বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫৭ এম
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার, এটা কোনো ডামি ভোটের সরকার নয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই সরকার জনকল্যাণের সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সকলে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করেই কাজ করছি।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত আন্তরিক। দুর্যোগকালীন এই পরিস্থতিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁর সরাসরি নির্দেশনা নিয়েই আমি রাঙ্গামাটিতে ছুটে এসেছি। শুধু রাঙ্গামাটি নয়, পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে খোঁজ খবর রাখতে প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমি সেভাবেই কাজ করছি।
পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি উদ্যোগগুলো পাহাড়ের স্থানীয় সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। বাঙালিসহ পার্বত্য অঞ্চলের ১২টি জাতিগোষ্ঠীর সমঅধিকারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নির্ভর পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সাধারণ নির্বাচনের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কল্যাণের জন্য সবসময় কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে। বর্তমান দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের পাশে সরকার অতীতের মতো আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির আশ্রমের হলরুমের আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এড. মামুনুর রশীদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা জাসাসের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল হোসেন বাবলুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আরো বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জনগণকে সচেতন করতে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।' তিনি আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনকালে টানা বৃষ্টি এবং পাহাড় ধসের সম্ভাবনা দেখা দিলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে সরকারী আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয়ার অনুরোধ করেন। তিনি জানান, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন পার্বত্য জেলার জন্য মোট ১৩শ’ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গামাটির জন্য ৫শ’ মেট্রিক টন, খাগড়াছড়ির জন্য ৪শ’ মেট্রিক টন এবং বান্দরবানের জন্য ৪শ’ মেট্রিক টন বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী ও খাবার বিতরণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলেন ও তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।
টানা বৃষ্টি এবং পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপিকে কাছে পেয়ে সরকারের সহযোগিতা প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তারা আবেগাপ্লুত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে মন খুলে কথা বলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাপাতি, সামুরাই এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে গভীর রাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি চলছিল। টার্গেট ছিল ডাকাতি এবং পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার পরিকল্পনা। তবে তাদের পরিকল্পনার বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদাবর থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, মধ্যরাতের একটি মুরগির ফার্মে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল ফারুক নেতৃত্বাধীন চক্রটি।
এছাড়া, কিছুদিন আগে আদাবর এলাকার ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল এবং মউরা সোহেলকে গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকে ভারাটে সন্ত্রাসী এনেছিল তারা।
এসময় ছিনতাই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের খবরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা। এ সময় তারা নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা দেন। তবে পুলিশ যখন অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে, তখন আসামিরা কিছুদিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে এক ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন পা হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দুর্ঘটনার শিকার হাসেম আলী (৬০) নামে ওই ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হন।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ওই পায়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি। হাসেম আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে, তার ডান পায়ের অংশ ছাড়াই মরদেহ নিয়ে বেরিয়ে যান নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
এর আগে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার আব্দালপুরের শাহপুর নতুন মসজিদ মোড় এলাকায় একটি ইজিবাইক এবং ব্যাটারিচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন ভ্যানযাত্রী হাসেম আলী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকের পরামর্শে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর অপারেশন থিয়েটারে তার বিচ্ছিন্ন ডান পা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিচার দাবি করেছেন তারা।
বাড়ির উদ্দেশ্যে হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় নিহত হাসেম ইবি থানার আব্দালপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং এলাকায় কৃষিকাজ করতেন। আব্দুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হায়দার স্বপন গনমাধ্যমকে জানান, হাসেম তার প্রতিবেশী চাচাতো ভাই। তিনি অভিযোগ করেছেন যে হাসপাতালে সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। এর পাশাপাশি, তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনা তদন্তে খতিয়ে দেখবেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন পা নিয়ে ভর্তি হলে হাসপাতালের স্টাফরা নিহতের স্বজনদের কাছে বিচ্ছিন্ন পায়ের অংশটি বুঝিয়ে দিয়েছে বলেছেন এবং এরপর কী হয়েছে জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, এ ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই। তবে নিহতের পরিবার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। এ ক্ষেত্রে যদি কারো গাফিলতি দেখা যায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তুরাগ ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযানে মাদক, জুয়ার সরঞ্জাম এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, বুধবার (৮ জুলাই) তুরাগ থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তি এবং আইনগত কারণে সংঘাতে জড়িত দুটি শিশু মত রয়েছে। এই অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ১৩ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন।
এছাড়া বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে ১টা ১০ মিনিটের সময় ধলপুরের বাদল সরদার গলিতে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সময় ১৩ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়া খেলার তাস এবং নগদ ২ হাজার ২৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং অন্যান্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিল্প, পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকার প্রাইভেট সেক্টরকে নতুন বিনিয়োগের জন্য ফেসিলেটেড (সহজ) করবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের পূর্ণ শক্তি নিয়ে কাজ করছি। যত দ্রুত সম্ভব আমরা বিভিন্ন সেক্টরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পাঠ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার যখনই কোন ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়েছে সেখানে আমরা ইনএফিশিয়েন্সি (অদক্ষতা) দেখেছি।
সে তুলনায় ব্যক্তি যখন এগিয়ে আসে ব্যবসার ক্ষেত্রে তার ডে টু ডে ম্যানেজমেন্ট বা তার অপারেশনাল এফিসিয়েন্সি সরকারি পরিচালনা থেকে অনেক বেশি। তাই বেসরকারি খাতকে ফ্যাসিলেটেড করলে নিশ্চয়ই কর্মসংস্থান বাড়বে।
বাংলাদেশের জুট মিল কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ জুট এয়ারলাইন্স লিমিটেড তথা টিকে গ্রুপের মধ্যে নরসিংদীতে ৩৪.৫০ একর জমির লিজ প্রদানের চুক্তি সম্পাদিত হয়।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব ড.খায়রুজ্জামান চৌধুরী, পাঠ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যে বিজেএমসি’র বন্ধ মিলসমূহে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি মিল লিজ প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের লিজ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং ৯টি মিলে উৎপাদন শুরু হয়েছে।
এসব মিলে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দৈনিক প্রায় ১৬০ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জুট মিলস লিমিটেড, নরসিংদী এর ৭৭.০২ একর জমির মাঝে পূর্বে প্রায় ৩৪.৫০ একর জমি জুট এলায়েন্স লিমিটেড-কে লিজ প্রদান করা হয়েছে। সেখানে ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু হয়েছে, দৈনিক প্রায় ৪০ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে এবং প্রায় ৩ হাজার ২০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম জানান, পণ্য উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আজ অতিরিক্ত ১৪.৮০ একর জমির লিজ প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ হাজার ৫০ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগ করবে।
এর ফলে বার্ষিক প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার উৎপাদন এবং নতুন করে প্রায় ৩ হাজার জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বিশ্বাস, এই বিনিয়োগ শুধু একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ নয়; এটি দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ