বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৯ পি.এম
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং থানায় কর্মরত সকল অফিসার ও ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পোরশায় ডাকাতি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় এলাকার ডাকাতি প্রতিরোধ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে নিয়মিত টহল জোরদার এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এছারাও পুলিশ সুপার মহোদয় ব্যারাক পরিদর্শন করে এবং থানা কম্পাউন্ডে একটি বৃক্ষরোপণ করেন।
জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নওগাঁ জেলা পুলিশ সর্বদা আন্তরিক ও অঙ্গীকারবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম স্যারের কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানাধীন বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামে মুস্তাকিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে জানা যায় মাছ মারার তৌরা জাল ২০০/- টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে ডিসিষ্ট মোস্তাকিন (২০), পিতা- মো: বেলাল হোসেন, সাং বড় শিবপুর, থানা ধামইর হাট, জেলা- নওগাঁকে তার নিজ খলিয়ানে তাকে এবং তার মাকে মারপিট করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে। স্থানীয়রা তাকে এবং তার মাকে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করে।
পরবর্তীতে মামলা রুজুর পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী আসামি ১. মো: রতন হোসেন (২২), ২. মো: সাইদুল ইসলাম (২৪), ৩. আইনে সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হাসান (১৪), সর্ব পিতা আব্দুল জলিল, ৪. মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম (৫৫), ৫. মোছাম্মত জাকিয়া বেগম (১৯) দের ধামইরহাট থানা ও আশপাশ এলাকায় পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে অফিসার ইনচার্জ ধামুইরহাট থানা জনাব মোঃ মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টীম ইং ০৩/০৯/২০২৬ তারিখ ভোর ০৪.৩০ ঘটিকায় সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকা হতে অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেফতার করেন।
আসামি সাইদুরের দেখানো মতে আসামির বাড়ি হতে হত্যা কাজে ব্যবহৃত সাবলও উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। তৎকালীন ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ওইদিন ভোররাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে কারান্তরীণ করা হয়। এরপর বিনা বিচারে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী থাকতে হয় তাঁকে। টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়।
মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হতে যাচ্ছে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’, যা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে, যার উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের ওপর রচিত বই এবং জিয়াউর রহমানের জীবনভিত্তিক সাহিত্যের প্রচার ও প্রসার।
আজ বৃহস্পতিবার, বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
এছাড়া, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
মেলার আহ্বায়ক ও সহ-সভাপতি মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী জানান, দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেলাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, লেখক, গবেষক এবং দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য শুধুমাত্র করদাতার আয় প্রাক্কলন করলেই যথেষ্ট হবে না। কর ফাঁকি হয়েছে, এমন প্রমাণ হিসেবে আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা বা অসত্যভাবে প্রদর্শনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জরিমানা আরোপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট করদাতার শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানকে বাধ্যতামূলক করেছে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২-এর প্রয়োগ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। গতকাল (২ সেপ্টেম্বর) এনবিআর-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষরিত আদেশটি প্রকাশিত হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইনের অংশ-১৯ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতা বা ব্যক্তির শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
যদি কোনো করদাতার আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা হয় অথবা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শন করা হয়, তাহলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।
এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানা আরোপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট উপ-কর কমিশনারকে প্রথমে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা সম্পর্কে রায় দিতে হবে। যদি জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা পাওয়া যায়, তবে একই করাদেশে জরিমানা আরোপ করতে হবে।
অন্যদিকে, যদি জরিমানার প্রযোজ্যতা না থাকে, তাহলে কোনো জরিমানা আরোপ করা যাবে না।
আদেশে চাকরি থেকে আয়, বাড়ি বা সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয়, আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ধারা ২৭২ প্রয়োগের বিষয়টি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, উল্লিখিত কোনো খাতের আয় গোপন করা বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।
তবে যদি করদাতা কোনো আয় গোপন না করে এবং অসত্যভাবে প্রদর্শন না করে, বরং কোনো করযোগ্য আয়কে করমুক্ত হিসেবে প্রদর্শন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইনগত বিধান অনুসরণে ব্যর্থ হলে অথবা আইন অনুযায়ী কোনো করমুক্ত আয় করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে, তখন শুধুমাত্র এসব কারণে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে না।
এনবিআর বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয় ও আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক।
শুধুমাত্র কর কর্তৃপক্ষের আয় প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা যাবে না। ভাড়া থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির যৌক্তিক ভাড়ামূল্য প্রাক্কলন করাও জরিমানা আরোপের একক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।
‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’-এর ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আয়কর আইনের ধারা ৬৬-এ উল্লিখিত অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের কোনো খাত গোপন বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।
তবে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ প্রাক্কলন করে কোনো করদাতার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা যাবে না।
এনবিআরের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইনের ধারা ৬৭-এর উপধারা (৩) ছাড়া অন্য কোনো উপধারা প্রয়োগের কারণে কোনো করদাতার ক্ষেত্রে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ উদ্ভূত হলে ওই আয়ের ওপর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের সুযোগ নেই।
তবে ধারা ৬৭-এর উপধারা (৩) প্রয়োগের কারণে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ সৃষ্টি হলে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আয় প্রাক্কলন যথেষ্ট হবে না। কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক বলেও আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
নতুন এই নির্দেশনার ফলে কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তাদের দালিলিক প্রমাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে করদাতার বক্তব্য শোনার সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে কর প্রশাসনে জবাবদিহি ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ