১১:৫৪ এম
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শুধুমাত্র মাঠে লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেনা, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড়ধরনের প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। ইউবিএস নামক সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞটি বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
ফিফা বিশ্বকাপকে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন হিসেবে গণ্য করা হয়। আর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের সঙ্গে সম্পর্কিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এবারের টুর্নামেন্ট যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এই তিনটি দেশের ১৬টি শহরে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
এখনকার ধারণা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬০০ কোটি মানুষ এই টুর্নামেন্টটিকে অনুসরণ করবে। পাশাপাশি প্রায় ৬৫ লাখ দর্শক সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে খেলা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এই কারণে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আয়োজক দেশগুলোর পর্যটন, হোটেল, পরিবহন, খুচরা বিক্রয়, সম্প্রচার এবং প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: বেরোবিতে ৩য় বার্ষিক তাঁবু বাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান-২০২৬ শুরু
ইউবিএসের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলাকালীন বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার বা ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশ্বকাপ প্রায় ১ হাজার ৭২ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থনৈতিক অবদান রাখতে সম্ভব। পাশাপাশি সৃষ্টি হতে পারে প্রায় ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান।
বিশ্বকাপের আয় এখন আর শুধুমাত্র টিকিট বিক্রি বা স্পন্সরশিপের মানদণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ডিজিটাল কনটেন্ট, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে নতুন নতুন আয়ের উৎস গড়ে উঠছে।
বিশ্লেষকগণের মতে, বৈশ্বিক বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া উৎসব নয়; বরং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ভোক্তা ব্যয় বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ, ১১৩ রানে হার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন