ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী


শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী।

শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার।

গত শুক্রবার (৩ জুলাই) দিনভর ভোটগ্রহণ চলে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয় বলে জানায় নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: তানভীর হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে শিবা শানু পেয়েছেন ২৪৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন জয় চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।

এবারের নির্বাচনকে ঘিরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিএফডিসিতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেলের মধ্যে ছিল মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। একদিকে ছিলেন আরমান–মুক্তি পরিষদ, অন্যদিকে শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদ।

নির্বাচনের আগে প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান এবং ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সরগরম ছিল চলচ্চিত্রাঙ্গন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ২৭ কেন্দ্রে ধানের শীষের ব্যবধান ১৯,৭৩৮ ভোট

শুক্রবার সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট শেষে সন্ধ্যায় ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু করে নির্বাচন কমিশন। দীর্ঘ সময় ধরে ভোট গণনা শেষে শনিবার ভোরে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব পেলেন সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী। নতুন কমিটির কাছে শিল্পীদের অধিকার রক্ষা, কল্যাণমূলক কার্যক্রম জোরদার এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ে এবার পতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০০ এম


পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ে এবার পতন

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নানান সীমাবদ্ধতার ধাক্কায় দেশটির শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ে পতন ঘটেছে। দেশে প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যা আগের অর্থবছরের ৩৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে।

এই খাত দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি যোগান দেয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী এ বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং এর উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ প্রতিদিন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাকের মধ্যে ওভেন পোশাক রপ্তানি ১৮.১৯ বিলিয়ন ডলার থেকে সামান্য কমে ১৮.০৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ০.৬১ শতাংশ কম। অপরদিকে, নিট পোশাক রপ্তানি ২১.১৬ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২০.৬২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ নিট পোশাক রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

মাসভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের শুরুতে জুলাই মাসে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি ছিল। ওই মাসে মোট রপ্তানি ২৪.৬৭ শতাংশ বেড়ে ৩.৯৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। এপ্রিলে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ এবং জুনে ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা হয়েছে। তবে আগস্ট থেকে মার্চ পর্যন্ত অধিকাংশ মাসেই রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

এদিকে, মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে ১৪ দশমিক ২৩ শতাংশ পতন রেকর্ড করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতেও রপ্তানি ১৩.২১ শতাংশ কমে যায়। অর্থবছরের কয়েক মাসে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির সাক্ষী হলেও অধিকাংশ মাসে রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে বার্ষিক হিসাবে দেশের তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, 'বিশ্ববাজারে দুর্বল চাহিদা ও ক্রেতাদের কম দাম প্রস্তাবের কারণে অনেক কারখানা লোকসানে পড়েছে। মজুরি, সুতা, রং, রাসায়নিক, জ্বালানি ও অন্যান্য উৎপাদন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, যা দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলের হত্যার ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেল ইরানের দুই নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ এম


ইসরায়েলের হত্যার ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেল ইরানের দুই নেতা

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইসরায়েলের উসকানিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলায় সামিল হয়।

পরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সঙ্কট, অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও জনমতের চাপে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে মরিয়া চেষ্টা চালাতে থাকে।

যুদ্ধের শুরুতেই, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য ছিল অভিন্ন। তবে, যখন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা শুরু করে, তখন ইসরায়েল বিপাকে পড়ে। কারণ তারা সবসময়ই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে মরিয়া ছিল। আগের যেকোনো যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা ভণ্ডুল করার জন্য তাদের চেষ্টা কমতি ছিল না। এমনকি, ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে শান্তি প্রচেষ্টাকে নস্যাতের চেষ্টা করে।

এপ্রিলের শুরুতে শান্তি আলোচনার সময়ে, ইরানের দুই শীর্ষ নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছিল ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র গোপনে এই ষড়যন্ত্রের খবর ইরানকে জানিয়ে দেয় এবং হত্যার তালিকা থেকে দুই নেতার নাম বাদ দিতে ইসরায়েলকে বাধ্য করে।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায়, সব ধরনের শান্তি আলোচনায় ইতিবাচক অংশগ্রহণ ছিল এ দুই নেতার।

সেজন্যই ইসরায়েল এই দুই নেতাকে হত্যার মাধ্যমে শান্তি আলোচনা নস্যাতের মরিয়া চেষ্টা চালায়। মার্কিন প্রশাসনের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস এই খবরটি প্রকাশ করে।

যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করে সরকার পরিবর্তন ঘটানো। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধে শুরুতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। পরবর্তীতে, বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলের হামলায় মারা যান ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা আলি লারিজানি এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল খারাজি।

তারা দুজনেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।

জানতে পেরে মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েল আরাঘচি ও গালিবাফকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। তাদের ধারণা ছিল, এ দুজন মারা গেলে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাবে এবং যুদ্ধ প্রলম্বিত হবে। তাই, তারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশের মাধ্যমে ইরানকে এ ষড়যন্ত্রের কথা জানিয়ে সতর্ক করে। একই সঙ্গে, ইসরায়েলকে চাপ দিয়ে তাদের হত্যার তালিকা থেকে এ দুজনের নাম বাদ দিতে বাধ্য করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘অন্তত গালিবাফকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে বলে।’

ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর এপ্রিলে ইসলামাবাদে প্রথম যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতারা মুখোমুখি বৈঠকে বসেন। সে আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্পিকার গালিবাফ।

নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, তেহরান তখনই আশঙ্কা করেছিল, আলোচনা ব্যাহত করার জন্য ইসরায়েল এই সুযোগে গালিবাফ বা আরাঘচিকে হত্যা করতে পারে। এ কারণে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায় ইরান। যাওয়ার পথে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমানটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বিপদ তখনও কাটেনি। ফেরার পথে তাদের টার্গেট করা হয়।

ইরানি গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ইরাক সীমান্ত ঘেঁষে ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে এবং গালিবাফের বিমানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবর পেয়ে প্রতিনিধিদলকে বহনকারী বিমানটি সরাসরি তেহরানে না গিয়ে পাকিস্তান সীমান্তের কাছে মাশহাদ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। ঝুঁকি এড়াতে ৭০ সদস্যের ইরানি প্রতিনিধিদল সড়ক পথে তেহরানে পৌঁছায়।

তবে ঝুঁকি সত্ত্বেও ইরান শান্তি আলোচনা অব্যাহত রাখে। এপ্রিলে শুরু হওয়া আলোচনা শেষ পর্যন্ত জুনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের ওপর এর আগে অন্তত দুইবার হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। দুইবারই পাহাড়ের নিচে একটি গোপন বাঙ্কারে আটকা পড়েন গালিবাফ এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে মেয়র প্রার্থী কামাল হোসেন বেপারীর উঠান বৈঠক, চাইলেন জনসমর্থন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল মাদারীপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ এম


কালকিনিতে মেয়র প্রার্থী কামাল হোসেন বেপারীর উঠান বৈঠক, চাইলেন জনসমর্থন

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী তৎপরতা বেড়ে চলছে দিন দিন। এ প্রেক্ষিতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বেপারী বিভিন্ন ওয়ার্ড ও এলাকাতে গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের সমর্থন চেয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার রাতে তিনি নিজ বাড়ির বেপারী বাড়ির উঠানে স্থানীয় বাসিন্দা, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর সঙ্গে একটি উঠান বৈঠক আয়োজন করেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সবাইয়ের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সবার দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন চেয়ে নেন।

এ সময় মোহাম্মদ কামাল হোসেন বেপারী বলেন, "আমি কালকিনি পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করব।"

বৈঠকে উপস্থিত স্থানীয়রা তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। পরে উপস্থিত সবার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করে ভবিষ্যতে জনগণের পাশে থেকে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার বাইরে হাজার হাজার মানুষের সমাগম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার বাইরে হাজার হাজার মানুষের সমাগম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়ার জন্য রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের বাইরে আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকালে ভোর থেকেই হাজার হাজার মানুষ সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষা করছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় জনসাধারণের জন্য মোসাল্লা কমপ্লেক্স খুলে দেওয়ার আগে থেকেই শোকাহত মানুষের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়ে যায়। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এই গ্র্যান্ড মোসাল্লাতেই খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে হামেদি এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘আমরা আমাদের নেতাকে শেষবার বিদায় জানাতে এসেছি। তাই এভাবে অপেক্ষা করা আমাদের কাছে কষ্টকর বা কঠিন মনে হচ্ছে না।’

এছাড়া, খামেনির মৃত্যুতে ইরানজুড়ে কয়েকদিন ধরে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন শহর থেকে হাজারও মানুষ তেহরানে এসে শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন। ৩৭ বছরের নেতৃত্বের অবসান ঘটেছে, কিন্তু অশ্রু আর স্মৃতিতে এখনও অম্লান আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তেহরান থেকে মাশহাদ, শেষ বিদায়ের প্রতিটি পথ পরিণত হচ্ছে শোক, শ্রদ্ধা আর বিশ্বাসের মহাসমুদ্রে।

প্রশাসন আশা করছে, প্রয়াত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজায় এক কোটির বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করবে। ১০০টিরও বেশি বিদেশি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা জানালেও ইউরোপীয় দেশগুলোতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তেহরানের পক্ষ থেকে।

খামেনি ইরানের জনগণের কাছে কেবল একজন নেতা ছিল না, বরং গৌরব, সাহস এবং শক্তির একটি প্রতীক। প্রাণের অভিভাবকের জানাযা ও রাষ্ট্রীয় বিদায়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হাজারো মানুষ।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা একজন জানিয়েছেন, ‘আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি আমাদের হৃদয়ে, আমাদের আত্মায়, আমাদের অস্তিত্বের গভীরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তিনি আমাদের সবার সঙ্গে, আমাদের প্রিয় ইরান এবং সমগ্র উম্মাহর সঙ্গে চিরকাল থাকবেন। তাই আমরা কখনোই তাকে বিদায় জানাব না।’

আরেকজন বলেন, ‘আমাদের শহীদ নেতা ছিলেন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান। শহীদ ইমাম ইরান এবং ইসলামের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে দূরদর্শিতা রেখে গেছেন, তা বিবেচনায় নিয়ে আমরা অবশ্যই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী।’

মর্মান্তিকভাবে জানাতে হয়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন। একই হামলায় তাঁর মেয়ে, নাতনি, জামাতা ও পুত্রবধূও নিহত হন। ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাত চলতে থাকায় খামেনির দাফন অনুষ্ঠান কয়েকবার পিছিয়ে নির্ধারিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির অবকাশে প্রায় চার মাস পর ব্যাপক আয়োজনের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুসারে খামেনির স্মরণে সাতদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান ইরান ও ইরাকের একাধিক শহরে অনুষ্ঠিত হবে, যা গতকাল শুক্রবার শুরু হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় খামেনির মরদেহ। শুক্রবার একটি ঐতিহাসিক ও ভাবগম্ভীর অনুষ্ঠানে ইরানের তিনটি সরকারি শাখার প্রধানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপতি, সংসদীয় স্পিকার, বিশেষ দূত, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী ও চিন্তাবিদরা শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর একে একে সেখানে হাজির হন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও শীর্ষ নেতারা। তাঁরা নীরবে চোখের জলে দোয়া করেন প্রিয় নেতার জন্য। ইরানি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার, ধর্মীয় সংখ্যালঘু প্রতিনিধি, প্রতিরোধ ফ্রন্টের শহীদ পরিবার এবং আরব উপজাতীয় নেতারাও এই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

শুধু ইরানের নেতারাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং ইরানের মিত্রদের পরিবারও শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন। ভারতের শিখ ও হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের একটি প্রতিনিধিদলও খামেনির মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।

লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি খামেনির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানান এবং পরে ইরানের প্রেসিডেন্টসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তবে এবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তেহরানের পক্ষ থেকে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়েছে, তাদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের প্রশ্নই ওঠে না। ফলে খামেনির শেষ বিদায়ের আয়োজন শোকানুষ্ঠানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের রাজনৈতিক অবস্থান ও মিত্রতারও স্পষ্ট বার্তা হয়ে উঠেছে।

শোকযাত্রার প্রতিটি গন্তব্য বহন করছে বিশেষ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য। ক্ষমতার কেন্দ্র তেহরানের পর মরদেহ নিয়ে ময়মনসিংহ শিয়া ধর্মীয় শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র কোমে, যেখানে অন্তত ২০ লাখ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এরপর ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালা হয়ে শেষ গন্তব্য হবে মাশহাদ। শিয়া ইসলামের অষ্টম ইমামের মাজার এবং খামেনির জন্মস্থান হওয়ায় সেখানে আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণের আশা করছে ইরান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%