গোপালপুর (টাঙ্গাইল) মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রতিনিধি
০৯:১৮ পি.এম
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদকসেবন ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
আজ (১৮ আগস্ট ২০২৬) গোপালপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গোপালপুর থানার পুলিশ সদস্যদের সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানের সময় দুই মাদকসেবনকারীকে আটক করা হয়। পরে 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮' এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধী প্রমাণিত হওয়ায় তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন— ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে মোঃ তারিকুল ইসলাম শাওন (২৮), যাকে ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর আসামী গোপালপুর উপজেলার আভূঙ্গী চরপাড়া গ্রামের মৃত আঃ মালেকের ছেলে আঃ জলিল (৪৮), যাকে ১ বছর ১১ মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে যে, জনস্বার্থে এ ধরণের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল-কাবি এবং অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল-কুওয়ারির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
দোহায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় জ্বালানি ও আর্থিক খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের ওপর।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে কাতারে পৌঁছান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, দুই দিনের সরকারি সফরে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। বিশেষ করে জ্বালানি ও আর্থিক খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো পরবর্তী সময়ে এগিয়ে নিতে এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতা বাড়াতে দুই খাতে যৌথ কর্মদল গঠনের বিষয়ে একমত হয় বাংলাদেশ ও কাতার।
বৈঠকে কাতারের দুই মন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দুই দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার ভোরে কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সফর শেষে ১৯ আগস্ট রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেট্রোরেলের নতুন লাইন-১ ও ৫-এর নির্মাণ ব্যয়, প্রাথমিক প্রাক্কলনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। সরকারের সাত সদস্যবিশিষ্ট স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে সঠিক চিত্র উঠে এসেছে। এই বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, করের হার বৃদ্ধিসহ নকশায় পরিবর্তনের কারণ হিসেবে ধরা হয়েছে। নতুন এই রুটটি বিমানবন্দর-নতুন বাজার ও হেমায়েতপুর হয়ে ভাটারায় গিয়ে শেষ হয়েছে। এর পাশাপাশি, ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী ব্যয়টি আরও বেশি ধরা হয়েছে।
মে মাসে গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া জানিয়েছেন, প্রায় পাঁচ থেকে সাত বছর আগে প্রকল্পের মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির সময়ের তুলনায় বর্তমানে নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। কমিটি তাদের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হার বিবেচনায় নিয়েছে। একইভাবে, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে এবং করের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক বসুনিয়া বলেছেন, বর্তমান এবং প্রস্তাবিত নকশার ভিত্তিতে কমিটি অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। এটি কোনো প্রকৌশলগত সমীক্ষা ছিল না। তাদের বিশ্লেষণে প্রকল্পের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এর পাশাপাশি, কিছু স্টেশনের নকশাতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
কমিটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণ ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮৮ হাজার থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে।
বসুনিয়া আরও দাবি করেছেন, তাদের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ যথাযথ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মেট্রোরেল নির্মাণের ব্যয় ভারতসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে, ভারতীয় প্রকল্পগুলোতে ডিজেল, লোহা, সিমেন্ট ও পাথরের মতো অনেক নির্মাণসামগ্রী দেশীয়ভাবে পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে এসব পণ্যের বড় অংশই আমদানি করতে হয়। তাই ভারতের সাথে সরাসরি ব্যয়ের তুলনা করা যৌক্তিক নয়।
চলতি মাসের শুরুর দিকে স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
ডিএমটিসিএলের সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় আরও বেশি ভূমিকা পালন করেছে। স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির হিসাবের চেয়ে বেশি ব্যয় ধরে মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর জন্য সংশোধিত প্রস্তাব তৈরি করেছে ডিএমটিসিএল। প্রতিষ্ঠানটি প্রস্তাবটি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানোর পর গত সপ্তাহে তা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাবে এমআরটি লাইন-১-এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানের অর্থায়ন থাকবে ৮৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। মূল প্রস্তাবে এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা এবং জাপানের ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৯ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা।
প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়নকাল ছিল সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। তবে সংশোধিত প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ২০৩৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, এমআরটি লাইন-৫-এর সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানি অর্থায়নের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা। মূল প্রস্তাবে প্রকল্পটির ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা এবং জাপানের ঋণ ছিল ২৯ হাজার ১১৭ কোটি টাকা।
লাইন-৫ প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল জুলাই ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত। সংশোধিত প্রস্তাবে বাস্তবায়নকাল বাড়িয়ে ২০৩৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সভায় ব্যয়ের বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের পর ডিএমটিসিএলের সংশোধিত প্রস্তাবের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।
আরও পড়ুন
জেনে নিন পিংক বাসের ভাড়ার তালিকা
ব্যয় নিয়ে জাপানের সাথে আলোচনা
দরপত্র জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন প্যাকেজের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর বাস্তবায়ন কার্যত থমকে যায়। ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সে সময় অর্থ উপদেষ্টা, পরিকল্পনা উপদেষ্টাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জাপান সরকারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।
তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ব্যয় কমানোর বিষয়ে আলোচনার জন্য জাপান সফরও করেন। তবে জাপানের কাছে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ার কারণে প্রকল্প দুটির কাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রকল্প দুটির কাজ পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে যতটা সম্ভব ব্যয় কমিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দেন।
স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে চাইলে সরকারকে দ্রুত প্রকল্প দুটির কাজ শুরু করা উচিত। কারণ বর্তমানে জাপান যে সুদের হার দিচ্ছে, ভবিষ্যতে তা নাও পাওয়া যেতে পারে।
জাপান এই প্রকল্পগুলির জন্য শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ সুদের হার প্রস্তাব করেছে। বসুনিয়া জানান, গত কয়েক বছরে জাপান বিশ্বজুড়ে সুদের হার বাড়ালেও মেট্রোরেল প্রকল্প দুটির জন্য এই হার অপরিবর্তিত রেখেছে।
তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো বাতিল করে নতুন কোনো উন্নয়ন সহযোগীর অর্থায়নে নতুন করে শুরু করা হলে, এত কম সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ নাও থাকতে পারে।
ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।
গত বছরের জুন পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পে ৩ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পে ৫ হাজার ১১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অর্থাৎ, দুই প্রকল্পে ইতিমধ্যে মোট ৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিতে আবারও একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে।
একটি বাল্ক ক্যারিয়ার প্রণালিটি অতিক্রম করার সময় অজ্ঞাত স্থান থেকে চালানো একটি প্রজেক্টাইল আঘাতের ফলে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জাহাজের ইঞ্জিন রুমে ক্ষতি হয়েছে এবং এক ক্রু সদস্য হতাহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, গত ১৫ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত প্রায় দশটায় এই ঘটনা ঘটে। ওমানের উপকূলের কাছে বহিরাগামী একটি বহরের সঙ্গে যাত্রা করার সময় জাহাজটির ডান দিক (স্টারবোর্ড সাইড) লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। আকস্মিক এই হামলায় জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইউকেএমটিও নিশ্চিত করেছে যে ঘটনার পরপরই ওমান কোস্ট গার্ডের সহায়তায় অবশিষ্ট ক্রুদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয় এবং আহতদের সহায়তায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তবে ঘটনাটির কারণে কোনো ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় বা তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেনি। সংস্থাটি এলাকার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচলের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে এবং কোনো ধরনের সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পরামর্শ দিয়েছে। বর্তমানে ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এই হামলার ঘটনার মধ্য দিয়ে হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা অস্থিরতা ও সামুদ্রিক বাণিজ্যিক সংকটের তীব্রতা নতুন করে প্রকাশ পেল। বিশ্ব বাজারের মোট অপরিশোধিত খনিজ তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই প্রণালিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে ইতিমধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজের যাতায়াত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
সামুদ্রিক নজরদারি সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের তথ্যানুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র কিছু নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর মুখোমুখি অবস্থানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম এই প্রধান শক্তি সরবরাহ পথটি কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেদির রঙে লেখা ‘বিআরটিসি’ হাতে নিয়ে নতুন কর্মজীবনের প্রথম দিন শুরু করলেন পিংক বাসের এক নারী চালক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে তাকে পিংক বাসের চালকের আসনে।
ছবিতে নারী চালক গোলাপি পোশাকে আছেন এবং মাথায় হিজাব পরে বাস চালাচ্ছেন। তার দুই হাতে রয়েছে মেহেদির নকশা, যার মধ্যে একটি হাতে লেখা ‘বিআরটিসি’। নতুন কর্মস্থলের প্রতি ভালোবাসা, আবেগ ও গর্বের প্রতীক হিসেবে বিষয়টি অনেকের চোখে পড়েছে।
এটি বিআরটিসিতে ওই নারী চালকের কর্মজীবনের প্রথম দিনের একটি ছবি। নতুন অধ্যায়ের সূচনাকে স্মরণীয় করে রাখতে, মেহেদির নকশায় প্রতিষ্ঠানের নাম লিখবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
দেশের গণপরিবহন খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ধীরে ধীরে বাড়ছে, এবং চালকের আসনে নারীদের উপস্থিতি সেই পরিবর্তনের প্রমাণ। পিংক বাসের নারী চালকদের কর্মজীবনের প্রথম দিনের ছবি অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
নারীদের কর্মসংস্থান ও গণপরিবহন খাতে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়াকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ