মো. সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১২ পি.এম
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান ও রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার (দীপু)কে সম্মাননা স্মারক প্রদান ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ সময় জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সম্মাননা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার বলেন, রাঙামাটি জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। পার্বত্য অঞ্চলের সব জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন গঠিত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ কাজ করবে।
তিনি বলেন, কোনো জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য করা হবে না। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং সরকারের ওপর জনগণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
দীপন তালুকদার আরও বলেন, গত ১৭ বছরে রাঙামাটির অনেক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বিসিক কুটির শিল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, একসময় ৮৫ জন জনবল থাকলেও বর্তমানে সেখানে মাত্র ১৬ জন কর্মরত রয়েছেন। জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত বিভাগগুলোও পর্যায়ক্রমে কার্যকর ও গতিশীল করে জেলার উন্নয়নের ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জেলার অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মতো বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নেও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মুখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জেলার সব জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বৈষম্যহীনভাবে নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাঙামাটিতে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের প্রতিও বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।
নির্মল বড়ুয়া মিলন আরও বলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯-এর আওতায় জেলার অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ন্যায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা অজিতানন্দ মহাথেরো, উপদেষ্টা সমরজিত বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির অরবিন্দ্র বড়ুয়া, রাঙামাটি জেলা কমিটির সহ-সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া ও নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, রাঙামাটি পৌর কমিটির সভাপতি শিপু রঞ্জন বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয়, জেলা, পৌর ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা স্মারক প্রদান ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তী এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কার্যালয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার (দীপু)কে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পুনর্গঠিত পরিষদে সদস্য হিসেবে রয়েছেন—শাশ্বত চাকমা, বিল্টু চাকমা, সুবিমল চাকমা, অনিল বরণ চাকমা, উথোয়াইমং মারমা, পাইচিং মং মারমা, প্রেমা তালুকদার, তিমথী খিয়াং, সুপর্ণ দেব বর্মণ, মোহাম্মদ মানুনুর রশিদ, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ ফারুক, নন্দিতা দাশ ও চন্দ্রা চাকমা।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুনর্গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালে গঠিত পরিষদ বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে দুর্গম পার্বত্য এলাকার মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও জেলা সদর হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে এই চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে সার্জারি, মেডিসিন, চর্মরোগ, স্ত্রীরোগ ও চক্ষু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী চলা এই কার্যক্রমে মোট ৮৬১ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।
খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন জোনের উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায়, প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার রোগীদের জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে দুর্গম এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের অনেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা গ্রহণের সুযোগ পান।
আয়োজকেরা জানান, যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের উদ্যোগের ফলে ওই এলাকার মানুষ প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পরামর্শ সহজে পাওয়ার সুযোগ পান।
পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা ও অর্থায়নের অভিযোগে দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আটজন আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সদস্য সন্দেহে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন— মো. মাজহারুল ইসলাম ওরফে রায়হান (৩২), মো. রাকিব (২৩), মো. তানভীর খান (২৬), মো. আবদুর রহমান (৪০), মো. সিফাত (২০), মো. মাহফুজুর রহমান (২৪), মো. আশিক মিয়া (২৩) এবং মো. বকুল আহমেদ ওরফে রাজু (২৪)।
জানা গেছে, আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উত্তরখান থানার উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, এর সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের উসকানিদাতাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ ও তাদের গ্রেপ্তারের জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার দিপু রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন, কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার রাতে উত্তরখানের পুরানপাড়ার একটি অটো গ্যারেজে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের কয়েকজন সদস্য জড়ো হয়ে সরকার ও জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে উত্তরখান থানা-পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা আরো ২৫ থেকে ৩০ জন সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উত্তরখান থানার এসআই মো. জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে নিজস্ব একটি জায়গা প্রতিষ্ঠা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি যেমন সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন, তেমনি সৃষ্টি করেছেন আলাদা দর্শক শ্রেণির।
তবে তাঁর কাছে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের সিনেমা হলো ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’।
অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত এই সিনেমার মুক্তির পর প্রথমবারের মতো তিনি নিজেকে একজন তারকা হিসেবে অনুভব করেছিলেন। চলতি বছর সিনেমাটি মুক্তির ১৪ বছর পূর্ণ করেছে।
সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিনেমাটির প্রভাব এবং মুক্তির পর তাঁর ক্যারিয়ারে ঘটে যাওয়া নাটকীয় পরিবর্তনের কথা শেয়ার করেছেন অভিনেতা।
‘কমপক্ষে ২০০টি চিত্রনাট্য পেয়েছিলাম’
কোন সিনেমার পর তিনি নিজেকে তারকা মনে করেছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে নওয়াজুদ্দীন বলেন, ‘অবশ্যই, সেটা ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর ২’।’
সিনেমাটি মুক্তির পর তাঁর হাতে প্রায় ২০০টি চিত্রনাট্য এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু চিত্রনাট্যই নয়, অনেক প্রযোজক তাঁর পারিশ্রমিকের অঙ্কও তাঁর ওপর ছেড়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন।
এনডিটিভিকে নওয়াজুদ্দীন জানান, ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর ২’ মুক্তির পর আমার কাছে অন্তত ২০০টি চিত্রনাট্য এসেছিল। আমার টেবিলে ব্ল্যাঙ্ক চেক পড়ে থাকত। প্রযোজকেরা বলতেন, ‘এই নিন চিত্রনাট্য আর এই নিন ব্ল্যাঙ্ক চেক। আপনি আপনার পারিশ্রমিক হিসেবে যা খুশি অঙ্ক লিখুন আর আপনার সুবিধামতো ডেট দিন।’
কিন্তু কোনো প্রস্তাবই গ্রহণ করেননি
এত বড় সুযোগ এবং পছন্দমতো পারিশ্রমিক নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও নওয়াজুদ্দীন তাড়াহুড়ো করে পরবর্তী সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হননি। কারণ তাঁর হাতে আসা কোনো চিত্রনাট্যই তাঁকে আকৃষ্ট করেনি।
অভিনেতা বলেন, ‘আমি ওই চিত্রনাট্যগুলোর একটিও বেছে নিইনি কারণ কোনোটিই আমার পছন্দ হয়নি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে সঠিক সুযোগের জন্য অপেক্ষা করব।’
অপেক্ষা করতে আপত্তি ছিল না
কাজের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার অভিজ্ঞতা তাঁর আগে থেকেই ছিল। তাই ভালো চরিত্রের জন্য আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতেও প্রস্তুত ছিলেন নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, ‘কাজের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করায় আমি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম; তাই ভাবলাম, তাড়াহুড়ো করে কোনো কিছুতে সই করার চেয়ে আরও দুই-তিন বছর অপেক্ষা করা ভালো।’
তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। নিজের পছন্দের কাজের প্রস্তাব আসতে শুরু করে দ্রুতই।
নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী বলেন, ‘ঈশ্বরের কৃপায় আমাকে খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি, কারণ দ্রুতই আমি সত্যিই চমৎকার কিছু সিনেমার প্রস্তাব পেতে শুরু করি।’
ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’।
‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’-এ কেন্দ্রীয় চরিত্র ফয়জল খানের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী। এই চরিত্রটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে ওঠে। সিনেমাটির পর অভিনেতা হিসেবে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা যেমন বেড়ে যায়, তেমনি বলিউডেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি।
অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত সিনেমাটিতে নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন মনোজ বাজপেয়ী, পঙ্কজ ত্রিপাঠী, জয়দীপ আহলাওয়াত, হুমা কুরেশি, রিচা চাড্ডা, রাজকুমার রাও ও পীযূষ মিশ্রসহ আরও অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চেলসি থেকে ব্রিটিশ রেকর্ড ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের ট্রান্সফার ফিতে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাঠে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে শুরু করেছেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। সিটির নতুন কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তিনি রাজকীয়ভাবে শুরু করেছেন, যা ম্যানচেস্টারে বড় কিছু ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে রদ্রির পরবর্তী মাঝমাঠের আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে ইংলিশ জায়ান্ট দলের জন্য।
এনজো ফার্নান্দেজকে নিয়ে ফুটবল মহলে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে। সিটির জার্সি গায়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার প্রথম ম্যাচেই তিনি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। পোর্তোর বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম গোলটিতে হালান্ডকে অসাধারণ এক অ্যাসিস্ট করে দলের ২-০ ব্যবধানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
চেলসিতে থাকাকালীন মারেস্কার অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা এনজোকে সিটির বল-পজিশন ভিত্তিক ও আক্রমণাত্মক গেম প্ল্যানের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সহায়তা করেছে।
পেপ গার্দিওলার বিদায়ের পর রদ্রি ও বার্নার্দো সিলভার মতো তারকা মিডফিল্ডাররা ক্লাব ছাড়ার ফলে সিটির মাঝমাঠে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল, এনজোর আগমনে তা পূর্ণ হয়েছে। মারেস্কা এনজোর মানসিকতা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাকে একটি বড় শক্তি হিসেবে মনে করছেন। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কোচ এনজোর এই প্রভাবের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আক্রমণভাগে এনজোর গোল ও অ্যাসিস্ট করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতাই তাকে দলের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ করে তুলছে।
ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে এনজো ফার্নান্দেজের ফর্ম সিটির সমর্থকদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ