বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৩৩ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি ২০২৬’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অস্থায়ী স্বেচ্ছাসেবী সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের জন্য মৌখিক (ভাইবা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে উপজেলা সভাকক্ষে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন থেকে প্রাপ্ত আবেদনসমূহের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থী যারা ছিলেন, তারা নির্ধারিত এই ভাইবা পরীক্ষায় অংশ নেন।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩টি সুপারভাইজার পদের জন্য ২৭ জন এবং ২৮টি তথ্য সংগ্রহকারী পদের বিপরীতে ৩৪২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ইউনিয়নভিত্তিক পৃথক বোর্ডে সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রার্থীদের ভাইবা গ্রহণ করা হয়।
পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক পরীক্ষার্থী বলেন, "পরীক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার ও সুশৃঙ্খল ছিল। কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি ছাড়া মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই কর্মী নির্বাচন করা হচ্ছে বলে আমাদের বিশ্বাস।"
অন্য আরেক পরীক্ষার্থী তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড শুমারির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়ে আমরা আনন্দিত। নিরপেক্ষভাবে সঠিক কর্মী বাছাই করা হলে মাঠপর্যায়ে কাজের গতি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।"
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড শুমারি ২০২৬ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি উদ্যোগ। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সঠিক ও দক্ষ কর্মী নির্বাচনের লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। আশা করছি, এই বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য কর্মী নির্বাচিত হবেন এবং তাঁদের হাত ধরে কাউখালী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট মহানগরীতে সড়ক পারাপারের সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে, ১১টার দিকে মিরের ময়দান এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মুরাদ আহমেদ (৫৯)। তিনি মহানগরীর মাছিমপুর এলাকার মৃত নুরুদ্দীনের পুত্র এবং দি এইডেড হাইস্কুলের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন। মুরাদ আহমেদ বর্তমানে কেওয়াপাড়া এলাকার ইসমাইল টাওয়ারে একটি ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মিরের ময়দানস্থ বাংলাদেশ বেতার সিলেট কার্যালয়ের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুত গতির সিএনজিচালিত অটোরিকশা শিক্ষক মুরাদ আহমেদকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালী থানার ওসি খান মো. মাঈনুল জাকির জানান, শিক্ষকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী চলচ্চিত্রের খুব জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নতুন পোস্টের মাধ্যমে অনুরাগীদের নজর আকৃষ্ট করেছেন। সম্প্রতি, ইনস্টাগ্রামে বাদামি রঙের একটি ট্রেন্ডি টপ ও ম্যাচিং স্কার্ট পরিহিত নিজের কিছু আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিগুলোর সঙ্গে তৃষা একটি রহস্যময় ক্যাপশন যুক্ত করেছেন, যা তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা তৈরি করেছে।
ছবির ক্যাপশনে তৃষা উল্লেখ করেছেন, ‘কাউকে নিয়ে মাথা না ঘামানো কিংবা উদাসীন থাকা একটা ব্যক্তিগত পছন্দ। এই পথটাই বেছে নিন। পুনশ্চ—মুচকি হাসুন।’ এই মন্তব্যহীন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয়ের জন্মদিনে তার দেওয়া উষ্ণ শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে নেটদুনিয়ায় তীব্র আলোচনা চলছে।
গত ২২ জুন বিজয় তার ৫২তম জন্মদিন পালন করেন। এ উপলক্ষে তৃষা বিজয়ের একটি মিষ্টি ছবি পোস্ট করেছিলেন। ছবিতে তিনি বিজয়কে কেকের মোমবাতি নিভানোর জন্য প্রস্তুত অবস্থায় হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেলেও, তৃষাকে বিজয়ের দিকে অত্যন্ত ভালোবাসাপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিটি পোস্ট করে তৃষা ক্যাপশনে লেখেন, ‘যিনি আমার সবকিছুকে সার্থক করে তোলেন, তাকে শুভ জন্মদিন। ০০.০০।’
সামাজিক মাধ্যমে বিজয়ের জন্মদিনের সেই বিশেষ পোস্টটি তখন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেখতে পেরে ভক্তরা ইতিবাচক মন্তব্য করে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তামিল সিনেমার জগতে বিজয় এবং তৃষা অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে পরিচিত। দুই দশক ধরে তারা একাধিক সুপারহিট চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—‘গিলি’, ‘তিরুপাচি’, ‘আদি’, ‘কুরুভি’ এবং ‘লিও’।
এদিকে, গত কয়েক মাস ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন এবং তৃষার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে উভয় তারকা কিংবা তাদের প্রতিনিধিরা কখনোই এসব গুজব বা সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তাঁদের গভীর বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা ভক্তদের মাঝে দীর্ঘকাল ধরে আলোচনার বিষয় হলেও, हालপিছু বিজয়ের বিবাহবিচ্ছেদের খবর সামনে আসার পর তা নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু এসব গুজবের তোয়াক্কা না করে, তৃষার সাম্প্রতিক ‘উদাসীন থাকার’ রহস্যময় বার্তাটি যেন তার সমালোচক ও অনুরাগীদের উদ্দেশে একটি নীরব জবাব হিসেবেই ধরা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা এবং উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভা দুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।
সভায় উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমের অগ্রগতি, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানালেন, সন্তানকে সম্পত্তি দেওয়ার পরেও তা বাবা-মায়ের ভোগদখল রক্ষার বিধান যুক্ত করে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন’ সংশোধনের পরিকল্পনা করছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বললেন, প্রস্তাবিত এই আইন পরিবর্তনের ফলে আদালতে দেওয়ানি বা সিভিল মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, যা মূলত সম্পত্তির বণ্টন এবং হিসাব-নিকাশ নিয়ে হয়ে থাকে।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান, আমাদের মুসলিম আইনে হেবা হয়, হিন্দু আইনে উইল রয়েছে, এবং আবার মুসলিম আইনে অসিয়তনামা রয়েছে।
বিদ্যমান হেবা ব্যবস্থার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা যদি হেবা করে দেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাত থেকে সম্পত্তি চলে যায়। ফলে তারা নিজেদের সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ হারান এবং পরবর্তী সময়ে সন্তানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। যদি ছেলে-মেয়ে তাদের দিকে না তাকায়, তবে বাবা-মায়ের কিছু করার থাকে না, তারা অসহায় হয়ে যান।
আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, হেবার পাশাপাশি ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট’-এ (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন) গিফটের একটি ধারা রয়েছে, যেখানে সাধারণভাবে হেবার বাইরে গিয়ে কেউ গিফট করতে পারেন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ১৯৬৩ সালের পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের আলোকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ‘ইউসুফ্রাক্ট রাইট’ বা জীবনস্বত্বের বিধান যুক্ত করার চিন্তা করছে সরকার।
প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানের জন্য সম্পত্তি গিফট করার পরেও বাবা-মা তাদের জীবদ্দশায় সেটি ভোগদখল করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন।
আইনমন্ত্রী আরো জানান, বাবা-মায়ের জীবদ্দশায় দুই পক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউই ওই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবেন না। সন্তানেরা যেমন বিক্রি করতে পারবে না, তেমনি বাবা-মা চাইলেও এককভাবে সেটি বিক্রি করার অধিকার পাবেন না।
তবে বিশেষ প্রয়োজনে ছাড় দেওয়ার বিধান থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, যদি এমন কোনও পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যে বাবার চিকিৎসার জন্য এই সম্পত্তি বিক্রি করা প্রয়োজন, কিন্তু সন্তান বিক্রিতে সম্মতি না দেয়, তাহলে জেলা জজকে একটি ক্ষমতা দেওয়ার চিন্তা করা হয়েছে। জেলা জজের কাছে আবেদন করলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবেন।
এই সংশোধনের ফলে ভবিষ্যতে সিভিল মামলা ফাইলিং কমে আসবে এবং অনেক পরিবারের সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আমরা কাজ করতে চাই, আমরা পরিবর্তন করতে চাই জনগণের কল্যাণে। জনগণের কল্যাণে পরিবর্তন আনতে আমাদের যেখানে যেভাবে সম্ভব আমরা করব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ