ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৮ হাজার শ্রমিকের কর্মে যোগদানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস


৮ হাজার শ্রমিকের কর্মে যোগদানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশেষ করে ৮ হাজার শ্রমিকের কর্মে যোগদানের ব্যাপারে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আশ্বাস প্রদান করেছেন।

শনিবার, ২৭ জুন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রম সহযোগিতা বিষয়ে নিরাপদ, নিয়মিত ও স্বচ্ছ অভিবাসনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরু করার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রেরণ, অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ বিষয়গুলো বিশেষ করে ৮ হাজার শ্রমিকের কর্মে যোগদান নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মালেশিয়ায় অবস্থানরত এবং নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন এবং নিয়োগ ব্যয় হ্রাসের বিষয়ে উভয় পক্ষের ঐকমত্য হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘শ্রম সহযোগিতা বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের মাধ্যমে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং বর্তমান প্রয়োজনের আলোকে নতুন বা হালনাগাদ সমঝোতা স্মারক প্রণয়নের বিষয়ে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।’

এতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়ে মন্ত্রিপর্যায়ে দুটি নোট বিনিময় হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক দ্রুত পুনরায় শুরু করার বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা দ্রুত শুরু করার পাশাপাশি ২০২৭ সালের মধ্যে একটি পারস্পরিকভাবে লাভজনক, সমন্বিত ও ভবিষ্যৎমুখী চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে অগ্রসর হওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

এছাড়াও, ‘মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার অগ্রগতিতে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং দুই দেশের ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ, পারস্পরিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে,’ যোগ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান ও দ্রুত প্রত্যাবাসন বিষয়ক মালয়েশিয়ার সক্রিয় ভূমিকার আশ্বাস, আসিয়ান কাঠামোর আওতায় বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি এবং এ বিষয়ে অগ্রগতি সাধনে মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য করণীয় নির্ধারণে মালয়েশিয়া আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আসিয়ান সেক্টরাল ডায়লগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মালয়েশিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত হয়েছে এবং আসিয়ান কাঠামোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে ইসরায়েলে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধানের মধ্যে বিরোধ

এতে আরো বলা হয়েছে, জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো, টেলিযোগাযোগ, বৈদ্যুতিক যানবাহন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বন্দর ও লজিস্টিকসসহ অগ্রাধিকার খাতে মালয়েশীয় বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি কখনোই কোনো দেশের দালালি করে না: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


বিএনপি কখনোই কোনো দেশের দালালি করে না: রাশেদ খান

বিগত প্রায় ১৮ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছে বলেই দেশ চীনের মতো উন্নয়নের পথে এগোতে পারেনি, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, বিএনপি কখনো কোনো দেশের দালালির কাজ করে না, বরং দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি সব সময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে।

শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথাগুলি বলেন। রাশেদ খান বলেন, যারা বিএনপিকে ভারতের দালাল বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা বাস্তবতার কাছে ভুল প্রমাণিত হচ্ছেন। বিএনপি যদি ভারতের দালালি করত, তাহলে সরকার প্রধান চীন সফরের আগে ভারত সফর করতেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, লুতফর রহমান লেন্টু, ইসরাইল হোসেন এবং বাহারুল ইসলাম কাজলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তিনি বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী এবং বন্ধু প্রতিরাষ্ট্র, আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। তবে সেই সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। কোনো ধরনের আধিপত্য বা দাদাগিরি বাংলাদেশে মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি অধিক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে উল্লেখ করে বলেন, সীমান্তে দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় রয়েছে বলেই বিজিবি এত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। রাশেদ খান বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে দলের গ্রুপিং এর কারণে আমরা ঝিনাইদহ ৪ আসনটি হারিয়েছি।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। অথচ গত ১৭ বছর তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে তালাই খুলতে পারেননি। এখন তারা বড় বড় কথা বলছেন।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। কিন্তু ইউনুস সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দের বড় অংশ নিজের এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এ কারণে অভিযোগ রয়েছে। সেটি কি দুর্নীতির মধ্যে পড়েনা?

রাশেদ খান বলেন, বিএনপি করতে হলে কোন প্রকার চাঁদাবাজি করা যাবে না, সালিশ করে টাকা নেওয়া যাবে না, শহরের ভ্যান রিকশা থেকে চাঁদা তুলা, মটর মালিক সমিতি থেকে ৮/১০ হাজার করে টাকা নেওয়া যাবে না। এইভাবে টাকা নিলে বিএনপির রাজনীতি করা যাবে না। অপরদিকে তিনি সতর্ক করে বলেন, কালীগঞ্জের ওসি জেল্লাল হোসেন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে আমরা এ ওসি কে কালীগঞ্জ থানায় চায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ধর্মান্তরবিরোধী কঠোর আইনের ঘোষণা দিলেন শুভেন্দু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


ভারতে ধর্মান্তরবিরোধী কঠোর আইনের ঘোষণা দিলেন শুভেন্দু

রাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) কার্যকর হবে, ধর্মান্তরবিরোধী কঠোর আইন প্রণয়ন এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। শুভেন্দুর মতে, এসব উদ্যোগ মূলত জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এবং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে নেওয়া হবে।

এ আইন কার্যকর হলে ভারতে হিন্দুদের মধ্যে ভিন্ন ধর্ম গ্রহণের যে প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা আর ইচ্ছামত গ্রহণ করতে পারবেন না। রাষ্ট্র যে সিদ্ধান্ত নেবে, সে আলোকে তাদের সিন্ধান্ত নিতে হবে।

শুক্রবার কলকাতার রবীন্দ্র সদনে ‘বন্দে মাতরম’-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের ফলে পশ্চিমবঙ্গে ধর্মান্তরের প্রবণতা এবং জনসংখ্যার ভারসাম্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার মতে, এই পরিস্থিতি রাজ্যের সামাজিক কাঠামো ও দেশের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, কিছু সময়ের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে ধর্মান্তরবিরোধী কঠোর আইন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, এবং এনআরসি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শুভেন্দুর দাবি অনুসারে, বিজেপি সরকার সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিয়েছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আটক কেন্দ্রও গড়ে তুলেছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে দেশের সংস্কৃতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন বা সিএএ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেছেন, ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নন এবং সিএএর আওতায় তারা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকারী।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি জানান, যারা ভারতে বসবাস করেও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে অসম্মান করে, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বিরোধিতা করে অথবা পেহেলগাম বিষয়ে নীরব থেকে মানবতার কথা বলে, তাদের এমন কর্মকাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে বরদাশত করা হবে না।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায় বিএনপি কেন মানছে না, জানালেন গোলাম পরওয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


গণভোটের রায় বিএনপি কেন মানছে না, জানালেন গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গত ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও ক্ষমতাসীন বিএনপি তা কার্যকর করতে টালবাহানা করছেন। শনিবার ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ কথা বলেছেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি কেন গণভোটের রায় মানতে চাইছে না, তার প্রধান কারণগুলো হচ্ছে, ১১ দল ও ঐক্যমত কমিশন প্রস্তাব করেছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর অসীম ক্ষমতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। কিন্তু বিএনপি এই প্রস্তাবে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ দিয়েছে। তারা চায় বিদ্যমান ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতেই বিচার বিভাগ, দুদক ও পিএসসির মতো সাংবিধানিক পদে নিয়োগের একক ক্ষমতা থাকুক, যাতে দলের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখা যায়।

তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদে প্রস্তাব ছিল যে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি দলীয় প্রধানের পদে থাকতে পারবেন না। বিএনপি এটি মানতে নারাজ। তারা মনে করে, প্রধানমন্ত্রী যদি দলীয় প্রধান না থাকেন, তবে পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো দমন-পীড়ন চালানো সম্ভব হবে না।

গোলাম পরওয়ার আরো বলেন, উচ্চকক্ষের ১০০টি আসন ভোটের আনুপাতিক হারে বণ্টনের প্রস্তাব দিয়েছিল ১১ দল। এতে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হতো। কিন্তু বিএনপি চায় এটি আসনের ভিত্তিতে ভাগ হোক, যাতে তারা সেখানেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন সহজে পাস করে নিতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি বর্তমানে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির পরিবর্তে ‘সবার আগে বিএনপি’ নীতিতে দেশ চালাচ্ছে। তারা ক্ষমতায় আসার পর উন্নয়ন বরাদ্দে বিরোধী এমপিদের বঞ্চিত করছে এবং স্বাস্থ্য ও ব্যাংক খাতে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমাবেশে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


সমাবেশে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আন্দোলন, ২০২১ সালের মোদি বিরোধী আন্দোলন এবং সাঈদী সাহেবের ফাঁসির রায়ের পরবর্তী আন্দোলনগুলো জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের অংশ।

শনিবার বেলা ২টা নাগাদ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি কেন গণভোটের রায় মানতে চাইছে না, তার প্রধান কারণগুলো হচ্ছে, ১১ দল ও ঐক্যমত কমিশন প্রস্তাব করেছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর অসীম ক্ষমতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। কিন্তু বিএনপি এই প্রস্তাবে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ দিয়েছে। তারা চায় বিদ্যমান ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে বিচার বিভাগ, দুদক ও পিএসসির মতো সাংবিধানিক পদে নিয়োগের একক ক্ষমতা থাকুক, যাতে দলের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখা যায়।

তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদে প্রস্তাব ছিল যে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি দলীয় প্রধানের পদে থাকতে পারবেন না। বিএনপি এটি মানতে নারাজ। তারা মনে করে, প্রধানমন্ত্রী যদি দলীয় প্রধান না থাকেন, তবে পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো দমন-পীড়ন চালানো সম্ভব হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%