ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার


ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শুধুমাত্র মাঠে লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেনা, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড়ধরনের প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। ইউবিএস নামক সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞটি বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপকে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন হিসেবে গণ্য করা হয়। আর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের সঙ্গে সম্পর্কিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এবারের টুর্নামেন্ট যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এই তিনটি দেশের ১৬টি শহরে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

এখনকার ধারণা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬০০ কোটি মানুষ এই টুর্নামেন্টটিকে অনুসরণ করবে। পাশাপাশি প্রায় ৬৫ লাখ দর্শক সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে খেলা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এই কারণে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আয়োজক দেশগুলোর পর্যটন, হোটেল, পরিবহন, খুচরা বিক্রয়, সম্প্রচার এবং প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে ৩য় বার্ষিক তাঁবু বাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান-২০২৬ শুরু

ইউবিএসের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলাকালীন বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার বা ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশ্বকাপ প্রায় ১ হাজার ৭২ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থনৈতিক অবদান রাখতে সম্ভব। পাশাপাশি সৃষ্টি হতে পারে প্রায় ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান।

বিশ্বকাপের আয় এখন আর শুধুমাত্র টিকিট বিক্রি বা স্পন্সরশিপের মানদণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ডিজিটাল কনটেন্ট, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে নতুন নতুন আয়ের উৎস গড়ে উঠছে।

বিশ্লেষকগণের মতে, বৈশ্বিক বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া উৎসব নয়; বরং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ভোক্তা ব্যয় বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ, ১১৩ রানে হার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাবিতে ১৩ ঘণ্টার সিন্ডিকেট সভা, ১১ শিক্ষক-কর্মকর্তার শাস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


জাবিতে ১৩ ঘণ্টার সিন্ডিকেট সভা, ১১ শিক্ষক-কর্মকর্তার শাস্তি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে ২১ জন শিক্ষক এবং ২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফ থেকে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এই সিদ্ধান্তগুলো সাংবাদিকদের জানান।

রোববার (১৫ জুন) বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ভোর পৌনে ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে একটি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা টানা প্রায় ১৩ ঘণ্টাব্যাপী ছিল।

সিন্ডিকেট সভার মধ্যে একজন শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে, ৯ জন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে পদাবনতি করে তাদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এছাড়া ২ জন শিক্ষককে সতর্ক করা হয়েছে। ফলে, ৭ শিক্ষক এবং একজন কর্মকর্তাকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৎকালীন উপাচার্য (ভিসি), উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি, প্রশাসন) এবং কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আলাদা তিনটি স্ট্রাকচার (তদন্ত) কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসরাফিল আহমেদ রঙ্গন, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলমগীর কবির, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান ও অধ্যাপক বশির আহমেদ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন শিকদার, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের প্রভাষক কানন কুমার সেনদের বেতন স্কেলের নিম্নধাপে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আগামী ৫ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে, তবে ২ বছর পর তারা পুনরায় পদোন্নতির আবেদন করতে পারবেন।

এছাড়া গুরুতর শাস্তি হিসেবে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রৌফ শৈবালকে ‘প্রভাষক’ পদে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাহিদুর রহমান খানকে ‘সহকারী রেজিস্ট্রার’ পদে পদাবনতি করা হয়েছে। তাদেরও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ২ বছর পর পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ থাকবে। অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হোসনে আরা এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ মামুনকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এদের মধ্যে অধ্যাপক ড. এ মামুনকে আগামী ৫ বছরের জন্য যেকোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮ জনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— আইবিএ-জেইউ-এর সহকারী অধ্যাপক পলাশ সাহা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফি মোহাম্মদ তারেক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলাম খন্দকার, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ছায়েদুর রহমান এবং সহযোগী অধ্যাপক মনির উদ্দিন শিকদার, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রাজীব চক্রবর্তী।

সিন্ডিকেট সভার পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘ আলোচনা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে যেন কোনও নির্দোষ ব্যক্তি শাস্তি না পান এবং প্রকৃত অপরাধীও যেন পার পেয়ে না যান।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত বা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সিন্ডিকেট প্রথমে একটি স্ট্রাকচার কমিটি গঠন করেছিল। সেই কমিটি ১৯ জন শিক্ষক ও ২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে। মূলত সেই কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করেই সিন্ডিকেট চূড়ান্ত রায় দিয়েছে।

তৎকালীন শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে তৎকালীন ভিসি, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) এবং কোষাধ্যক্ষের (ট্রেজারার) নেতিবাচক ভূমিকা স্পষ্টভাবে উল্লিখিত হয়েছে। তবে পূর্বে তাদের বিরুদ্ধে কোনো স্ট্রাকচার কমিটি গঠন হয়নি। তাই আজকের সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ওই তিনজনের ভূমিকা তদন্তে পৃথক তিনটি স্ট্রাকচার কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেকের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেকের বৈঠক

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শুরু হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে।

এ বৈঠক মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুরু হয়।

এই বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০২ পি.এম


অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের পিঁয়াজখালী বাজারে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৪২টি চায়না দোয়ারি জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে বাজারের দুটি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দোয়ারি উদ্ধার করা হয়।

পরে সন্ধ্যায় সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওনের নেতৃত্বে জব্দকৃত জাল ও দোয়ারিগুলো উপজেলা পরিষদ চত্বরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মন্তব্য করেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দোয়ারির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকি। এসব অবৈধ জালের ব্যবহার মাছের পোনা, ডিম এবং বিভিন্ন জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধ্বংস করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মৎস্য উৎপাদনের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। তাই মৎস্য আইন বাস্তবায়নে আমরা কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছি না। জনস্বার্থে এবং মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে জেলেদের সচেতন করতে প্রচারণামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দোয়ারি ব্যবহারের ফলে নদী-নালা, খাল-বিল এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন তথা বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের মৎস্যসম্পদ হ্রাসের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ কারণে সরকার মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এসব অবৈধ জাল উৎপাদন, মজুত, বিক্রয় এবং ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনাকে চমকে দিতে পারে আলজেরিয়ার চার তারকা ফুটবলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৪ পি.এম


আর্জেন্টিনাকে চমকে দিতে পারে আলজেরিয়ার চার তারকা ফুটবলার

বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখতে যেয়ে আর্জেন্টিনা এবার বড় একটি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হচ্ছে। এই সপ্তাহের বুধবার (১৭ জুন) আলজেরিয়ার সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা কোচিং স্টাফ প্রতিপক্ষের বিশ্লেষণে দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। আর্জেন্টাইন দলের ধারণা, আলজেরিয়া শুধুমাত্র একটি তারকা দল নয়, বরং এটি একাধিক ম্যাচ-উইনার দিয়ে গঠিত একটি সুদৃঢ় এবং ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড।

রিয়াদ মাহরেজ

আলজেরিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি নিঃসন্দেহে রিয়াদ মাহরেজ। তিনি লেস্টার সিটির ঐতিহাসিক প্রিমিয়ার লিগ জয়ের নায়ক এবং ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক উইঙ্গার। বর্তমানে তিনি সৌদি ক্লাব আল আহলিতে খেললেও, জাতীয় দলে তার অভিজ্ঞতা এখনও গুরুত্বপূর্ণ। ৩৫ বছর বয়সী মাহরেজ ৪৪ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন এবং আক্রমণ তৈরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আমিন গৌরি

ফরোয়ার্ড লাইনে আরেক বিশাল ভরসার নাম হলো আমিন গৌরি। ফরাসি ক্লাব মার্শেইয়ের এই স্ট্রাইকার গত মৌসুমে ২৮ ম্যাচে ১১ গোল করে অসাধারণ ফর্মে রয়েছেন। ইনজুরির কারণে আফ্রিকা কাপ মিস করার পরেও, বর্তমানে তিনি দলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

মোহাম্মদ আমোরা

গৌরির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আছেন আরেক ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ আমোরা, যিনি দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে ভয়ঙ্কর অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। জার্মান ক্লাব ভলফসভুর্গে খেলা এই ২৬ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড জাতীয় দলের হয়ে ৩৩ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন।

ইব্রাহিম মাজা

আলজেরিয়ার ভবিষ্যৎ তারকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ইব্রাহিম মাজাকে। ২০ বছর বয়সি এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার লেভারকুজেনের হয়ে নিয়মিত খেলছেন এবং গত মৌসুমে ৪৪ ম্যাচে ৫ গোল করেছেন। তার দক্ষতা উইং ও মাঝমাঠ—দু জায়গাতেই আলজেরিয়ার আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এছাড়াও রয়েছে আনিস হাজ মুসা। ফেইনুর্ডের এই উইঙ্গার গতি ও ড্রিবলিংয়ের জন্য পরিচিত এবং গত মৌসুমে তিনি ১৪ গোল ও ৭ অ্যাসিস্ট করে নজর কেড়েছেন।

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’র এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটিতে। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ৭টায় এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার জন্য এটি শুধু আরেকটি ম্যাচ নয়, বরং আলজেরিয়ার বহুমাত্রিক আক্রমণকে ঠেকানোর একটি কঠিন পরীক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%