ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী


মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলালের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান।

বিকেল তিনটায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাসের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

যে প্রশ্নটি সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলাল জানতে চেয়েছিলেন, তা হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের তালিকা এবং যারা গণহত্যার স্বীকার হয়েছেন তাদের তালিকা করা হবে কি না; সরকারের কি শহীদ পরিবারের সঠিক সংখ্যা ও গণহত্যার সঠিক তালিকা প্রকাশের কোনো পরিকল্পনা আছে? থাকলে, তা কবে নাগাদ শুরু হতে পারে?

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জবাবে বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরও তাদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তারা যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।

বিষয়টির গুরুত্ব অনুভব করে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন করা, বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা, এবং তার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ করা।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সব শহীদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন করা এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেওয়া সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: চার দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভারতের নতুন চমক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভারতের নতুন চমক

মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভারতের নতুন চমক এসেছে।

অনলাইন ডেস্কের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেমিকন্ডাক্টর তৈরি, ডিজাইন এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ভারত সরকারের মন্ত্রিসভা ১ দশমিক ২৮ ট্রিলিয়ন রুপি (প্রায় ১ হাজার ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার) নতুন বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে।

এর ফলে দেশটিতে মোবাইল ফোন উৎপাদনে একটি নতুন মাত্রা যোগ হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে কর্মসংস্থানও বাড়ছে।

গত বুধবার দেশটির তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই অর্থ সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) ও চিপ ডিজাইন উন্নয়ন, নতুন চিপ উৎপাদন কারখানা (ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট) স্থাপন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) কার্যক্রমকে জোরদার করার জন্য ব্যয় করা হবে।

প্রায় পাঁচ বছর আগে ভারত ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল দেশটিকে বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। সেই কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ১২টি উৎপাদন ইউনিট এবং ২৪টি সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে ভারত সরকার জানিয়েছে।

এদিকে, মন্ত্রিসভা মোবাইল ফোন উৎপাদন বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য একটি নতুন কর্মসূচির জন্য ৬২ হাজার ৫০০ কোটি রুপি বরাদ্দও অনুমোদন করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ভারতে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের যোগ্য বিক্রয়ের ওপর ২ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া হবে।

এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ দেশীয়ভাবে সংগ্রহ করলে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

গণফোরামের সরকারের আশা, নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে প্রায় ৬০ হাজার সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ভারতের ইলেকট্রনিকস উৎপাদন খাত আরো শক্তিশালী হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদির আমন্ত্রণে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের। এই বৈঠকটি বুধবার (১৫ জুলাই) ইরান দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইরানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধিদল মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)-এর পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের সরকার ও সাধারণ জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একইসঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে তারা অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং ইরানে দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার জোরালো প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং ইরানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু করা, ব্যবসা-বাণিজ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইরানের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। উভয়পক্ষই বাংলাদেশের ও ইরানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আগামীতে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত আলহাজ গোলাম মসীহ। প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ইমতিয়াজ আহমেদ সজল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্যসচিব ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাজন সিকদার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

কেইন-বেলিংহ্যামকে থামাতে স্কালোনির বিশেষ পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


কেইন-বেলিংহ্যামকে থামাতে স্কালোনির বিশেষ পরিকল্পনা

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় দুই শক্তি, জুড বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেইনকে সামনে রেখে পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। তিনি মনে করেন, যদি এই দুই তারকাকে কার্যকরভাবে আটকাতে পারেন, তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখার সম্ভবনা বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বকাপের পুরো সময়জুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেওয়ার পিছনে মূল ভূমিকা পালন করেছেন বেলিংহ্যাম ও কেইন। মিডফিল্ডের দিক থেকে বেলিংহ্যাম আক্রমণ ও রক্ষণ, দুই দায়িত্বই নিখুঁতভাবে পালন করছেন এবং গোল করার দায়িত্বে রয়েছেন অধিনায়ক কেইন, যিনি ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

সেমিফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, 'বেলিংহ্যাম ও কেইন দুজনই অসাধারণ ফুটবলার। তারা বিশ্বের সেরাদের মধ্যে থাকবে এবং যেকোনো কোচই তাদের দলে চাইবে।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা আমাদের নিজস্ব শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের প্রভাব কমানোর চেষ্টা করব। যাতে তারা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে না পারে, সেই জন্য আমাদের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি, ম্যাচে সেটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারব।'

নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই আর্জেন্টিনা কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছে। তবে প্রতিটি পরীক্ষাতেই লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দলটি প্রতিকূলতা কাটিয়ে জয়ী হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একই মানসিকতা ও পারফরম্যান্স দেখতে চান স্কালোনি।

আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, 'আমাদের ক্ষুধা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা দুটোই প্রবল। আমরা বলের দখল বজায় রেখে নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলতে চাই, কারণ এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।'

তিনি যোগ করেন, 'যেসব ফুটবলার পুরো টুর্নামেন্টে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বিশেষ করে মেসিসহ অভিজ্ঞ যারা আছেন, তাদের কাছ থেকে সেমিফাইনালেও একই মানের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করছি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রারের চাকরি গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


হাইকোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রারের চাকরি গেল

হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়া চাকরি হারিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতিদের বিরুদ্ধে ফেসবুক পোস্টে কুৎসা রটানো এবং সুপ্রিম কোর্টের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার, সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান এই তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দি সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুলস, ১৯৮৩ এর ২(৪) বিধি ৩(বি) অনুযায়ী আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায়, ৪(১)(জি) বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর পূর্বে গত ৬ মে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে, ‘হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানী-১) ইব্রাহীম আলম ভূইয়া ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাঁদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন।

অন্যদিকে, তিনি ব্যক্তিস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মিডিয়ায় প্রতিষ্ঠানের, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অসত্য কুৎসা প্রচার করেছেন, যা প্রতিষ্ঠানীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বৈধ আদেশ পালন না করতে অন্যান্য কর্মচারীদের ইন্ধন দিয়ে অফিসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন, যা সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুল ১৯৮৩ এর ২(৪) বিধি ৩ (বি) মোতাবেক গুরুতর অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী। এই অভিযোগ বর্ণিত বিধির ৪ (১) মোতাবেক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি চাকরি হতে বরখাস্ত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%