বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান সিআইএ’র বিভিন্ন স্থাপনায় নিখুঁত ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব হামলার পেছনে রাশিয়া কোনও রকম টার্গেটিং ইনফরমেশন কিংবা উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করেছে কিনা, তা মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকরা তদন্ত করছেন।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে এটি জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের বিষয়ে জানাশোনা সম্পন্ন চার ব্যক্তি। জাতীয় নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, সিআইএ’র স্থাপনায় হামলা চালানোর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রুশ সম্পৃক্ততা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এখনো নিশ্চিত হয়ে উঠতে পারেননি। তবে হামলাগুলোর কার্যকারিতা, নিখুঁত নিশানা এবং রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তাকে তারা সম্ভাব্য প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
রয়টার্সসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম পূর্বে জানিয়েছিল যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়া ইরানকে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সহায়তা করে আসছে। যদিও সিআইএ’র স্থাপনার উপর হামলায় রাশিয়ার সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত আগে প্রকাশিত হয়নি।
রয়টার্স ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মার্চে ইরান সিআইএ’র অন্তত দু’টি গোপন ঘাঁটিতে হামলা চালায়। এর মধ্যে একটি ছিল সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সিআইএ স্টেশন এবং অন্যটি পূর্ব ইরাকে অবস্থিত একটি আলাদা ঘাঁটি। কিছু সূত্র জানায়, সিআইএ’র আরও কিছু ঘাঁটিতে হামলা হয়েছিল, কিন্তু বিস্তারিত জানানো হয়নি।
নথি দেখার সুযোগ রয়েছে এমন এক কর্মকর্তার বর্ণনা অনুযায়ী, পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি অভ্যন্তরীণ মেমোতে বলা হয়েছে যে, আঞ্চলিক সিআইএ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পেছনে রাশিয়ার ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে ওই কর্মকর্তা মেমোটির নির্দিষ্ট রচয়িতার নাম উল্লেখ করেননি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়োজিত দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা প্রতিবেদন সম্পর্কে যে ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে, সেখানে বিশ্লেষকদের অনুমান- সৌদি আরবে হামলায় শাহেদ ড্রোনের উন্নত দুইটি রুশ সংস্করণ ব্যবহার করা হয়েছিল। তাদের ভাষ্যমতে, প্রথম ড্রোনটি দূতাবাসের বাইরের দেয়ালের একটি দুর্বল অংশে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গর্ত তৈরি করে এবং দ্বিতীয় ড্রোনটি সেই গর্ত দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হয়। এই ঘটনায় হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।
সম্প্রতি, গত সপ্তাহে জর্ডানে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মার্কিন সেনা ব্যারাক লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। হামলায় অন্তত দুই মার্কিন সেনা নিহত হন। এই ঘটনার পর রাশিয়া ইরানকে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা করছে-এই আশঙ্কা আরও প্রকট হয়েছে।
অন্য একটি সূত্র জানায়, রাশিয়া ইরানকে স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম ‘কোমেটা-এম’ সরবরাহ করে তাদের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের নিখুঁত নিশানা ভেদ করার ক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করেছে। বিশেষজ্ঞগণ মনে করছেন, ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তির তুলনায় এই ব্যবস্থা অনেক বেশি নিখুঁত এবং জ্যাম করা (বাধাগ্রস্ত করা) কঠিন।
যদিও রাশিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানকে সমরাস্ত্র প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তার কথা স্বীকার করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নতুন মাস্টার সার্কুলার জারি করেছে, যার মাধ্যমে আরও সমন্বিত ও হালনাগাদ কাঠামো আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জারি করা সার্কুলারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ইডিএফ ঋণের পরিশোধের সময়সীমা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে।
নতুন এ সার্কুলারের মাধ্যমে ইডিএফ-সংক্রান্ত বিভিন্ন সময়ের নির্দেশনাগুলো একত্র করা হয়েছে এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও অন্যান্য উপকরণ আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রাভিত্তিক পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে ৬ মাসের বেঞ্চমার্ক সুদের হারের সঙ্গে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ যোগ করে পুনঃঅর্থায়ন সরবরাহ করা হবে। অন্যদিকে, এডি ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে ৬ মাসের বেঞ্চমার্কের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ গ্রহণের অনুমতি পাবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ইডিএফ ঋণ অবশ্যই ১৮০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে এই সময়সীমা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে।
ইডিএফ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতার শর্তগুলোও আরো কঠোর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন করতে ব্যর্থ রপ্তানিকারক বা যারা ইডিএফ দায় ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পরিশোধ করেছে, তারা নতুন ইডিএফ সুবিধা পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। তবে, যদি তারা বকেয়া রপ্তানি আয় দেশে ফিরিয়ে আনেন অথবা ডিসকাউন্ট কমিটির অনুমোদন পান, তবে তারা পুনরায় এ সুবিধা নিতে পারবেন।
মাস্টার সার্কুলারে ব্যাক-টু-ব্যাক লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) ভিত্তিক আমদানির জন্য বিদ্যমান খাতভিত্তিক অর্থায়নের সীমা বহাল রাখা হয়েছে। বিভিন্ন খাত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ অর্থায়নের সীমা ২ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। একইভাবে, বাল্ক আমদানির ক্ষেত্রেও আগের অর্থায়ন সীমা বিরাজমান রয়েছে, যা খাতভিত্তিক ১০ লাখ থেকে ২ কোটি মার্কিন ডলারের মধ্যে রয়েছে।
এছাড়া, খাত নির্বিশেষে যোগ্য বাল্ক আমদানির জন্য সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলারের ইডিএফ পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা চালু করা হয়েছে। আরও, যেসব রপ্তানিকারক বাল্ক আমদানি এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি উভয় ব্যবস্থায় আমদানি করছেন, তারা কেবল একটি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের জন্য নির্ধারিত অর্থায়ন সীমা ব্যবহার করতে পারবেন।
নতুন মাস্টার সার্কুলারে ইডিএফ আবেদন দাখিল, ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানোর প্রক্রিয়া এবং পরিচালন-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কেও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ী মহল এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতামত অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে জারি করা বিচ্ছিন্ন নির্দেশনাগুলোকে একটি সমন্বিত মাস্টার সার্কুলারের আওতায় আনার ফলে ব্যাংক ও রপ্তানিকারকদের জন্য ইডিএফ-সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করা আরো সহজ ও কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজস্থানের টোডারাইসিং শহরের একটি মদের দোকানে হঠাৎ করে একটি চিতাবাঘ ঢুকে পড়ে। সোমবার এই ঘটনাটি ঘটে এবং এতে দু'জন ব্যক্তি আহত হন। পরে বন বিভাগের উদ্ধারকারী দল চেতনানাশক ব্যবহার করে ওই প্রাণীটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে।
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, চিতাবাঘটি প্রথমে দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ব্যক্তির ওপর হামলা চালায়। এরপর সেটি দ্রুত মদের দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে এবং কর্মরত একজন তরুণের ওপরেও আক্রমণ করে। উক্ত হামলায় আহত হন দু'জনই।
ঘটনাটি ঘটার পরে, দোকানের ক্রেতা এবং আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও বন দফতরের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে এলাকা ঘিরে ফেলেন এবং উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে জয়পুর চিড়িয়াখানা থেকে আসা বিশেষ উদ্ধারকারী দল চেতনানাশক বন্দুক ব্যবহার করে চিতাবাহাটি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিরাপদে উদ্ধার করে।
আহত দু'জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কীভাবে চিতাবাঘটি শহরের জনবহুল এলাকায় প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, পুরো ঘটনাটি মদের দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড হয়েছে। সেই ভিডিও 'ঘর কা কলেশ' নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত হলে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটি ইতোমধ্যে অনেকেই দেখেছে এবং এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং অনেকে শহরে বন্যপ্রাণীর প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়া ও মানুষের বসতি সম্প্রসারণের ফলে এ ধরনের ঘটনা বাড়তে পারে, যা মানুষ এবং বন্যপ্রাণী উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আসিয়ান দেশগুলোর প্রতি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ফিলিপাইনের ম্যানিলায় ৩৩তম আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান বিশ্বের জটিল ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সেই কারণেই আঞ্চলিক নিরাপত্তায় সংলাপ, কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা সীমান্ত নিরাপত্তা ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান রাজনৈতিকভাবে হতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার নিরাপত্তায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এখন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের অবকাঠামো ও উপকূলীয় এলাকায় হামলা চালাতে থাকে, তবে যুদ্ধের একটি নতুন অধ্যায় প্রবেশের জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
নতুন সামরিক কৌশল বাস্তবায়নের জন্য হুঁশিয়ারি দিয়ে দেশটির সংবাদ মাধ্যম মেহের নিউজকে এসব কথা জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) লঙ্ঘনের কারণে সংঘাত এখন নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে এমনটি উল্লেখ করে আকরামিনিয়া বলেন, যদি ইরানের অবকাঠামো ও উপকূলীয় অঞ্চলে মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকে, তবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পাল্টা অভিযানও চলতে থাকবে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে, এই পরিস্থিতি এমনকি দীর্ঘসময় ধরে চলতে পারে না। তাদের যদি আমাদের দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আগ্রাসন চালানো চলতে থাকে, তাহলে আমরা অবশ্যই নতুন পদক্ষেপ নেব।’
তিনি আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘নতুন নতুন সামরিক পরিকল্পনা ও কৌশল প্রস্তুত করা হয়েছে এবং শত্রুকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নিরুৎসাহিত করতে আমরা ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে মাঠে নামব।
যুদ্ধের নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত করাও আমাদের কৌশলগত বিকল্পগুলোর একটি। এ ছাড়া আরো কিছু সামরিক পরিকল্পনা রয়েছে, যা সময়মতো প্রকাশ করা হবে।’
যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের যুদ্ধ প্রস্তুতির স্তরকে আরও জোরদার করেছে বলে দাবি করেন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে বিমানবাহিনী ও বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের মনোবল, সক্ষমতা ও প্রস্তুতি আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে।’
সম্ভাব্য স্থল অভিযান প্রসঙ্গে আকরামিনিয়া বলেন, ‘ইরান কোনো ধরনের শত্রু আগ্রাসনকে অসম্ভব মনে করে না এবং প্রতিটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে।’
তার ভাষায়, ‘যদি শত্রু স্থলপথে হামলার চেষ্টা করে, তবে তাদের দুর্বলতা আকাশপথ বা দূরপাল্লার হামলার তুলনায় অনেক বেশি হবে। স্থলযুদ্ধে শত্রুর ওপর আরো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত ঘটানোর সুযোগ থাকবে এবং সেক্ষেত্রে আমাদের কার্যকারিতা অনেক বেশি হবে।’
বক্তব্যের শেষের দিকে তিনি বলেন, ইরানের নিহত সেনা সদস্যের এবং নিহত সর্বোচ্চ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া এখন দেশের জনগণের দাবি ও জাতীয় অঙ্গীকারে পরিণত হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই সশস্ত্র বাহিনী তাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ার পর দুই দেশের মধ্যে আবারও হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই তেহরান ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করায় ইরানও ওই সমঝোতার অধীনে নিজেদের সব প্রতিশ্রুতি স্থগিত করেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ