সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০৯ পি.এম
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অপরাধ প্রবণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ ডিএমপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন থানার অপরাধ প্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মতিঝিল থানায় ৪ জন, পল্টন থানায় ২৮ জন, সবুজবাগ থানায় ৪ জন, খিলগাঁও থানায় ১৩ জন, রামপুরা থানায় ৪ জন, শাহজাহানপুর থানায় ১৯ জন এবং মুগদা থানায় ১২ জন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনসংলগ্ন তিনটি গ্রামে বাঘের উপস্থিতির খবরের কারণে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
খুড়িয়াখালী, সোনাতলা ও রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা নদীর চরে একটি মৃত গরুর দেহাবশেষ এবং বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়ার পর স্থানীয়রা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
বাঘের সম্ভাব্য বিচরণ প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দেওয়ার পাশাপাশি বন বিভাগ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে স্থানীয়দের সতর্ক করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে সুন্দরবনসংলগ্ন ভোলা নদীর চরে একটি গরুর দেহাবশেষ দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, গরুটিকে বাঘ খেয়ে থাকতে পারে। পরে সেখানে বাঘের পায়ের ছাপও দেখা যায়। সোমবার সকালে সুন্দরবনসংলগ্ন পানির এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের তিন গ্রামের মানুষের মধ্যে আতংক বৃদ্ধি পায়।
ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর আলম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায়। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা পর্যবেক্ষণ শেষে স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাঘটি আবারও সুন্দরবনে ফিরে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেটি পুনরায় লোকালয়ে আসবে না, এমন নিশ্চয়তা নেই। সুন্দরবনের সঙ্গে লোকালয়ের সীমানা লাগোয়া হওয়ায় মাঝে মাঝে বাঘ ও হরিণ লোকালয়ে চলে আসে।
তিনি আরও জানান, বাঘের উপস্থিতির আলামত পাওয়ায় মাইকিং করে স্থানীয়দের সতর্ক করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে অপ্রয়োজনে চলাচল সীমিত রাখতে হবে। কোনোভাবেই বাঘের ক্ষতি করা যাবে না। কোথাও বাঘের দেখা মিললে দ্রুত বন বিভাগকে খবর দেওয়ার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, বাঘের সম্ভাব্য বিচরণ নিয়ে খুড়িয়াখালী, সোনাতলা ও রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয়দের সতর্ক রাখতে কাজ করছে বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি গ্রামীণ রাস্তার উন্নয়নকাজে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন যে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও কাজ সম্পন্ন করা হয়নি এবং মানহীন খোয়া ও বালুর পরিবর্তে ইটের গুঁড়া (ডাস্ট) ব্যবহার করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, থানাহাট ইউপি কার্যালয় থেকে ব্যাপারীর হাট সড়ক (চেইনেজ ৯৫০ থেকে ২৩৫০ মিটার পর্যন্ত) উন্নয়নের কাজটি রাজশাহীভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'বরেন্দ্র কনট্রাকশন লিমিটেড' বাস্তবায়ন করছে। এই কাজটির জন্য ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৭১৭ টাকার বরাদ্দ রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৩ জুলাই কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, নির্দিষ্ট সময়সীমা অতিক্রম করার পরও প্রতিষ্ঠানটি কচ্ছপ গতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার কাজে নির্ধারিত নিয়মের প্রতি কোনো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। খোয়ার মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং স্ট্যান্ডার্ড বালু ব্যবহারের বিধান থাকলেও তার পরিবর্তে ইটের গুঁড়া বা ডাস্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তার দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তি মন্তব্য করেন, "আসলে সব জায়গায় যে খারাপ তা নয়, ভালো-খারাপের মিশ্রণ আছে।"
স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের ফলে এই সড়কটি অল্প সময়ের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাবে। সামান্য বৃষ্টি বা ভারী যানবাহন চলাচল করলে পিচ ও খোয়া উঠে রাস্তাটি খানাখন্দে ভরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, কাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন অনিয়ম করে আসছে। দিনের পর দিন কাজ ফেলে রাখায় এলাকাবাসীর চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এখন আবার নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে সরকারি অর্থের অপচয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী আতাউর রহমান জানিয়েছেন, বালুর পরিবর্তে ডাস্ট দিয়ে রাস্তা খারাপ করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যে ডাস্ট ব্যবহার করা হয়েছে তা দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জগবন্ধু রায় জানিয়েছেন, সরেজমিন পরিদর্শন না করে এই মুহূর্তে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।
স্থানীয়দের দাবি, যদি দ্রুত কঠোর তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না হয়, তবে সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি জনগণের কোনো উপকারে আসবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বক্স-অফিসে সাম্প্রতিক কিছু ছবির ফলাফল আশানুরূপ না হলেও, স্ট্রিমিং দুনিয়ায় অভিনেতা জেক গিলেনহাল সবসময়ই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও প্রশংসিত সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা ‘নাইটক্রলার’ খুব শীঘ্রই নেটফ্লিক্স থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নেটফ্লিক্স থেকে সিনেমাটি সরানোর পেছনে মূল কারণ হলো স্ট্রিমিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া।
বড় পর্দায় ব্লকবাস্টার হিট উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে গিলেনহালের পথ কিছুটা কঠিন হলেও, স্ট্রিমিংয়ে তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। ‘রোড হাউস’ কিংবা ‘প্রিজুমড ইনোসেন্ট’-এর মতো কাজের পর তার পুরনো কাজগুলোও দর্শকদের ঘরে বসে দারুণ বিনোদন দিচ্ছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নাইটক্রলার’ অন্যতম।
সিনেমাটি মুক্তির পর সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং এটি সিনেমার জগতে ‘ম্যান্ডেলা ইফেক্ট’-এর একটি স্থায়ী উদাহরণ হয়ে আছে। বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন যে এই ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য গিলেনহাল অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন, কিন্তু বাস্তব সত্য হলো তাকে সে সময় সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছিল।
ড্যান গিলরয় পরিচালিত এই সিনেমাটি রটেন টমেটোজে ৯৫% ‘সার্টিফায়েড ফ্রেশ’ স্কোর নিয়ে রয়েছে। রিজ আহমেদ, বিল প্যাক্সটন ও রেনে রুসো অভিনীত এই থ্রিলারটি আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত নেটফ্লিক্সে পাওয়া যাবে।
নেটফ্লিক্স থেকে সিনেমাটি বিদায় নেওয়ার এই খবরের পাশাপাশি জিলেনহালের ভক্তদের জন্য আরেকটি সুখবর রয়েছে। আগামী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মুক্তি পেতে চলেছে এম. নাইট শ্যামালানের অতিপ্রাকৃত রোমান্সধর্মী চলচ্চিত্র ‘রিমেইন’, যেখানে ফোবি ডাইনভোরের সাথে স্ক্রিন শেয়ার করবেন এই অভিনেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে শতাব্দীর নিকৃষ্ট মিথ্যাচার করে মামলা সাজানোর বিনিময়ে আওয়ামী লীগের এমপির কাছ থেকে ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ এবং সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন মানিক পশারী নামের এই ব্যক্তি। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটাররা আল্লামা সাঈদীর আসনে বলতেন, "মায়ের কোলে সন্তান যেমন থাকে সাঈদীর কাছে আমরা সেভাবেই আছি।"
ডাকসুর ভিপি ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও লেখেন, "সুখরঞ্জন বালী তো সারা পৃথিবীর সামনে সাহসের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন সাঈদী রহ. এর পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে। এলাকার সকলেই আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাবাজদের ঘৃণা করতেন। হয়তো সেই ঘৃণার কারণে কেউই এদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এগিয়ে আসেনি। যেমনিভাবে আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে নিকৃষ্ট মিথ্যাচার সাজিয়েছিলো মানবতার দুশমনরা, ওরা এখন এই ঘৃণিত ব্যক্তির মৃত্যু পরবর্তী জনঘৃণাকেও রঙ মেখে নানা কাহিনী সাজাচ্ছে।"
আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, "আগামীর বিপ্লব হবে ইনসাফের বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ। সঠিক পরিকল্পনা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে সমৃদ্ধশালী ঢাকা নগরী বিনিমার্ণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ