০৯:৫৭ পি.এম
শ্রমিক তৌফিককে হত্যার অভিযোগে সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তিনি যে অভিযোগ করেছেন, সেই জন্য তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গুপ্ত সাদিক কায়েমের কাছে কি কোনো প্রমাণ আছে যে, বিএনপি সরকার শ্রমিক তৌফিককে হত্যা করেছে? যদি প্রমাণ থাকে, তবে সেগুলো তিনি প্রকাশ করছেন না কেন?
রাশেদ খান আরও লেখেন, বর্তমান জামায়াত নেতা সাদিক কায়েম লিখেছেন যে, বিএনপি সরকার শ্রমিক তৌফিককে হত্যা করেছে। তৌফিক হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করা এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারকে শ্রমিক হত্যার দায় নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। শ্রমিক হত্যার সরকার, আর নয় দরকার। নাকি ছাত্রলীগের প্রতি তার প্রথম প্রেম আজও রয়ে গেছে? তিনি কি অন্ধ, যা দেখছেন না? প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে সমস্ত গণমাধ্যমে খবর এসেছে যে, হামলা-ভাঙচুরের ভিডিও করায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিক নামধারী দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করেছে। তবুও তিনি শ্রমিক হত্যার দায়ে বিএনপি সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন!
আরও পড়ুন: তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশা রিমান্ড শেষে কারাগারে
তিনি আরো উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ ফিরে এলে এই গুপ্ত সাদিক কায়েমরা আবারও ছাত্রলীগ হয়ে যাবে। যখন ঢাবি ক্যাম্পাসে শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন হচ্ছিল, তখন এই গুপ্ত সাদিক কায়েম ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে সাদ্দামের নেতৃত্বে মিছিল করেছে। তাহলে বোঝা যায়, তারা কেমন বিপ্লবী! তারা সুসময়ের কৌশলী বিপ্লবী।
রাশেদ খান আরও লেখেন, এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন কারণ, তারা হত্যার দায় বিএনপি সরকারের ওপর চাপিয়ে শ্রমিক নামধারী আওয়ামী লীগের তাণ্ডবকে আরও বেগবান করতে চাচ্ছে। তাই বাংলাদেশপন্থী সবাইকে তাদের ভুয়া ন্যারেটিভের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে। সরকার সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজে ফেরাতে সক্ষম হওয়ায় তারা খুব কষ্ট পেয়েছে! তারা ভাবছিল যে, এই ইস্যু দিয়ে সরকারকে ফেলে দেবেন! কিন্তু তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ায় তারা সব পাগল হয়ে গেছে!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন