

তিনি বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতকে জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। পর্যটন থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকৃষ্ট করাই এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয়, আধুনিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সুবিধা, নিরাপদ পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ও পানি শোধনাগারসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের মুখে শিক্ষা সচিব বদলি, অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ এম


নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের মুখে শিক্ষা সচিব বদলি, অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা সচিব বিনীত যোশিকে বদলি করা হয়েছে। তাকে পঞ্চায়েত বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নরেশ পাল গঙওয়ার, যিনি আগে মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ উৎপাদন মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এ প্রশাসনিক পরিবর্তনের খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

শিক্ষা সচিবের এই বদলির পরেও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে কোনো ভাটা পড়েনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

সমন্বিত মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গত ৬ জুন থেকে আন্দোলন শুরু করেছে ফেসবুকভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। পরবর্তীকালে, ২৮ জুন থেকে আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে অনশন শুরু করেন পরিবেশ ও জলবায়ু আন্দোলনকর্মী সোনাম ওয়াংচুক।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় হতাশ হয়ে বিভিন্ন রাজ্যে এ পর্যন্ত মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুক ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে শিক্ষা সচিব বদলির পর বৃহস্পতিবার রাত থেকে অনশন ভাঙেন সোনাম ওয়াংচুক। বর্তমানে তিনি মেদান্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ এম


আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে জোর করে ঢুকেছে ৪ হাজার ২৮৮ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও কট্টর ডানপন্থি গোষ্ঠীর সদস্যরা।

ইহুদিদের একটি ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে এ বছর এটিই মসজিদটিতে ইসরায়েলিদের অন্যতম বড় অনুপ্রবেশের ঘটনা বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।

সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ইসরায়েলের কঠোর পুলিশ পাহারায় আল-আকসায় ঢোকেন কট্টর ডানপন্থি ইসরায়েলি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। তিনি সেখানে যান ইহুদিদের শোক দিবস ‘তিশা বাব’ উপলক্ষে।

প্রাচীনকালে জেরুজালেমে ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির ধ্বংস হওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে এই দিনটি পালন করা হয়। সেই মন্দির মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণেই ছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। যেটি ইহুদিদের কাছে টেম্পল মাউন্ট নামে পরিচিত।

জেরুজালেম গভর্নরেটের ফিলিস্তিনি প্রশাসন এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আল-আকসায় ঢোকা ইসরায়েলির সংখ্যা ৪ হাজার ২৮৮ জন বলে জানিয়েছে। তবে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এ সংখ্যা পাঁচ হাজারে পৌঁছতে পারে বলেও ধারণা প্রকাশ করেছে তারা, যা বিগত যে কোনও বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আল-আকসার প্রবেশদ্বারগুলোতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বহু সাধারণ ফিলিস্তিনি ও শিক্ষার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং অনেকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

আল জাজিরার এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে চরম নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। বয়স্করা ছাড়া সাধারণ ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।

সেইসঙ্গে পূর্ব জেরুজালেম ও কালান্দিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার তল্লাশিচৌকিতে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে।

মসজিদ প্রাঙ্গণের ভেতরে ঢুকেই ইহুদি ধর্মীয় তালমুদিক আচার-অনুষ্ঠান পালন করেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। তারা সেখানে গান গেয়েছে, মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে এবং প্রার্থনা করেছে বলে জানিয়েছেন জেরুজালেম গভর্নরেট।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পুলিশ এক হাজারের বেশি ইসরায়েলিকে মসজিদটিতে প্রার্থনার সুযোগ করে দিয়েছে। এটি ১৯৬৭ সালের ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কু) চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন।

ওই চুক্তি অনুযায়ী, আল-আকসা মসজিদে অমুসলিমদের যাওয়া নিষিদ্ধ না হলেও সেখানে ইহুদি বা অন্য কোনও ধর্মের অনুসারীদের প্রার্থনা করা নিষিদ্ধ।

আল-আকসায় ঢুকে বিতর্কিত বক্তব্য রেখেছেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। ইসরায়েলি পত্রিকা হারেৎজের খবরে বলা হয় তিনি দাবি করেছেন, আল-আকসায় ঢোকা ইহুদিরা নিজেদের এই জায়গার মালিক বলে মনে করেন। সেখানে ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার হওয়াকে বেন-গভির বড় অগ্রগতি বলেও বর্ণনা করেছেন।

তবে তার এমন পদক্ষেপকে ‘উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক’ বলে বর্ণনা করেছে জেরুজালেম গভর্নরেট। তারা বলেছে, এ ঘটনার পেছনে ইসরায়েল সরকারের সরাসরি মদদ রয়েছে।

ফিলিস্তিনের মুক্তিমী সংগঠন হামাস এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের নগ্ন আগ্রাসনের চরম মূল্য ইসরায়েল ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদেরকে দিতে হবে।

জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আল-আকসায় বেন-গভিরের পরিদর্শনের নিন্দা জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফুয়াদ মাজালি বলেন, এটি বর্বরোচিত কাজ, অগ্রহণযোগ্য উস্কানি এবং পবিত্র স্থানের মর্যাদার লঙ্ঘন। জর্ডান সরকার অবিলম্বে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টিরও আহ্বান জানিয়েছে।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নিয়েছিল। পরে ১৯৮০ সালে তারা এটি নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে জুড়ে নেয়। তবে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ, পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হলো নমুনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ এম


রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ, পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হলো নমুনা

খুলনার পাইকগাছায় রান্নার সময় গরুর মাংসের রং সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্তে যুক্ত হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর) ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কুমার মণ্ডল বলেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত একটি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খুলনা জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. মোকলেছুর রহমানের কাছে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

উদয় কুমার মণ্ডল আরো জানান, মাংস বিক্রেতার নাম এবং মুঠোফোন নম্বরসহ পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব ব্যক্তিরা ওই বিক্রেতার কাছ থেকে মাংস কিনেছেন, তাদের পরিচয় এবং যোগাযোগের তথ্যও সরবরাহ করা হয়েছে। রান্না করা মাংসের নমুনা পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণের জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) পাইকগাছা পৌরসভার মডার্ন বেকারির কর্মচারীদের পিকনিকের রান্নার সময় গরুর মাংসের রং সবুজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর রান্না করা মাংস নিয়ে তারা মাংস বিক্রেতা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় এবং পাইকগাছা থানায় যান।

মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা জানান, ওই দিন সকালে পাইকগাছা বাজারের একটি দোকান থেকে প্রায় চার কেজি গরুর মাংস কেনা হয়েছিল। পিকনিকের জন্য রান্না করার সময় তারা দেখেন, মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে যাচ্ছে।

এ ঘটনার জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কিন্তু মাংস বিক্রেতা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি হলো, তিনি ভালো মানের মাংস বিক্রি করেছেন এবং মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়নি।

পাইকগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম রায় বলেন, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া মাংসের রং পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। এই ধরনের রাসায়নিক পরীক্ষা করার সক্ষমতা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নেই এবং প্রয়োজনীয় ল্যাব সুবিধাও তাদের নেই।

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশের সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক বা কেমিক্যাল পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করা যেতে পারে। যদি মাংসে কোনো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তবে বিষয়টি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মাংসের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত তারা কোনো লিখিত অভিযোগ প্রদান করেননি।

ওসি বলেন, তিনিও মাংসের সবুজ রং ধারণের বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন। কিন্তু লিখিত অভিযোগ না থাকার কারণে এখন পর্যন্ত আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শতবর্ষী বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘরের মাঠে আনতে মরক্কোর বিশাল প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ এম


শতবর্ষী বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘরের মাঠে আনতে মরক্কোর বিশাল প্রস্তুতি

বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসরের ফাইনাল ম্যাচটি আয়োজনের স্বাগতিক অধিকার পেতে এখন স্পেন এবং মরক্কো মুখোমুখি অবস্থানে আছে। প্রথম আসরের ঠিক ১০০ বছর পর, ২০৩০ সালের ঐতিহাসিক এই বিশ্বকাপ তিনটি মহাদেশের ছয়টি দেশের মধ্যে আয়োজিত হতে চলেছে।

২০৩০ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের দেশের মাটিতে দেখতে মরক্কো খুবই আগ্রহী, আর সেই কারণে তারা বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু করেছে। তবে মরক্কোর এই বিশাল স্বপ্নের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে স্পেনের ঐতিহাসিক ভেন্যু 'সান্তিয়াগো বার্নাবু'। এই স্টেডিয়ামটি, যা রিয়াল মাদ্রিদের ১৯১ কোটি ডলার ব্যয়ে নতুন রূপে সংস্কার করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ফাইনাল আয়োজনের মূল দাবিদার হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

কাসাব্লাঙ্কার প্রায় ২৫ মাইল উত্তরে 'এল মনসুরিয়া'-তে নির্মাণাধীন 'গ্র্যান্ড স্টেডিয়াম হাসান ২'-এর কাজ এগিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন নতুন ভিডিও ফুটেজও সামনে এসেছে। এই স্টেডিয়ামটিতে একসাথে ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসে খেলা দেখতে পারবেন—যা উত্তর কোরিয়ার 'রুংরাডো ফার্স্ট অফ মে' স্টেডিয়ামের চেয়ে ১,০০০ আসন বেশি।

২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা এই স্টেডিয়ামটিতে মরক্কো জাতীয় দলের পাশাপাশি স্থানীয় দুটি বিখ্যাত ক্লাব 'রাজা সিএ' এবং 'ওয়াইদাদ এসি' তাদের ম্যাচগুলো খেলবে।

মরক্কোর নিজস্ব সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে একটি 'মুসেম' তম্বুর আদলে চোখধাঁধানো অ্যালুমিনিয়ামের ছাদ ডিজাইন করা হয়েছে। এই নকশাটি তৈরি করেছে খ্যাতনামা আর্কিটেকচারাল ফার্ম 'পপুলাস' এবং মরক্কোর স্থপতি প্রতিষ্ঠান 'ওয়ালালো + চয়'.

বিস্তারিতভাবে দেখা গেলে, বিশাল বাগানঘেরা আশপাশের এলাকা এবং অন্তত ১২ হাজার ভিআইপি ও অতিথির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামটি ফিফার যেকোনো চাহিদার সঙ্গে একদম হুবহু মিলে যায়। বিলিয়ন ডলারের মেগা-স্টেডিয়ামগুলোর এই যুগে, সরকার মাত্র ৫০ কোটি ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি শেষ করার পরিকল্পনা করেছে, যা সত্যিই খুবই সাশ্রয়ী। কোনো অর্থহীন বা বোঝা হয়ে থাকা প্রকল্পের পরিবর্তে স্টেডিয়ামটিকে মূল কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে চারপাশে একটি প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও বিনোদন জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%