বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৩৬ পি.এম
রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজির হাসান অভিযোগ করেছেন যে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে উঠে আসা সংবাদ সম্পূর্ণ 'মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত'। তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে নাজির হাসান জানান, গত ২৭ জুলাই সোমবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রাজশাহীর লক্ষ্ণীপুর মোড়ে একাত্তর আবাসিক হোটেলের মালিক রাজু ও পিয়াসী আবাসিক হোটেলের মালিক হাবিবের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় রাজু আহত হন। তবে তিনি দাবি করেন যে, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি আরও বলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ, সম্পর্ক অথবা পূর্বপরিচয় নেই। ঘটনার সময় তিনি ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় ছিলেন এবং এ বিষয়টি সমর্থনে ঢাকা যাতায়াতের টিকিট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নাজির হাসান আরো উল্লেখ করেন যে, তার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে তথ্য বিকৃত করে বিভ্রান্তির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জানান, বিনা যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে তাকে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করলে এ ধরনের বিভ্রান্তির সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি তিনি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান করেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিক, অতিথি এবং দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইফেরত এক যাত্রীর ব্যাগেজে পাওয়া গেছে প্রায় ছয় লাখ টাকা মূল্যের বিদেশি সিগারেট। অবৈধভাবে আনা এসব সিগারেট বৃহস্পতিবার সকালে জব্দ করা হয়। বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৯টার দিকে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রী মোহাম্মদ সোহেলের ব্যাগেজের তল্লাশি করে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স। এ সময় মন্ড ও ইজি লাইটস ব্র্যান্ডের ২৩৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা। ওই যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং সিগারেটের চালানটি জব্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার শতবর্ষী পৌরসভায়, এই প্রথমবারের মতো শীর্ষ পর্যায়ে একটি নারী কর্মকর্তা স্থান পেলেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকালে ভারপ্রাপ্ত পৌর প্রশাসক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনমুন জাহান লিজা।
১৮৮৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, ধীরে ধীরে নেত্রকোনা পৌরসভার ক্রমবিকাশ ঘটেছে। জানা যায়, ২১ দশমিক শূন্য দুই আয়তনের পৌরসভাটি ১৯৯৬ সালের ১০ অক্টোবর ‘ক’ (প্রথম) শ্রেণির মর্যাদা লাভ করে। তবে পুরোটাই পুরুষরা দায়িত্ব পালন করেছেন পৌর চেয়ারম্যান, মেয়র ও প্রশাসক পদে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর শূন্য পদে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালককে প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং মো. আরিফুল ইসলাম সরদারের পর মুনমুন জাহান লিজা পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই সুখবরের কারণে, বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা শুভকামনা জানিয়েছেন।
শতবর্ষী এই পৌরসভায় এর আগে কখনও কোনো নারী চেয়ারম্যান বা মেয়র হননি। অনেকেই মনে করেন, প্রশাসক পদে একটি নারী কর্মকর্তার অধীনে নেত্রকোনা পৌরসভার বিভিন্ন অনিয়মগুলো দূর করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে নারীরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।
অন্যদিকে, মুনমুন জাহান লিজা প্রথম দিনের কাজ শুরু করার পরই পৌরসভার নিজ আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার তাগিদ দেন। তিনি অফিস কক্ষগুলো ঘুরে দেখে পরিচ্ছন্নতার নির্দেশনা প্রদান করেন। ক্রমান্বয়ে শহরের সকল পাড়া-মহল্লায় পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরালোভাবে শুরু করা হবে বলেও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "নিজ আঙিনা থেকেই পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম করতে হবে।" পাশাপাশি, যেখানে মানুষ ময়লা-আবর্জনা ফেলে, সেই স্থানগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি করার পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ঐতিহাসিক অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং নারীর অধিকার ও মর্যাদাবিরোধী সব ধরনের অপতৎপরতা আইন করে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর আয়োজিত ‘২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: নারীর অধিকার ও মুক্তির গতিপথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান।
সাইফুল হক বলেন, নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই জুলাই আন্দোলন প্রকৃত গণজাগরণ ও গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। কিন্তু অভ্যুত্থানের পর নারীরা রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পরিসরে প্রত্যাশিত স্থান পাননি।
তিনি বলেন, সমাজ এক চাকার সাইকেল দিয়ে চলতে পারে না। পুরুষের পাশাপাশি নারীর সমঅধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সভাপতি বহ্নিশিখা জামালী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা। এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সহসভাপতি রাশিদা আক্তার, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক শান্তা বেগম, মরিয়াম বেগম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, কাঠামোগত সংস্কার, প্রকল্প বাস্তবায়নের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম একটি বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি এ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রে বলেছিলেন, ‘আমাদের অঙ্গীকার হলো এমন একটি বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। বাজেট ও সরকারের বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপে এই রূপকল্প প্রতিফলিত হয়েছে।’
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) আয়োজিত ‘লেবার মার্কেট টাইটনেস অ্যান্ড অ্যাগ্রিগেট শকস: এভিডেন্স ফ্রম বাংলাদেশ’স লার্জেস্ট অনলাইন জব পোর্টাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন।
বিআইডিএসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক ও জেনারেল ইকোনমিকস ডিভিশনের অধ্যাপক ড. অতনু রাব্বানী।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সব উন্নয়ন কর্মসূচি নির্বাচনী ইশতেহার এবং পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন ও সংস্কার কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যা সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই আগামী ১৭ আগস্ট-এ কৌশলপত্র প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, চলমান ও নতুন প্রকল্পগুলো যাতে নির্বাচনী ইশতেহার ও আসন্ন কৌশলপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সে লক্ষ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
অতীতে সমন্বয়ের অভাবে অনেক প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ায় সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে উল্লেখ করে সাকি বলেন, সরকার এখন বিচ্ছিন্ন প্রকল্পভিত্তিক পদ্ধতির পরিবর্তে কর্মসূচিভিত্তিক (প্রোগ্রামভিত্তিক) পদ্ধতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যাতে পরস্পর-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলো একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা যায়।
তিনি বলেন, ‘সঞ্চালন লাইন, বিতরণ ব্যবস্থা কিংবা দক্ষ জনবল ছাড়া শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কোনো অর্থ নেই।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমনের পাশাপাশি সরকার প্রথমে কাঠামোগত অদক্ষতা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অভিন্ন ও বিশেষায়িত রেট শিডিউল প্রণয়নে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রকল্পের ব্যয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাইয়ের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে।
তার মতে, প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থা অনুমোদিত ব্যয়সীমার সঙ্গে প্রকল্প ব্যয়ের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করবে এবং সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি সমন্বিত ও একক জাতীয় ডেটা সিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার বেশ কয়েকটি ডিজিটাল উদ্যোগকে একত্রিত করছে।
তিনি বলেন, জরিপ নির্ভর কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে(বিবিএস) আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হলো- একটি সমন্বিত ও স্বয়ংক্রিয় তথ্য ব্যবস্থা তৈরি করা এবং অধিকাংশ সরকারি তথ্য গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহজলভ্য করা, যাতে বাস্তবভিত্তিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ করা যায়।’
সরকারি পরিসংখ্যানের নির্ভুলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনোভাবেই সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিকৃত করতে চায় না।
তিনি বলেন, ‘এই সরকারের নীতি কৃত্রিম কোনো বাস্তবতা তৈরি করা নয়। আমরা বাস্তবে কোথায় দাঁড়িয়ে আছি তা জানতে চাই, যাতে আমরা অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে পারি এবং প্রয়োজনে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে পারি।’
বিনিয়োগের অগ্রাধিকার খাত সম্পর্কে তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), ইলেকট্রনিক্স, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার।
তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে জ্বালানি সংকট নিরসন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
বেসরকারি খাতের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আর্থিক খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যাংকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ, সম্ভাবনাময় শিল্পকে সহায়তা, মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমাতে এবং অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক অনুমোদন ব্যবস্থা ও সমন্বিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসন খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে ধাপে ধাপে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে কেউ বাদ না পড়ে এবং অনিয়মের সুযোগ কমে।
সাকি বলেন, সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বাস্তবায়ন।
এ লক্ষ্যে আগামী ১৭ আগস্টের আগেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণের জন্য ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড চালু করা হতে পারে।
গবেষকদের কাছ থেকে আরও বেশি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বিআইডিএস তার গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে তথ্যভিত্তিক নীতি নির্ধারণ এবং জাতীয় উন্নয়নে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ