ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের আস্থাভাজন জে ক্লেটন যুক্তরাষ্ট্রের টালমাটাল গোয়েন্দা দপ্তরের হাল ধরবেন


ট্রাম্পের আস্থাভাজন জে ক্লেটন যুক্তরাষ্ট্রের টালমাটাল গোয়েন্দা দপ্তরের হাল ধরবেন

প্রাক্তন ওয়াল স্ট্রিট আইনজীবী জে ক্লেটন যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পদে বসতে যাচ্ছেন। তার নিয়োগের প্রক্রিয়া মার্কিন সিনেটে মঙ্গলবার ৫১-৪৭ ভোটের ব্যবধানে ‘ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স’ (ডিএনআই) হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তর বর্তমানে বাজেট সংকোচন ও লাগাতার কর্মী ছাঁটাইয়ের কারণে এক কঠিন সময় পার করছে; আর ঠিক এমন সংকটময় মুহূর্তেই তিনি এর নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন। ক্লেটনের পূর্বসূরি বিল পুলট মাত্র ৪০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই করেছেন এবং এর আগে জুনে পদত্যাগ করেছিলেন তুলসি গ্যাবার্ড। বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে ধারণা রয়েছে যে, ক্লেটন দপ্তরের পতন ঠেকানোর চেয়ে বরং চলমান সংকটেরই ব্যবস্থাপনা করবেন।

জুনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে এ পদে মনোনীত করলেও চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল বেশ ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ। ১৫ জুলাইয়ের শুনানিতে ডেমোক্র্যাটরা ২০২০ সালের নির্বাচন ও ব্যালট জালিয়াতির ইস্যুতে তাকে কঠোর জেরার মুখে ফেলেন। তবে রিপাবলিকান নেতারা তাকে ‘যোগ্য ও প্রমাণিত নেতা’ হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে ভারত সমর্থিত গোষ্ঠীর ৯ সন্ত্রাসী নিহত

জাতীয় নিরাপত্তায় নয়; বরং করপোরেট আইনেই তার ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছিল। ১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া ক্লেটন পেন্সিলভেনিয়া ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর দুই দশকের বেশি সময় ‘সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েল’ ল ফার্মে যুক্ত ছিলেন। ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি ট্রাম্প প্রশাসনে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পর ২০২৫ সালে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি হন। এবং এবার তিনি দেশের শীর্ষ গুপ্তচরের ভূমিকা সামলাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


ইরাকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যৌথভাবে ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর লক্ষ্যভিত্তিক বিমান হামলা চালিয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই হামলা গত বুধবার ভোরের দিকে পরিচালিত হয়েছিল। রিয়াদ জানিয়েছে, সম্প্রতি তারা দেশে হওয়া ড্রোন হামলার কঠোর জবাব দিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকমের সাথে সমন্বয় করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ এবং রিয়াদ অঞ্চলের তেল কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো বেশ কয়েকটি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। এ ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ড্রোনগুলো ইরাকি ভূখণ্ড থেকে ইরান-সমর্থিত সন্ত্রাসী মিলিশিয়ারা উৎক্ষেপণ করেছিল বলে রিয়াদ দাবি করছে। তবে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি কোনো যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।

এদিকে, এই বিমান হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বৃহস্পতিবার সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। এটি ঘটনার মাত্র কয়েকদিন আগেই তিনি সৌদি আরবে ড্রোন হামলার ঘটনা তদন্ত করতে ইরাকি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এছাড়া সোমবার ইরাকি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বন্ধুপ্রতীম কোনো দেশে হামলা চালানোর জন্য ইরাকের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে ইরাক সরকার পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র দলগুলোর ছাতা সংগঠন 'ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক' তাদের বিরুদ্ধে ওঠা ড্রোন হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। সৌদি আরবের এই দাবিকে তারা মনগড়া ও ভিত্তিহীন অভিহিত করে সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সৌদি আরবের যেকোনো বোকামিপূর্ণ পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের কাশ্মীরে গুলি-হত্যা, যুক্তরাজ্যে অধিকারকর্মীদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


পাকিস্তানের কাশ্মীরে গুলি-হত্যা, যুক্তরাজ্যে অধিকারকর্মীদের বিক্ষোভ

পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (পিওকে) বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ডে পাকিস্তান কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ করেছেন কাশ্মীরি অধিকারকর্মীরা। বিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার, যেখানে তারা পিওকেতে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ হল, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমাতে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করছে। তাদের দাবি যে, রাওয়ালাকোট ও মিরপুরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা মৌলিক অধিকার এবং বিভিন্ন দাবির পক্ষে আন্দোলন করতে ছিল। ব্র্যাডফোর্ডের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কাশ্মীরি সংগঠনগুলোর সদস্যরা বলছেন, পিওকের মানুষের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য এবং সেখানে চলমান দমন-পীড়নের অবসান ঘটানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

এই বিক্ষোভের সাথে সাথে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এদিকে, পিওকেতে টানা ৫২ দিন ধরে চলা আন্দোলনের ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো’র মধ্যে রয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তি, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন। সোমবার যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) ও প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

এরপর সংগঠনটি কর্তৃপক্ষকে ২৭ জুলাই দুপুর ১টা পর্যন্ত সময় প্রদান করে। ওই সময়ের মধ্যে দাবিগুলো মেনে নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না করার ক্ষেত্রে রাওয়ালাকোট থেকে মুজাফফরাবাদ পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করার ঘোষণা দেয় তারা।

নির্ধারিত সময়ে সমঝোতা না হওয়ার পর হাজারো মানুষ রাওয়ালাকোটে জড়ো হন এবং মুজাফফরাবাদের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এ সময় তাদের বাধা দিতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। আন্দোলনের সাথে যুক্ত প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং প্রায় দুই ডজন মানুষ আহত হন। তবে এই হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আন্দোলনের অন্যতম নেতা ইমতিয়াজ আসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন, নিহতদের মধ্যে আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ওমর নাজিরের ছোট ভাই উসমান নাজিরও রয়েছেন। এছাড়াও খাইগালা, কোটলি, তাত্তাপানি, বানজা-বাসপুর, ছোটা গালা, হাভেলিসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও নিহত হয়েছেন। তার দাবি, নিহতদের মধ্যে দুইজন বেলুচ আন্দোলনকারীও ছিলেন। জেএএসি জানায়, ৫ জুন থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত আন্দোলন চলাকালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে পৌঁছেছে। সংগঠনটি নিহতদের ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই সংখ্যাও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় কারচুপির মাধ্যমে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছেনা। তাদের দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করতে গ্রেপ্তার, ভয়ভীতি এবং ব্যাপক নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। রাওয়ালাকোটের ঘটনার পর অস্থিরতা মিরপুরেও ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নতুন করে শুরু হওয়া বিক্ষোভেও নিরাপত্তা বাহিনী বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে। কয়েকটি প্রতিবেদনে কয়েকজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর কথাও বলা হয়েছে। তবে এই তথ্যও এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি ঘিরে পিওকেতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। একই সাথে ব্র্যাডফোর্ডের বিক্ষোভ থেকে আন্দোলনকারীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভনে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আলাউদ্দীন (৫৬) নামের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর বাবা একজন দিনমজুর। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান।

একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে গেলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঘরে একা ছিল। দুপুর ১:৩০টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে আসেন এবং ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করার কথা বলে ওই কিশোরীর কাছে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। সে ফটোকপি দেওয়ার পর তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ গ্রহণ করে তিনি ঘরে ঢুকে ওই কিশোরীর গায়ে হাত দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

কিশোরী আতঙ্কিত হয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং সুযোগ পেয়ে সে ঘর থেকে বের হয়ে চিত্কারে জানায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কৌশলে পালিয়ে যান।

দিনাজপুর থেকে কিশোরীর বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগ ও শরীরের বিভিন্ন অসুস্থতা দেখে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ঠাকুরগাঁওয়ে ভর্তি করেন। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলাউদ্দীনকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কোনো কথা না শুনে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। বিপরীতে পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবধান ভারত, জেন জি’রা আসছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


সাবধান ভারত, জেন জি’রা আসছে

আপাতত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সামাল দিতে পেরেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। তবে, এই আন্দোলন সরকারের পক্ষ থেকে নয়, এটি প্রচলিত ধারার সকল রাজনৈতিক দলের সামনেই পালাবদলের একটি বড় ঈঙ্গিত দিয়ে গেছে।

দুর্নীতি এবং অনিয়ম করে, জনগণের সামনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করেই কিছু করার দিন শেষ হতে চলেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচনের সময়, জেন জি প্রজন্মই হবে ভারতের সবচেয়ে বড় ভোটার গোষ্ঠী। সংখ্যা ও প্রভাব, উভয় দিক থেকেই তারাই নির্ধারক হয়ে উঠবে। মাত্র ৩৭ দিনের আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তারা গোটা দেশকে তাদের সক্ষমতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৯ সালের মধ্যে ভারতে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী জেনারেশন জেড-এর সংখ্যা প্রায় ৩৮ কোটিতে পৌঁছাবে। এর মধ্যে থাকবে প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ পুরুষ এবং ১৮ কোটি ১০ লাখ নারী। এটি তাদের ভারতের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্ক প্রজন্মে পরিণত করবে। এমনকি, ২০২৯ সালের মধ্যে জেন জি’রা তাদের আগের প্রজন্ম মিলেনিয়ালদেরও ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৯ সালে মিলেনিয়াল প্রজন্মের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩৫ কোটি ৭০ লাখে।

এই পরিবর্তনের প্রভাব শুধু জনসংখ্যার হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের শিক্ষার্থী, প্রথমবার ভোট দেওয়া ভোটার এবং কর্মজীবনের শুরুতে থাকা পেশাজীবী ও তরুণ পরিবারের সর্বাধিক অংশ আসবে এই জেন জি থেকে। তাই কর্মসংস্থান, শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন এবং সুশাসনের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। আর জেন জি’র পেছনে অপেক্ষা করছে আরো বিশাল আকারের জেন আলফা। যদিও ২০২৯ সালে আলফা প্রজন্মের সদস্যরা ভোটাধিকারের বয়সের নিচে থাকবে, তবুও তাদের সংখ্যা ৪১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও জেন জি’রা ভারতের বৃহত্তম ভোটার গোষ্ঠীতে পরিণত হবে, তবে সামগ্রিক ভোটার তালিকায় তরুণ ভোটারদের অনুপাত ক্রমাগত কমছে। কারণ, চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ফলে ভারতে প্রবীণ জনগণের সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৮৮ সালে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের সংখ্যা ভারতের মোট ভোটারের ৩৮.৩ শতাংশ ছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের মধ্যে সেই অনুপাত ৩০.১ শতাংশে নেমে আসবে। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটি ২৭.৮ শতাংশে নেমে যেতে পারে।

তবে শুধুমাত্র সংখ্যার মাধ্যমে জেন জি’দের বিচার করা রাজনৈতিক নেতাদের জন্য একটি ভুল হতে পারে। জেন জি’রা আলাদা। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মিলেনিয়ালদের অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেন জি’দের জন্মই হয়েছে ডিজিটাল পরিবেশে। আধুনিক প্রযুক্তি শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বকে জেন জি‘দের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। তারা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ এবং মুহূর্তেই নিজেদের আপডেট করতে পারে। তাই, আগের মতো জেন জি’দের ভুল বুঝিয়ে পার পাওয়া সম্ভব নয়। এরা প্রচলিত রাজনীতিতে আগ্রহী না হলেও রাজনীতি সচেতন। জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে জেন জি’রা অত্যন্ত সোচ্চার ও সচেতন। তারা যেকোনো প্রতিষ্ঠান, সরকার বা শিক্ষাব্যবস্থার কাছে স্পষ্টতা, সততা এবং জাবাবদিহিতা চায়। নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য তারা খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে এবং একত্রিত হতে পারে। কতটা পারে, সেটা কিন্তু শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল প্রমাণ করেছে।

এ কারণে, কেবল সংখ্যা হিশেবে ভোটারের প্রভাব নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। জেন জি তাদের বিশাল সংখ্যার সঙ্গে নজিরবিহীন ডিজিটাল যোগাযোগ, উচ্চ শিক্ষা এবং সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত সংগঠিত হওয়ার ক্ষমতাকে যুক্ত করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রবীণ ভোটারদের মন জয় করা যত সহজ, জেন জি’দের মন বোঝা ততটাই কঠিন। যান্ত্রিকভাবে টানা ৩৭ দিনের সফল আন্দোলনের ঢেউ পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সাফল্য জেন জি’দের আরও আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন করেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচন তাই প্রচলিত রাজনৈতিক দলের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। সেইসব রাজনৈতিক নেতারা যারা দ্রুত জেন জি’দের সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করতে পারবে এবং তাদের ভাষা বুঝতে পারবে, তারাই সফল হবে। জেন জি’দের অবহেলা করার ভুল যেন কেউ না করে। তা হলে তাদের ফল ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%