১০:২৯ পি.এম
নীলফামারীর চড়াইখোলা ইউনিয়নের উত্তর আরাজী সরনজানি গ্রামে বাস করেন আব্দুর রশীদ। পূর্বে তাকে ‘ইহুদী’ বলে উল্লেখ করার পর সামাজিকভাবে বয়কটের একটি অভিযোগ উঠেছিল। তবে এবার তার ওপর নতুন একটি ট্যাগ জুড়ে দেয়া হয়েছে, তা হচ্ছে কাদিয়ানী ধর্মাবলম্বী। এই ট্যাগের কারণে ওই গ্রামের কিছু ব্যক্তি তাকে বাড়ি যেতে দিচ্ছেন না। বিশেষ করে, ওই গ্রামের মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলাম এ বিষয়টির সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। ২১ জুন সৈয়দপুর এসে সাংবাদিকদের কাছে আব্দুর রশীদ জানান, তিনি গত ১০ দিন ধরে বাড়ির বাইরে। ছোট ছোট সন্তানের মুখ তিনি দেখতে পাচ্ছেন না এবং স্ত্রীর সাথে ভালমন্দ আলাপ করতে পারছেন না। তিনি জানান, তার অপরাধ হলো তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশনের কিছু আরবি বই পড়েন এবং অর্থসহ তিনি হেফজ করেন। এই বই পড়া হতেই তার বড় অপরাধ। তাকে একদিকে বলা হচ্ছে ইহুদী, আবার অন্যদিকে কাদিয়ানী। বিষয়টি নিয়ে সরন জানি জামে মসজিদের ইমাম মোঃ সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বলতে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে, সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোন সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালানো হলে তাও পাওয়া যায়নি। ফলে তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। পরিবারের একজন সদস্য বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে আব্দুর রশীদ বাড়িতে যাচ্ছেন না। এই কারণে তিনি আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে রাত কাটাচ্ছেন। চড়াইখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম রেজা বলেন, আমি বৃহস্পতিবার ঢাকায় যাচ্ছি। পরে এসে এ বিষয়ে কথা বলবো। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এমন কোন অভিযোগ কেউ করেননি, তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন