ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র


জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র

প্রত্যাশিত শুরুই পেলো যুক্তরাষ্ট্র।

ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা।

তারা তুলে নিয়েছে ৪-১ গোলের বড় জয়।

আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে কোটি টাকার কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ২ পাচারকারী

স্বাগতিকদের জয়ের নায়ক ফোলারিন বালোগুন। নিজেদের করা ৩ গোলের মধ্যে দুটিই তার, একটি আত্মঘাতী।

যুক্তরাষ্ট্র লিড পায় ম্যাচের সাড়ে ৬ মিনিটের মাথায়। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ যখন ডি-বক্সের ভেতর ম্যাককেনিকে পাস দেন, তখন বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার ড্যামিয়েন বোবাদিলা নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন।

২৮ মিনিটে তারা দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে গিয়েছিল। গোলদাতা বালোগুন ও তার সতীর্থদের উদ্‌যাপনের মাঝেই রেফারির বাঁশি, তাইলার অ্যাডামসের কাছে পাস পাওয়ার সময় অফসাইডে দাঁড়িয়ে ছিলেন ২৪ বছর বয়সি স্ট্রাইকার।

কিন্তু দুই গোলের লিড নিতে স্বাগতিকদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি।

আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন মিনিটের ব্যবধানে সেই বালোগুনই দ্বিতীয় গোলটি করেন। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ বাম প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে এসে গোলমুখে ঢুকে পড়েন। ডানদিকে থাকা বালোগুনকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি।

বালোগুন আলতো স্পর্শে বল জালে পাঠান। পরের গোলটিও তার। এবার অ্যাসিস্ট করেন মালিক তিলম্যান।

প্রথমার্ধেই যুক্তরাষ্ট্রের তিন গোল। দ্বিতীয়ার্ধে তারা হয়তো আরও ৩/৪টি গোল করবে! যারা এমন ভেবেছিলেন, তারা প্রত্যেকে ভুল প্রমাণিত।

দ্বিতীয়ার্ধের ২৭ মিনিট পর্যন্ত কোনো গোলই হয়নি। ৭৩ মিনিটে যে গোলটি হয়, সেটি প্যারাগুয়ের।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনের সম্ভাব্য ৮ ফলাফল প্রকাশিত

অরল্যান্ডো গিল লম্বা করে পাস দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধে। জুলিও এনসিসো নিখুঁত পাসে বল বাড়িয়ে দেন মাউরিসিওর উদ্দেশে।

বাঁ প্রান্ত থেকে আড়াআড়ি নেওয়া জোরালো শটে সেটি জালে পাঠিয়ে দেন মাউরিসিও।

শেষদিকের এই গোল শুধু ব্যবধানই কমিয়েছে, ম্যাচের ফল আর বদলাতে পারেনি।

চার নম্বর গোলটি যুক্তরাষ্ট্র করে ম্যাচের যোগ করা সময়ে।

আরও পড়ুন: ফোন দূরে রাখলেই পুরস্কার, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের অভিনব উদ্যোগ দর্শকদের জন্য

ফ্রিম্যানের কাছ থেকে বল পেয়ে জিওভানি রেইনা ডি বক্সে ঢুকেই শট নিয়েছিলেন।

গিল ঝাপিয়ে পড়লেও তাকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে প্রবেশ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীপথে ১৫ জনের পুশইন ঠেকালো বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


নদীপথে ১৫ জনের পুশইন ঠেকালো বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নদীপথে ১৫ জনকে বাংলাদেশের মধ্যে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও কঠোর বাধার কারণে তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) মধ্যরাতে রোকনপুর সীমান্তের শূন্য রেখায় এ ঘটনাটি ঘটে। পুশইনের শিকার হওয়া দলে ২ জন পুরুষ, ৮ জন নারী এবং ৫ জন শিশু ছিল।

নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২০/এমপির কাছে ভারতের কোটালপুর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ওই ১৫ জনকে নৌকাযোগে নদীপথে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে বাধা দেন। বিজিবির অনড় অবস্থানের কারণে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকারীরা শূন্য রেখায় ভারতের ভেতরেই দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন।

পরে বিজিবির কঠোর তৎপরতা ও জোরালো প্রতিবাদের মুখে রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ১৫ জনকে সীমান্ত-সংলগ্ন ভবানীপুর এলাকা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তাদের সীমান্ত এলাকায় আর দেখা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় কড়া নজরদারি এবং সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইন, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং অবৈধ পারাপার বন্ধ করতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বিজিবি বদ্ধপরিকর।’

রোকনপুর বিওপি কমান্ডার সুবেদার ওয়ালিদ হাসান জানান, মধ্যরাতে জোরপূর্বক ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হলে কঠোর প্রতিবাদ জানানো হয়। পরে বিএসএফ তাদের ফিরে নিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, যে সীমান্ত দিয়ে তাদের ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চলছে, সেখানে কোনো তারবেড়া নেই। বর্তমানে ওই সীমান্তে কড়া নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরের ভেন্যু হতে চায় সুইজারল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরের ভেন্যু হতে চায় সুইজারল্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আয়োজন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে সুইজারল্যান্ড। এএফপি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, যদি দুই পক্ষ সম্মত হয়, তাহলে জেনেভায় এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজন করতে প্রস্তুত রয়েছে সুইস সরকার।

সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এএফপিকে জানিয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির স্বাক্ষরের স্থান হিসেবে তারা সুইজারল্যান্ডের প্রস্তাব দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সঙ্গে তারা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানাচ্ছে সুইজারল্যান্ড। এই সমঝোতার লক্ষ্য হবে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতিকে আরও সুসংহত করা এবং দুই দেশের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা কমানোর পথ তৈরি করা।

এর আগে একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, আগামী রোববার অথবা ফ্রান্সে শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের সময় জেনেভায় সমঝোতা স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, এ কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি রয়টার্সকে বলেছেন, ইরানের ভেতরে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময় বা স্থান সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, সম্ভাব্য এই সমঝোতা স্মারক সরাসরি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নয়; বরং যুদ্ধবিরতি স্থিতিশীল করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনার ভিত্তি তৈরির একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করতে পারে।

ফলে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর জেনেভার দিকে রয়েছে, যেখানে আগামী কয়েক দিন পরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও স্বর্ণের ঘড়ির দাম বাড়ালো রোলেক্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ এম


আবারও স্বর্ণের ঘড়ির দাম বাড়ালো রোলেক্স

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির ফলস্বরূপ বিলাসবহুল ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলেক্স তাদের স্বর্ণের তৈরি ঘড়ির দাম আবারও বাড়িয়েছে। চলতি মাসে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে স্বর্ণের ঘড়ির দাম গড়ে ৫ শতাংশের মতো বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটল রোলেক্সের পক্ষ থেকে।

দুটি বিলাসবহুল পণ্য সম্পর্কিত গবেষণা প্ল্যাটফর্ম এবং দুইজন ঘড়ি বিক্রেতার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য, হংকং এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ রোলেক্সের প্রধান বাজারগুলোতে এই মূল্যবৃদ্ধিটি কার্যকর হয়েছে।

এর আগে জানুয়ারি মাসেও ঘড়ির দাম বৃদ্ধি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। তবে তখন শুধু স্বর্ণের ঘড়ির দামই বৃদ্ধি করা হয়নি, অন্যান্য মডেলেও মূল্যবৃদ্ধি ঘটানো হয়েছিল। বিশ্লেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিলাসবহুল পণ্যের বাজারে সামগ্রিকভাবে ধীরগতি দেখা গেলেও উচ্চমূল্যের পণ্যের প্রতি এখনও শক্তিশালী চাহিদা রয়েছে। রোলেক্সের নতুন মূল্যবৃদ্ধি সেই চিত্রটি তুলে ধরছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়াচচার্টসের বিপণন চিফ মার্ক জু বলেন, শুধু রোলেক্সই নয়, অন্যান্য বিলাসবহুল ব্র্যান্ডও তাদের পণ্যের দাম বৃদ্ধি করছে। উদাহরণস্বরূপ, রিচমন্ট মালিকানাধীন কার্টিয়ার তাদের কিছু স্বর্ণের ঘড়ির দাম গত মাসে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।

রিচমণ্ট তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে কার্টিয়ার এবং তাদের অন্যান্য জুয়েলারি ব্র্যান্ডগুলোর পণ্যের দাম সীমিত পরিসরে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গত বছরেও বিলাসবহুল ঘড়ি শিল্পে একাধিকবার দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছিল। তবে তখন মূলত যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক ছিল এর অন্যতম কারণ। বর্তমান বাজারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘড়ি উৎপাদনকারী দেশ সুইজারল্যান্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ নির্ধারিত আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সার্টিফায়েড প্রি-ওনড ঘড়ি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বোনেটা ইনকের এরিক বোনেটা জানিয়েছেন, চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো রোলেক্সের দাম বৃদ্ধি বাজারের মানুষকে অবাক করেছে। এটা কেউ আগে থেকেই ধারণা করতে পারেননি।

শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের অনেকেই বিলাসবহুল পণ্যে ব্যয় কমিয়ে দিয়েছেন। তবে অতি-ধনী ক্রেতাদের মধ্যে এখনও উচ্চমূল্যের ঘড়ির জন্য দৃঢ় চাহিদা বজায় রয়েছে। অনেকেই এই ঘড়িগুলোকে কেবল ফ্যাশন হিসেবেই নয়, বিনিয়োগের চোখ দিয়েও দেখছেন।

ওয়াচচার্টসের তথ্যানুসারে, জানুয়ারিতে জার্মানি, হংকং, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে রোলেক্স তাদের ঘড়ির গড় দাম ৬ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। তবে এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান রোলেক্স। রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে রিচমন্টও কোনো সাড়া দেয়নি।

২০২৪ সালের পর থেকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। একই সময়ে রোলেক্স, রিচমন্ট, এলভিএমএইচ, সোয়াচ, ব্রাইটলিং এবং শোপার্ডের মতো ব্র্যান্ডগুলোর স্বর্ণের ঘড়ির দামও বেড়েছে। বিলাসবহুল পণ্যবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেটাঅ্যান্ডডেটার প্রতিষ্ঠাতার মতে, ব্রাইটলিং এবং শোপার্ডের ঘড়ির দাম গত এক বছরে গড় স্থানীয় ৪ থেকে ৬ শতাংশ বেড়েছে।

উল্লেখ্য, ঘড়ি নির্মাতারা মূলত এখন এমন ধনী ক্রেতাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন যাদের হাতে এখনও অতিরিক্ত অর্থ রয়েছে। এজন্য তারা মূল্যবান ধাতু দিয়ে তৈরি এবং মূল্যবোধযুক্ত মডেলগুলোর প্রচারে বেশি গুরুত্ব এবং মনোযোগ দিচ্ছে।

কিছু মডেলের ক্ষেত্রে দাম আরও বেশি বেড়েছে। ১৯৭০-এর দশকে হলিউড অভিনেতা পল নিউম্যানের ব্যবহৃত রোলেক্স কসমোগ্রাফ ডেটোনার সাদা স্বর্ণের সংস্করণ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ৫৯ হাজার ১০০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছরে এই মডেলের দাম ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২৪ সালের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

ভনটোবেলের বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০ হাজার সুইস ফ্রাঁয়ের বেশি মূল্যের সুইস ঘড়ির রফতানি বর্তমানে মহামারির আগের সময়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৫ সালে সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি শিল্পের মোট ২৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ রফতানির দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি এসেছে এই উচ্চমূল্যের ঘড়ি থেকে। ২০১৯ সালে এ হার ছিল ২২ শতাংশ।

অনলাইন বিলাসবহুল ঘড়ির প্ল্যাটফর্ম ক্রোনো হান্টারের জনসংযোগ এবং কনটেন্ট বিভাগের প্রধান সাইমন ল্যাজারাস বিশ্বাস করেন, রোলেক্সের চাহিদা সরবরাহের চেয়ে অধিক হবে। তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত সবকিছুই নির্ভর করছে ব্র্যান্ডের চাহিদার উপর। আর রোলেক্স সবসময়ই জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকে থাকে।’

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৬ এম


প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কিছুক্ষণের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকার পর পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পৌঁছাবেন। তাকে স্বাগত জানাতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এখন অবস্থান করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর একে একে আসেন কক্সবাজার বিমানবন্দরে পানি সম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

এদিন সকাল ৯টা নাগাদ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কক্সবাজার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশ বিমানযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছাবেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি কড়া নিরাপত্তার বলয় তৈরি করেছে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরও উপস্থিত রয়েছে।

সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী-মাছুয়াখালী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেবেন।

इसके बाद বেলা সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের উদ্দেশে রওনা দেবেন। দুপুর ১২টায় তিনি সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ‘সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র উদ্বোধন করবেন এবং পার্ক পরিদর্শন করবেন।

দুপুর সোয়া ১২টায় তিনি পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা মুরাপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন। দুপুর ১টায় ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রথম শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

দুপুর দেড়টায় সেখান থেকে রওনা দিয়ে দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। পরে দুপুর পৌনে ৩টায় নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। জোহরের নামাজ আদায়ের পর বিকেল ৩টায় পেকুয়ার সাঈদ ম্যানশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।

বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া থেকে রওনা হয়ে বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে পৌঁছাবেন। সেখানে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন।

জনসভা শেষে বিকেল পৌনে ৫টায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে রওনা দেবেন কক্সবাজার শহরের। বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন। একইদিন রাত ৮টায় কক্সবাজারের লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট নাগরিক ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। সভা শেষে সর্বশেষ রাত ৯টায় তিনি সপরিবারে বিমানযোগে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%