প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভনে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আলাউদ্দীন (৫৬) নামের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর বাবা একজন দিনমজুর। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান।
একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে গেলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঘরে একা ছিল। দুপুর ১:৩০টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে আসেন এবং ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করার কথা বলে ওই কিশোরীর কাছে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। সে ফটোকপি দেওয়ার পর তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ গ্রহণ করে তিনি ঘরে ঢুকে ওই কিশোরীর গায়ে হাত দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
কিশোরী আতঙ্কিত হয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং সুযোগ পেয়ে সে ঘর থেকে বের হয়ে চিত্কারে জানায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কৌশলে পালিয়ে যান।
দিনাজপুর থেকে কিশোরীর বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগ ও শরীরের বিভিন্ন অসুস্থতা দেখে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ঠাকুরগাঁওয়ে ভর্তি করেন। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলাউদ্দীনকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কোনো কথা না শুনে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দেন।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। বিপরীতে পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন