বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৮ পি.এম
জাতিসংঘ এল নিনো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উদ্ভূত প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি অংশ। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, যখন বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সংকট চরম আকার ধারণ করেছে, তখনই একটি নজিরবিহীন এল নিনো আমাদের সামনে অতিদমনীয় রূপ নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত এক হাজার বছরের মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে শক্তিশালী ও সর্বগ্রাসী এল নিনো।
এই প্রলয়ংকরী পরিস্থিতির সমন্বিত প্রভাবে, ২০২৭ সাল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে উত্তপ্ত বছর হিসেবে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রশান্ত মহাসাগরের উপকণ্ঠ থেকে ইউরোপ, এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এর ভয়াবহ প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার সাম্প্রতিক তীব্র দাবানল, ভারতে মৌসুমি বায়ুর দুর্বলতা, এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মারাত্মক খরা; সবকিছুতেই এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির স্পষ্ট প্রভাব রয়েছে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম সতর্ক করে জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫ কোটি মানুষকে তীব্র ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরে বাতাসের গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানি অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে যায় এবং বায়ুমণ্ডলে বিপুল পরিমাণ তাপ সঞ্চারিত হয়। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এল নিনোর কেন্দ্রস্থলে সমুদ্রের তাপমাত্রা ৩০ বছরের গড়ের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। জলবায়ু বিশ্লেষক জেকে হাউসফাদার জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে এর মাত্রা গড়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। প্রবাল, গাছের বলয় ও ঐতিহাসিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত এক হাজার বছরে এতটা শক্তিশালী তাপমাত্রা বৃদ্ধি আর দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের তৈরি বিশ্ব উষ্ণায়ন এল নিনোকে আরও শক্তিশালী করছে, যা জলবায়ু সংকটকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেছেন, বৈজ্ঞানিক তথ্যে কোনো সন্দেহ নেই; পৃথিবী এখন এক অজানা এবং অতি-বিপজ্জনক আবহাওয়ার অঞ্চলের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এখন মূল লড়াই হলো জলবায়ু ঝুঁকি এবং মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে।
অন্যদিকে, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রধান সেলেস্তে সাওলো জানিয়েছেন, তাদের ৫০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে এতো বড় আকারের জরুরি প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। এই দুর্যোগের হাত থেকে জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে আর এক মুহূর্তও সময় নেই। আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ার করে বলেছেন, এল নিনোর প্রভাবে খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্যদ্রব্যের দাম আরও বাড়বে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ের মুখে ফেলবে।
সূত্র: গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডে সু-অভিনেত্রী হিসেবে তাপসী পান্নুর খ্যাতি রয়েছে। তবে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলো তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি, যা তার কথায় প্রতিফলিত হয়েছে।
গত কয়েক মাসে মুক্তি পাওয়া একঘেয়ে ধারার সিনেমার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তাপসী জানান, এই ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করার চেয়ে তিনি অভিনয়জীবন থেকে অবসর নেওয়াকেই শ্রেয় মনে করবেন। যদিও তিনি সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট চলচ্চিত্র বা অভিনেতা-অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেননি। তবে তার বক্তব্য প্রকাশ পাওয়ার পর নেটাগরিকদের একটি বড় অংশ দাবি করছে যে, এই মন্তব্যের মূল নিশানা ছিল সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘টক্সিক’ ছবি এবং এর তারকা কিয়ারা আদভানি।
চলচ্চিত্র সাংবাদিক সুচিন মেহরোত্রার সঙ্গে আলাপকালে তাপসী পান্নু তার ক্যারিয়ারের সূচনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এক দশক আগে যখন তিনি অভিনয়জীবন শুরু করেছিলেন, তখন মূলধারার হিন্দি চলচ্চিত্র ছিল বৈচিত্র্যময় এবং কোনো একক নির্দিষ্ট ধারায় সীমাবদ্ধ ছিল না। সেই প্রেক্ষাপটের জন্য নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করে তাপসী বলেন, যদি এমন এক সময় হতো যেখানে কেবল এই এক ধরনের কনটেন্টই তৈরি হচ্ছে, তবে তার মতো কারও হয়তো এখানে কোনো ক্যারিয়ারই তৈরি হতো না।
গত কয়েক মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসা কিছু চলচ্চিত্র দেখার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হওয়া এক কথোপকথনের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, বর্তমানে যেভাবে নির্দিষ্ট ধাঁচের সিনেমা নির্মিত হচ্ছে, একজন শিল্পী হিসেবে তিনি এর অংশ হতে চান না। এমন ধরনের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তাপসী রসিকতা ও ক্ষোভের সুরে যোগ করেন, এগুলো দেখার পর তার মনে হয়েছিল এবার হয়তো তার অবসর নেওয়ার সময় এসেছে।
তাপসী পান্নু অবশ্য স্বীকার করেছেন যে বাজারে এসব চলচ্চিত্রের একটি নির্দিষ্ট দর্শকশ্রেণি বা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে কেবল দর্শকপ্রিয়তার টানে তিনি নিজেকে এমন কাজে সঁপে দিতে পারেন না। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে এই অভিনেত্রী বলেন, তিনি তার অভিনয় পেশাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন, তবে অন্ধভাবে এতটা ভালোবাসেন না যে এই ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে হবে। নিজের ক্যারিয়ারের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে তিনি জানান, এমন এক কাজের ঝুলি বা ফিল্মোগ্রাফি তিনি তৈরি করতে চান যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।
পরিবর্তনশীল সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যুগ বা ধারার পরিবর্তন হবে, কিন্তু একজন শিল্পীর কাজের তালিকা অপরিবর্তিত থাকবে। তিনি চান, আজ থেকে ১০ বছর পর যেন পেছনের কাজের দিকে ফিরে তাকিয়ে নিজের পছন্দগুলোর জন্য কোনো লজ্জাবোধ বা সংকোচ না হয়, সেই জন্য তিনি তেমন চলচ্চিত্রেই কাজ করতে চান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাপসী পান্নুর এই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই শুরু হয় জোর চর্চা ও নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্য করেছেন, তাপসী নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তো এই ধরনের সিনেমাতেই অভিনয় করেছিলেন, তাই এখন নতুন করে দেওয়ার মতো কিছু না পেয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং কিয়ারা আদভানির উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের সঙ্গে তার তুলনা টেনে তাকে কান্না থামানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অন্য একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, কিয়ারা অন্তত বড় পর্দায় এসব অভিনয় করেছেন, যেখানে তাপসীর ‘হাসিন দিলরুবা’র মতো ছবি এসেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী প্রশ্ন তোলেন যে, তাপসী যদি নিজের নীতি অনুযায়ী কাজ করতে পারেন তবে অন্য অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও একই স্বাধীনতা প্রযোজ্য হওয়া উচিত, আর তা না হলে তার সত্যি সত্যিই অভিনয় থেকে অবসর নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’ চলচ্চিত্রটি কেভিএন প্রডাকশনস ও মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনসের ব্যানারে ভেঙ্কট কে নারায়ণ এবং অভিনেতা যশ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন। কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত ও চিত্রায়িত এই ছবিটি পরবর্তীতে হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালায়লাম ভাষায় ডাব করা হয়। গীতু মোহনদাস পরিচালিত এই তারকাবহুল চলচ্চিত্রে নয়নতারা, হুমা কুরেশি, কিয়ারা আদভানি, তারা সুতারিয়া এবং রুকমিণী বসন্ত অভিনয় করেছেন।
বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পেলেও প্রেক্ষাগৃহে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে ছবিটি এবং প্রত্যাশিত ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনেও এটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং থানায় কর্মরত সকল অফিসার ও ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পোরশায় ডাকাতি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় এলাকার ডাকাতি প্রতিরোধ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে নিয়মিত টহল জোরদার এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এছারাও পুলিশ সুপার মহোদয় ব্যারাক পরিদর্শন করে এবং থানা কম্পাউন্ডে একটি বৃক্ষরোপণ করেন।
জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নওগাঁ জেলা পুলিশ সর্বদা আন্তরিক ও অঙ্গীকারবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম স্যারের কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানাধীন বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামে মুস্তাকিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে জানা যায় মাছ মারার তৌরা জাল ২০০/- টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে ডিসিষ্ট মোস্তাকিন (২০), পিতা- মো: বেলাল হোসেন, সাং বড় শিবপুর, থানা ধামইর হাট, জেলা- নওগাঁকে তার নিজ খলিয়ানে তাকে এবং তার মাকে মারপিট করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে। স্থানীয়রা তাকে এবং তার মাকে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করে।
পরবর্তীতে মামলা রুজুর পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী আসামি ১. মো: রতন হোসেন (২২), ২. মো: সাইদুল ইসলাম (২৪), ৩. আইনে সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হাসান (১৪), সর্ব পিতা আব্দুল জলিল, ৪. মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম (৫৫), ৫. মোছাম্মত জাকিয়া বেগম (১৯) দের ধামইরহাট থানা ও আশপাশ এলাকায় পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে অফিসার ইনচার্জ ধামুইরহাট থানা জনাব মোঃ মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টীম ইং ০৩/০৯/২০২৬ তারিখ ভোর ০৪.৩০ ঘটিকায় সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকা হতে অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেফতার করেন।
আসামি সাইদুরের দেখানো মতে আসামির বাড়ি হতে হত্যা কাজে ব্যবহৃত সাবলও উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। তৎকালীন ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ওইদিন ভোররাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে কারান্তরীণ করা হয়। এরপর বিনা বিচারে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী থাকতে হয় তাঁকে। টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়।
মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ